জেনিনে ইসরাইলি পাশবিকতার তীব্র নিন্দা জানাল ইরান
“কথিত শান্তি প্রতিষ্ঠা করে ইসরাইলের ‘যুদ্ধ-যন্ত্র’ বন্ধ করা যাবে না”
অধিকৃত জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে ইহুদিবাদী ইসরাইলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। ওই হামলাকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের’ সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ আখ্যায়িত করে তেহরান বলেছে, এই আগ্রাসন প্রমাণ করে ইসরাইলের সঙ্গে কথিত শান্তি প্রতিষ্ঠা করে এই দখলদার সরকারের ‘যুদ্ধ-যন্ত্র’ বন্ধ করা যাবে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানয়ানি গতকাল (সোমবার) তেহরানে সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ের সময় এ মন্তব্য করেন। সোমবার ভোররাতে ইসরাইলি সেনারা জেনিন শহর ও জেনিন শরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ আগ্রাসন চালায়। এতে অন্তত সাত ফিলিস্তিনি শহীদ ও কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।
কানয়ানি বলেন, “জেনিন শহরে আকাশ ও স্থলপথে সম্মিলিত আগ্রাসন চালিয়ে ইহুদিবাদী ইসরাইল একটি ভয়াবহ অপরাধযজ্ঞ সংঘটিত করেছে এবং এটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের সুস্পষ্ট উদাহরণ।” ইরানের এই মুখপাত্র আরো বলেন, “অপরাধযজ্ঞ ইহুদিবাদী ইসরাইলের মজ্জাগত স্বভাবে পরিণত হয়েছে। জেনিনে সর্বশেষ যে অপরাধযজ্ঞ তেল আবিব চালিয়েছে তাতে আরেকবার একথা প্রমাণিত হয়েছে যে, ইসরাইলের সঙ্গে আপোষ করে এই সরকারের যুদ্ধ-যন্ত্র বন্ধ করা যাবে না এবং এই দখলদার শক্তি যেমন শান্তি চায় না তেমনি তাকে বিশ্বাসও করা যায় না।”
কানয়ানি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণ দখলদার সরকারের কাছ থেকে তাদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের চেষ্টা করা ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ করেনি। ফিলিস্তিনি জাতি ইসরাইলকে পরাজিত করবেই বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। #
পার্সটুডে/এমএমআই/৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।