ড্রোন এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিরোধী দুটি নয়া ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে ইরান
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i131270-ড্রোন_এবং_ক্রুজ_ক্ষেপণাস্ত্র_বিরোধী_দুটি_নয়া_ক্ষেপণাস্ত্র_তৈরি_করেছে_ইরান
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি'র নৌবাহিনীর কমান্ডার জানিয়েছেন, ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল মোকাবেলায় ইরান আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ২টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ২৫, ২০২৩ ১৪:০১ Asia/Dhaka
  • ড্রোন এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিরোধী দুটি নয়া ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে ইরান

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি'র নৌবাহিনীর কমান্ডার জানিয়েছেন, ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল মোকাবেলায় ইরান আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ২টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।

রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি রেজা তাংসিরি বলেছেন, আইআরজিসি'র নৌবাহিনী তাদের সর্বশেষ যে সাফল্যগুলোর ঘোষণা দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে দুটি নয়া ক্ষেপণাস্ত্র। আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ওই ক্ষেপণাস্ত্র দুটির রেঞ্জ ৪ থেকে ১৭ কিলোমিটার। 

রিয়ার অ্যাডমিরাল তাংসিরি আরও বলেছেন: আইআরজিসি'র নৌ-বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা বিশ্বে নজিরবিহীন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তারা ২ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।

তিনি বলেন: আইআরজিসি এখন নৌ-যান নির্মাণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। শহীদ সোলায়মানি, শহীদ সাইয়্যদ শিরাজি এবং শহীদ হাসান বাকেরি নৌ-যানগুলো ওই সাফল্যের উদাহরণ।

এডমিরাল তাংসিরি এ নৌ-যানগুলোকে বৈশিষ্ট্য ও গতির দিক থেকে নজিরবিহীন এবং অনন্য বলে উল্লেখ করেছেন। এই নৌ-যানগুলো ইরানের বিশেষজ্ঞরা তৈরি করেছেন। বিশেষ করে এগুলোর গতি আমেরিকার জাহাজের গতির তিনগুণ বেশি বলে মন্তব্য করেন অ্যাডমিরাল তাংসিরি।

ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি আক্রমণাত্মক নয় প্রতিরোধমূলক। প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য নির্ভরযোগ্য সামরিক ও অস্ত্র সক্ষমতাসহ শক্তিশালী ও সুসজ্জিত সশস্ত্র বাহিনী থাকা অপরিহার্য বলে মনে করে ইরান।#

পার্সটুডে/এনএম/২৫ 

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।