ইয়াযদ শহর: ইরানের মরুভূমির মুক্তা
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i21151-ইয়াযদ_শহর_ইরানের_মরুভূমির_মুক্তা
ইরানের কেন্দ্রীয় পর্বতমালার পাশে অবস্থিত ইয়াযদ প্রদেশের প্রধান শহরের নাম ইয়াযদ। মরু আঞ্চলিক শহরগুলোর মধ্যে এটি ইরানের অন্যতম প্রাচীন, বৃহত্তম ও  সুন্দর শহর হিসেবে স্বীকৃত।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬ ১৪:০১ Asia/Dhaka
  • ইয়াযদ শহর: ইরানের মরুভূমির মুক্তা

ইরানের কেন্দ্রীয় পর্বতমালার পাশে অবস্থিত ইয়াযদ প্রদেশের প্রধান শহরের নাম ইয়াযদ। মরু আঞ্চলিক শহরগুলোর মধ্যে এটি ইরানের অন্যতম প্রাচীন, বৃহত্তম ও  সুন্দর শহর হিসেবে স্বীকৃত।

ইয়াযদ মানে হলো পাক পবিত্র। ইয়াযদ শহরটির বৈশিষ্ট্য তার নাম থেকে সুস্পষ্ট হয়ে যায়। ইয়াযদ শহরের স্থাপনাগুলোর ইতিহাস নিয়ে কিছুটা মতানৈক্য রয়েছে। কেউ কেউ বলেন এখানকার প্রথম স্থাপনাটি গড়ে উঠেছে অ্যালেক্সান্ডারের হাতে। বলা হয়ে থাকে অ্যালেক্সান্ডার এই শহরটি তৈরি করেছিল কারাগার হিসেবে। যারা শাস্তি প্রাপ্ত তাদের জন্য এবং নির্বাসনে দেয়ার জন্য এই শহরটি গড়ে তুলেছেন তিনি। এ কারণে অ্যালেক্সান্ডারের কারাগার নামেও এই শহরের প্রসিদ্ধি আছে।

বলা হয়ে থাকে, অ্যালেক্সান্ডার যখন ইরানের ওপর দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল তখন তেহরানের কাছাকাছি ‘রেই’ নামক বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক শহরের বেশ কজন ব্যক্তিত্ব তার বিরোধিতা করেছিলেন। অ্যালেক্সান্ডার সেইসব মহান ব্যক্তিবর্গকে গ্রেফতার করে ইয়াযদ অতিক্রম করার সময় সেখানকার একটি কূপে তাঁদেরকে বন্দী করে রেখেছিল। ওই স্থানটিকে গ্রিক ভাষায় জিন্দান বা কারাগার বলে নাম রাখে।

খারানাক গ্রাম ইয়াজদ

অ্যালেক্সান্ডার যখন ইয়াযদ থেকে বেরিয়ে যায় তখন ওই কারাবন্দীরাই রক্ষীদের সাহায্য নিয়ে শহরটিকে আবাদ করার উদ্যোগ নেয়। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, ইয়াজদের গোড়াপত্তন হয়েছিল শাসানী শাসক প্রথম ইয়াযদগার্দ্ এর হাতে। তার নামের সাথে মিল রেখেই শহরটির নাম রাখা হয়েছে ইয়াযদ।

ইয়াজদ মরুভূমিতে সূর্যাস্তের দৃশ্য

হিজরি পঞ্চম শতক থেকে এই শহরটির বিকাশ ঘটে। আতাবাকিরাই এই শহরের উন্নয়নে অবদান রেখেছিল। ইয়াযদেও দেখার আছে অনেক কিছু। বিশ্ব পর্যটকরা এই শহরে প্রায়ই বেড়াতে আসে ইয়াজদের মসজিদে কাবির, ফাহরাজ জামে মসজিদ, সাইয়্যেদ রোকনুদ্দিনের সমাধি, দৌলতাবাদ বাগিচা, আমিরে চাখমখ মসজিদ, অগ্নিমন্দির, টাওয়ার ইত্যাদি দেখার জন্য।।#

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৫