সেনাবাহিনীর মনোবল দুর্বল করতেই পিলখানায় হত্যাকাণ্ড: ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i68373-সেনাবাহিনীর_মনোবল_দুর্বল_করতেই_পিলখানায়_হত্যাকাণ্ড_ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের বাধার কারণে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। সেনাবাহিনীর মনোবলকে দুর্বল করতেই এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। দিনটি জাতির ইতিহাসের জন্য একটি কলঙ্কময় দিন। দিনটিকে স্মরণ করে দেশের জনগণকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শপথ নিতে হবে।’
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৯ ১০:৪৮ Asia/Dhaka
  • মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের বাধার কারণে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। সেনাবাহিনীর মনোবলকে দুর্বল করতেই এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। দিনটি জাতির ইতিহাসের জন্য একটি কলঙ্কময় দিন। দিনটিকে স্মরণ করে দেশের জনগণকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শপথ নিতে হবে।’

আজ (সোমবার) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) রহুল আলম চৌধুরী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইবরাহিম বীর প্রতীক, কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিলন, কর্নেল (অব.) কামরুজ্জামান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, মেজর (অব.) মিজানুর রহমান, মেজর (অব.) সারোয়ার প্রমুখ।

এসময় মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ উদঘাটন করতে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।

বিডিআর বিদ্রোহ

তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি

এদিকে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় গঠিত কমিটির তৈরি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। 

রোববার দুপুরে পুরানো পল্টন মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির উদ্যোগে ‘২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্র্যাজেডি’ স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায়  তিনি এ দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর হাফিজ বলেন, ‘পিলখানা গণহত্যায় আন্তর্জাতিকভাবে ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমরা পত্র-পত্রিকা দেখেছি। যার সিগন্যালে ঘটনাটি শুরু হবে তিনি স্টেজে অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন। পিলখানা হত্যায় জড়িত একটি দলের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের আগে আলাপ-আলোচনাও হয়েছে। হয়তো তাদের সম্মতিতেই এ ঘটনা ঘটেছে।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি অতি সহজে এভয়েড করা যেত। যদি ঘটনার শুরুতে বিদ্রোহীদের একটি সতর্ক বাণী দেওয়া হতো। এছাড়া সেনাবাহিনীর কোনো কিতাবে কোথাও নেই, বিদ্রোহ শুরু হলে এমপি, মন্ত্রীর সহায়তা চাওয়া। এ সময় সেনাবাহিনীর কাজ হবে বিদ্রোহ দমনের প্রচেষ্টা করা।’

অনুষ্ঠানে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দাবি করেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় ৫৭ সামরিক কর্মকর্তা হত্যা এবং ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি চকবাজার অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৭০ জন মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় যোগ সূত্র রয়েছে। 

তিনি বলেন, ভারতীয় নকল পণ্যের এবং তাদের একমাত্র অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা ছিল কেরানীগঞ্জ ও চকবাজার। আমি মনে করি, ২০ ফেব্রুয়ারি এবং পিলখানা গণহত্যার সমন্বয়ে ঘটানো হয়েছে। 

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক সেনা কর্মকর্তা  কর্নেল (অব.) কামরুজ্জামান খান, মেজর (অব.) ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন, মেজর (অব.) মো. হানিফ, মেজর (অব.) সাইদুল ইসলাম, মেজর (অব.) আহম্মেদ ফেরদৌস, সৈয়দ এহসানুল হুদা, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান  উপস্থিত ছিলেন।# 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৫

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন