ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ে ন্যাটোর দাবি ভিত্তিহীন
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i161194-ইরানের_পরমাণু_কর্মসূচি_এবং_হরমুজ_প্রণালী_নিয়ে_ন্যাটোর_দাবি_ভিত্তিহীন
পার্সটুডে- তুরস্কে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের বিবৃতিতে ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা সম্পর্কে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেছে এবং তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
(last modified 2026-07-10T14:34:39+00:00 )
জুলাই ১০, ২০২৬ ২০:২২ Asia/Dhaka
  • ইরানের ব্যাপারে তুরস্ক সম্মেলনে ন্যাটোর বিবৃতি
    ইরানের ব্যাপারে তুরস্ক সম্মেলনে ন্যাটোর বিবৃতি

পার্সটুডে- তুরস্কে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের বিবৃতিতে ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা সম্পর্কে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেছে এবং তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইরানি ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে উদ্ধৃত করে পার্স টুডে জানিয়েছে, তুরস্কে অবস্থিত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাস আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের বিবৃতির বিষয়বস্তুর জবাবে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে: ইরান তার শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা সম্পর্কে এই বিবৃতিতে উত্থাপিত ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগগুলোকে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করে।

জবাবে বলা হয়েছে: ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, এবং ইরান একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) সদস্য হিসেবে সর্বদা জোর দিয়ে এসেছে যে ইরানের প্রতিরক্ষা নীতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো স্থান নেই।

তুরস্কে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইরানের ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে বলেছে, ইরান পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সর্বদা একটি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে এবং এই অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতার প্রধান উৎস হলো বাইরের শক্তিগুলোর অবৈধ সামরিক হস্তক্ষেপ, উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং অস্থিতিশীল সৃষ্টিকারী নীতি, ইরান নয়।

ন্যাটোর অভিযোগের জবাবে আরও বলা হয়: যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাই কূটনীতির চেয়ে আগ্রাসনকে বেছে নিয়েছে। ন্যাটো, যা ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন ও সহজতর করেছে, তার ইরানকে উপদেশ দেওয়ার বা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য কোনো ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই।

তুরস্কে অবস্থিত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাস আরও বলেছে, এই ধরনের পরস্পরবিরোধী এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবস্থান শান্তি প্রতিষ্ঠায় কোনো অবদান রাখবে না বা ন্যাটোর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াবে না, বরং কেবল এই জোটের দ্বৈত নীতিকেই প্রকাশ করে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান তার সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা দৃঢ়ভাবে রক্ষা করার পাশাপাশি কূটনীতি, গঠনমূলক সম্পর্ক এবং জাতিসংঘ সনদের মূলনীতিসমূহ মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/১০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।