করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ জানতে চাইল হাইকোর্ট, ৩ নির্দেশনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i78003-করোনাভাইরাস_প্রতিরোধে_সরকারের_উদ্যোগ_জানতে_চাইল_হাইকোর্ট_৩_নির্দেশনা
বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ হাইকোর্ট। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আগামী সোমবারের মধ্যে এ সংক্রান্ত তথ্য আদালতে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
মার্চ ০৫, ২০২০ ১১:৩১ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশ হাইকোর্ট
    বাংলাদেশ হাইকোর্ট

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ হাইকোর্ট। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আগামী সোমবারের মধ্যে এ সংক্রান্ত তথ্য আদালতে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) সংবাদ মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনার পর বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ তিনটি মৌখিক নির্দেশনা দেন।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে, এমন একটি সংবাদ আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। পরে আদালত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে তিনটি মৌখিক নির্দেশনা দেয়। নির্দেশগুলো হলো:

ঢাকায় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ডেস্ক

এক. স্থল বন্দর, নৌ বন্দর, বিমান বন্দর, বিশেষ করে বিমান বন্দর দিয়ে যখন বিদেশিরা বাংলাদেশে ঢুকছেন, তখন তাদের কী ধরণের পরীক্ষা করা হচ্ছে। যারা পরীক্ষা করছেন তারা প্রশিক্ষিত কিনা। যে যন্ত্রপাতি দিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে সেগুলোর সক্ষমতা কেমন। এসব তথ্য আদালতকে জানাতে হবে।

দুই. সারাদেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনাভাইরাস রোগীদের রাখার জন্য পৃথক কেবিনের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি সব বেসরকারি হাসপাতালেও করোনা ভাইরাসের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা (পৃথক কেবিনসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম) নিতে হবে।

তিন. করোনাভাইরাস পরীক্ষা বা শনাক্তের জন্য দেশে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম আছে কিনা। যদি না থাকে, জরুরি ভিত্তিতে আমদানি করতে হবে। 

এ বিষয়ে কেউ যেন ভীতি সঞ্চার না করে সে বিষয়ে সচেতন থাকতে আদালত জোর তাগিদ দিয়েছে বলেও জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বাশার।

প্রসঙ্গত, চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪ হাজার ছাড়িয়েছে এবং ৩ হাজার ২২৪ জন মারা গেছেন।  

করোনাভাইরাস

চীনে থাকা বাংলাদেশি বা বাংলাদেশে কারও মধ্যে এ পর্যন্ত নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সিঙ্গাপুরে পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে একজন এবং ইতালিতে একজন করে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নেওয়া দুজন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন বলে আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়েছে।

জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ-নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা গতকাল বলেছেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে ছয় জনের পরীক্ষা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১০২ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে কারো শরীরেই করোনার উপস্থিতি মেলেনি।”

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।