বাংলাদেশে আরও ২৬৩৫ কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ৩৫, সুস্থ ৫২১
-
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৪৬ জনে। এসময় আরও দুই হাজার ৬৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে সারাদেশ এখন পর্যন্ত মোট ৬৩ হাজার ২৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলেন।
আজ (শনিবার) বেলা আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি জানান, মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ এবং ৭ জন নারী। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায় যায়, ৮১-৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ২১-৩০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ১১-২০ বছরের ২ জন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ জন এবং বরিশাল বিভাগে ২ জন। এদের মধ্যে হাসপাতালে ২৫ জন এবং বাসায় মারা গেছেন ৯ জন। আর মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন একজন। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ ৭৭.০৬ শতাংশ এবং নারী ২২.৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৯০৯টি। এরমধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৪৮৬টি। এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১.১০ শতাংশ। আর সুস্থ হয়েছেন ৫২১ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৩২৫ জন।
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৩১৪ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৭ হাজার ১৬২ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৯৮ জন।, এখন পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ১ হাজার ৭৮৯ জনকে। এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৯৯ হাজার ২২২ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৮১১ জন, এখন পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ৪২ হাজার ৯২৫ জন ছাড় পেয়েছেন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৬ হাজার ২৯৭ জন।
বুলেটিনে জানানো হয়, নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে বগুড়ার টিএমএনএ মেডিকেল ও রেফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল। পুরোনো নমুনা পরীক্ষাগারের মধ্যে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ও জামালপুরের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে ‘কারিগরি ত্রুটির’ কারণে নমুনা পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।