ইরান ইস্যুতে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরোধীদের চাপ: মার্কিন হামলায় সমর্থন বন্ধের দাবি
https://parstoday.ir/bn/news/world-i161818-ইরান_ইস্যুতে_ব্রিটিশ_সরকারের_বিরুদ্ধে_যুদ্ধবিরোধীদের_চাপ_মার্কিন_হামলায়_সমর্থন_বন্ধের_দাবি
পার্সটুডে: ব্রিটেনের কয়েকটি যুদ্ধবিরোধী সংগঠন নতুন গঠিত অ্যান্ডি বার্নহামের সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী সামরিক কর্মকাণ্ডে লন্ডনের সমর্থন বন্ধ এবং মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
(last modified 2026-07-30T14:00:00+00:00 )
জুলাই ৩০, ২০২৬ ১৯:৩১ Asia/Dhaka
  • ইরান ইস্যুতে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরোধীদের চাপ: মার্কিন হামলায় সমর্থন বন্ধের দাবি

পার্সটুডে: ব্রিটেনের কয়েকটি যুদ্ধবিরোধী সংগঠন নতুন গঠিত অ্যান্ডি বার্নহামের সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী সামরিক কর্মকাণ্ডে লন্ডনের সমর্থন বন্ধ এবং মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

ইরনার বরাতে পার্স টুডে জানায়, Stop the War Coalition এবং ব্রিটেনের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণবিষয়ক সংগঠন Campaign for Nuclear Disarmament (CND) এক যৌথ আহ্বানে বলেছে, বার্নহাম সরকারকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক কর্মকাণ্ডে সমর্থন বন্ধ করতে হবে এবং লন্ডনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারগুলো গভীরভাবে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

দুটি সংগঠনই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনিশ্চিত আচরণ এবং ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতিতে চলমান সংকট ব্রিটিশ সরকারের জন্য হোয়াইট হাউসের যুদ্ধকেন্দ্রিক নীতি থেকে দূরত্ব বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়েছে।

CND-এর মহাসচিব সোফি বোল্ট বলেন, ইরানের সেতু, জ্বালানি অবকাঠামো ও অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হলে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রতিরক্ষামূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা যায় না। তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগের সরকারের নীতি অব্যাহত না রেখে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সম্পাদিত সমঝোতা পুরোপুরি বাস্তবায়ন এবং নতুন সংঘাত প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

Stop the War Coalition-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শাবির লাখাও ব্রিটিশ নতুন সরকারের অর্থনৈতিক ও সামরিক নীতির সমালোচনা করে সতর্ক করেন, অস্ত্র খাতে ব্যয় বাড়ালে জনসেবা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কমে যেতে পারে।#
 

পার্সটুডে/এমবিএ/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।