পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বনধে মিশ্র প্রতিক্রিয়া: ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, গ্রেফতার
-
বনধের সমর্থনে বিজেপির মিছিল
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি’র ডাকা ‘বাংলা বনধ’-এ মিশ্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে। আজ (বুধবার) রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বনধ সমর্থকরা সরকারি-বেসরকারি যানবাহনে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সড়ক অবরোধ করায় পুলিশ বিজেপি সমর্থকদের গ্রেফতার করেছে।
এদিন বেশ কয়েকটি জায়গায় বিজেপি সমর্থক ও পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ হয়। বনধের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিয়ালদহ ডিভিশনে ৪৬ জোড়া ট্রেন বাতিল করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘নতুন আইন পাস হয়েছে। যারা ভাঙচুর করেছেন, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’
বিজেপি’র বনধ ‘ফ্লপ’ হয়েছে: পার্থ
রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ও রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিজেপি’র ডাকা বনধ ‘ফ্লপ’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। পার্থ বাবু বলেন, ‘বিজেপি দলটা যেরকম ফ্লপ, তেমনি এধরণের বনধও ফ্লপ হয়েছে।’
রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রেল অবরোধ, সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর প্রসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘ওদের কাজ হচ্ছে, গায়ের জোর দেখানো, গুণ্ডামি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। মানুষ সম্পূর্ণভাবে কর্মনাশা বনধকে প্রত্যাখ্যান করেছে।’
সর্বাত্মক বনধ পালিত হয়েছে: মুকুল রায়
অন্যদিকে, বিজেপি নেতা মুকুল রায় রাজ্যে সর্বাত্মক বনধ পালিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার দাড়িভিট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে ছাত্র-জনতা ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মণ নামে দুই প্রাক্তন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। বিজেপি-আরএসএসের দাবি, পুলিশের গুলিতে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে। ওই ঘটনার জের ধরে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার অভিযোগে বিজেপি আজ বাংলা বনধের ডাক দেয়।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৬
- খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন