জিয়ার ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ, পুলিশের লাঠিচার্জ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i87306-জিয়ার_বীর_উত্তম’_খেতাব_বাতিলের_প্রতিবাদে_বিএনপির_সমাবেশ_পুলিশের_লাঠিচার্জ
বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বঘোষিত সমাবেশে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। আজ (শনিবার) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বক্তব্য শুরু করলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
(last modified 2026-02-17T14:37:08+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১ ১৩:১৪ Asia/Dhaka
  • পুলিশের লাঠিচার্জ
    পুলিশের লাঠিচার্জ

বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বঘোষিত সমাবেশে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। আজ (শনিবার) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বক্তব্য শুরু করলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

এ সময় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমানুল্লাহ আমান ও হাবিবুন্নবী খান সোহেলকে নেতাকর্মীরা প্রেস ক্লাবের ভেতরে নিয়ে যান। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন। পুলিশের লাঠিচার্জে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।

সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হলেও সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হতে থাকেন। বিএনপির সমাবেশের কারণে প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে চাইলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি, উত্তেজনা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ অবস্থা চলে প্রায় ১০ মিনিট।

এর দুই ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বক্তব্য রাখতে শুরু করলে সমাবেশস্থলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এসময় বিএনপির নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে শুরু করে হাইকোর্টের মোড় ও সচিবালয়ের সামনের সড়কেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। পুলিশও বিএনপিকর্মীদের লাঠিচার্জ করে। এসময় বিএনপির কয়েকজন কর্মী ছাড়াও কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী আহত হন।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের সড়ক বন্ধ করে সমাবেশ শুরু করে। পুলিশ রাস্তা একটু ছেড়ে দিয়ে দাঁড়াতে বললে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল মারতে থাকে।এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এরপর তারা আবার সমাবেশ করেছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, যুবদল মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।