কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোয় মোদির তুরস্ক সফর বাতিল
https://parstoday.ir/bn/news/india-i74626-কাশ্মীর_ইস্যুতে_পাকিস্তানের_পাশে_দাঁড়ানোয়_মোদির_তুরস্ক_সফর_বাতিল
কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিবাদে আঙ্কারা সরকার পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত তুরস্ক সফর বাতিল করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বড় বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিতে ২৭/২৮ অক্টোবর সৌদি আরব যাচ্ছেন। সেখান থেকে তাঁর তুরস্কে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন তিনি আর সেখানে যাবেন না।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
অক্টোবর ২০, ২০১৯ ১৫:২৭ Asia/Dhaka
  • নরেন্দ্র মোদি
    নরেন্দ্র মোদি

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিবাদে আঙ্কারা সরকার পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত তুরস্ক সফর বাতিল করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বড় বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিতে ২৭/২৮ অক্টোবর সৌদি আরব যাচ্ছেন। সেখান থেকে তাঁর তুরস্কে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন তিনি আর সেখানে যাবেন না।

জাতিসঙ্ঘের সাধারণ সভায় কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের মতকে সমর্থন জানিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় মোদি সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। তিনি ভারতের সিদ্ধান্তকে 'কাণ্ডজ্ঞানহীন' বলে অভিহিত করে বলেন, ‘কাশ্মীর ইস্যুকে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির থেকে কোনওভাবেই আলাদা করা যায় না। সেজন্য আলাপ-আলোচনা, সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমেই এই সমস্যাকে মিটিয়ে নেয়া প্রয়োজন। সংঘর্ষের মাধ্যমে নয়।’

ভারত বরাবরই বিভিন্ন ফোরামে কাশ্মীরকে 'অভ্যন্তরীণ সমস্যা' বলে জানিয়েছে। কিন্তু জাতিসঙ্ঘের মঞ্চে এরদোগানের ওই মন্তব্য নয়াদিল্লিকে ক্ষুব্ধ করেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেন, ‘ভারত তুরস্কের প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। কাশ্মীর সম্পূর্ণরূপে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা তুরস্কের সরকারকে আহ্বান জানিয়েছি, এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করার আগে, আমাদের কাছে এসে ভালোভাবে ইস্যুটি যেন তাঁরা জেনে নেয়।’

এরপরই নয়াদিল্লির তরফে ঘোষণা করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত আঙ্কারা সফর আপাতত হচ্ছে না। এই সফর অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অবশ্য ওই সফর সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে সফর সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। সেজন্য বাতিল করার মতো কোনও প্রশ্নই নেই। ভারত ও তুরস্কের সম্পর্ক কখনই বিশেষ উত্তপ্ত হয়নি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত সফর বাতিল হওয়ায় স্পষ্ট যে দু'দেশের সম্পর্কে তিক্ততা সৃষ্টি হয়েছে।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।