মধ্য প্রদেশে ২২ কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফার পর বহিষ্কৃত হলেন জ্যোতিরাদিত্য
https://parstoday.ir/bn/news/india-i78152-মধ্য_প্রদেশে_২২_কংগ্রেস_বিধায়কের_ইস্তফার_পর_বহিষ্কৃত_হলেন_জ্যোতিরাদিত্য
ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার হয়েছেন মধ্য প্রদেশের প্রভাবশালী নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। আজ (মঙ্গলবার) তাঁকে দলবিরোধী কার্যকলাপের দায়ে বহিষ্কার করা হয়।
(last modified 2026-06-16T05:39:17+00:00 )
মার্চ ১০, ২০২০ ১৫:০০ Asia/Dhaka
  • জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া
    জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার হয়েছেন মধ্য প্রদেশের প্রভাবশালী নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। আজ (মঙ্গলবার) তাঁকে দলবিরোধী কার্যকলাপের দায়ে বহিষ্কার করা হয়।

বিজেপি’র কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধিসহ তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন জল্পনার মধ্যে আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন জ্যোতিরাদিত্য। এরপরেই কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন তিনি। যদিও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই ঘটনাকে কংগ্রেসের জন্য 'বড় ধাক্কা' বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

২২ কংগ্রেস বিধায়কের পদত্যাগ

আজ (মঙ্গলবার) সকালে বিজেপির সাবেক সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ'র সঙ্গে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। সেখান থেকে বেরিয়েই কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। কিন্তু কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা কেসি বেণুগোপাল জানিয়ে দিয়েছেন, ‘দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য জ্যোতিরাদিত্যা সিন্ধিয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করা হল। সোনিয়া গান্ধীর নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

অধীর রঞ্জন চৌধুরী

এ প্রসঙ্গে লোকসভার কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘সিন্ধিয়াজি কংগ্রেস দলের বিভিন্ন উচ্চ পদে ছিলেন। সবাই তাঁকে শ্রদ্ধাও করতেন। মনে হয় মোদিজি তাঁকে মন্ত্রিত্ব পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়েছিলেন। তাতেই ফেঁসেছেন উনি। আমরা জানি তাঁর পরিবার বহুযুগ ধরেই বিজেপি’র সঙ্গে যুক্ত আছে। তবে এটা আমাদের দলের ক্ষেত্রে খুবই বড় একটা ক্ষতি। এই পরিস্থিতিতে আমি মনে করি না যে মধ্যপ্রদেশে আমাদের সরকার আর টিকবে। আসলে আজকের দিনে এটাই বিজেপির রাজনীতি। যারা সবসময়ে বিরোধীদের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করছে।’

এদিকে, মধ্য প্রদেশে এ পর্যন্ত বিদ্রোহী ২২ কংগ্রেস বিধায়ক দল থেকে ইস্তফা দেওয়ায় কংগ্রেসশাসিত রাজ্যটিতে রাজনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। দলের বিদ্রোহ সামাল না দেওয়া গেলে রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের পতন হতে পারে এবং সেক্ষেত্রে রাজ্যটিতে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।