জিএসটি ইস্যুতে মোদির হয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন রাহুল
https://parstoday.ir/bn/news/india-i68887-জিএসটি_ইস্যুতে_মোদির_হয়ে_ব্যবসায়ীদের_কাছে_ক্ষমা_চাইলেন_রাহুল
ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আজ (শনিবার) উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে এক সমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে কার্যকর করা পণ্য ও পরিসেবা কর (জিএসটি) নিয়ে ব্যবসায়ীরা যে দুর্ভোগে পড়েছেন সেজন্য ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা চান।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
মার্চ ১৬, ২০১৯ ১৬:০৮ Asia/Dhaka
  • রাহুল গান্ধী
    রাহুল গান্ধী

ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আজ (শনিবার) উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে এক সমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে কার্যকর করা পণ্য ও পরিসেবা কর (জিএসটি) নিয়ে ব্যবসায়ীরা যে দুর্ভোগে পড়েছেন সেজন্য ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা চান।

পণ্য ও পরিসেবা কর-এ (জিএসটি) ব্যবসায়ীদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে রাহুল বলেন ‘আমরা ‘গব্বর সিং ট্যাক্স’কে প্রকৃত জিএসটিতে পরিণত করব যা একটি সাধারণ ট্যাক্স হবে।

রাহুল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য বলেন, ‘আপনাদের যে ক্ষতি হয়েছে এবং যে কষ্ট হয়েছে সেজন্য আমি নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। উনি মারাত্মক ভুল করেছেন, আমরা ওই ভুলকে সংশোধন করব।’

সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মিরের পুলওয়ামায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় সিআরপিএফ জওয়ানদের নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনায় রাহুল বলেন, ‘উত্তরাখণ্ডের পবিত্র ভূমিতে আসতে পারার জন্য আমি খুব খুশি। সেনাবাহিনীতে উত্তরাখণ্ডের অংশগ্রহণকে গোটা দেশ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়। পুলওয়ামাতে সিআরপিএফ জওয়ানরা শহীদ হয়েছেন। পুলওয়ামার বিস্ফোরণের পরে, আমরা দ্রুত বলেছিলাম যে কংগ্রেস দল সম্পূর্ণ আস্থাসহ সরকার ও দেশের সাথে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু সেসময় প্রধানমন্ত্রী একটি পার্কে ভিডিও তুলছিলেন। হাসিমুখে তিনি সেখানে সাড়ে তিন ঘণ্টা ছিলেন এবং সারাদিন দেশপ্রেমের কথা বলেছিলেন।’ 

 নরেন্দ্র মোদি

রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে আজ বিজেপির সিনিয়র নেতা ও রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিসি খান্ডুরির ছেলে মনিশ খান্ডুরি কংগ্রেসে যোগ দেন। বিজেপির জন্য যা একটি বড় ধাক্কা বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

রাহুল কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘বিসি খান্ডুরি গোটা জীবন সেনাবাহিনীতে কাটিয়েছেন। কিন্তু তিনি যখন সংসদে জাতীয় প্রতিরক্ষা ইস্যুতে সরকারি পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলেছিলেন তখন তাকে জাতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল।’

খান্ডুরি ৩৬ বছর সেনাবাহিনীতে ছিলেন। পরে তিনি রাজনৈতিক আঙিনায় পা রাখেন। বিসি খান্ডুরি ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সাবেক বিজেপি প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলে ২০০০ সালে তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হয়েছিল।

উত্তরাখণ্ডে আগামী ৫ এপ্রিল লোকসভার পাঁচ আসনে নির্বাচন হবে। তার আগে বিসি খান্ডুরির ছেলে মনিশ খান্ডুরি কংগ্রেসে যোগ দেয়ায় রাজ্যটিতে কংগ্রেস বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১৬

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন