ইরান-ইরাক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: ঐতিহাসিক বন্ধনকে পুঁজি করে বাড়বে কৌশলগত সহযোগিতা
-
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তেহরানে সফররত ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি ফালেহ আল-যাইদির সাথে বৈঠক করেন।
পার্সটুডে – ইরান ও ইরাকের শীর্ষ নেতারা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও জনগোষ্ঠীগত সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে এই মূল্যবান সম্পদকে কৌশলগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের ভিত্তি হিসেবে সংরক্ষণ ও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
পার্সটুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরনা বার্তা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে তেহরানে সফররত ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি ফালেহ আল-যাইদির সাথে সাক্ষাতে দুই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন ও গভীরতর করার উপায় নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করেছেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং ইরাকের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যৌথ চুক্তিগুলোর উল্লেখ করে এসব চুক্তির পূর্ণাঙ্গ ও দ্রুত বাস্তবায়নকে সম্পর্কোন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, ট্রানজিট, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে যৌথ সক্ষমতাগুলোকে সক্রিয় করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।
দুই পক্ষই অবিরত সমন্বয় ও একীভবনের গুরুত্ব তুলে ধরে তেহরান-বাগদাদ সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনকে একটি কৌশলগত আবশ্যকতা হিসেবে মূল্যায়ন করেন। তারা স্পষ্ট করেন যে, সর্বাত্মক সম্পর্কের উন্নয়ন শুধুমাত্র দুই দেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি বাড়ায় না, বরং দুই ভাতৃপ্রতিম দেশের স্বার্থ পূরণ এবং আঞ্চলিক ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করতেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে।#
পার্সটুডে/এমবিএ/২৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।