পারস্যের কানাত প্রযুক্তি: ইউনেস্কোর অন্যতম বিশ্ব ঐতিহ্য
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i21634-পারস্যের_কানাত_প্রযুক্তি_ইউনেস্কোর_অন্যতম_বিশ্ব_ঐতিহ্য
প্রাচীনকালে তৎকালীন পারস্যে মাটির নীচে খাল তৈরি করে অনেক দূর থেকে মরু অঞ্চলে পানি সরবরাহ করা হতো টানেলের মাধ্যমে। ওই পানি রান্না-বান্না, খাওয়া, কৃষিকাজসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হতো। ভূগর্ভস্থ এসব খালকে ‘কানাত’ বলা হয়।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
অক্টোবর ০১, ২০১৬ ০৫:১৩ Asia/Dhaka
  • পারস্যের কানাত প্রযুক্তি: ইউনেস্কোর অন্যতম বিশ্ব ঐতিহ্য

প্রাচীনকালে তৎকালীন পারস্যে মাটির নীচে খাল তৈরি করে অনেক দূর থেকে মরু অঞ্চলে পানি সরবরাহ করা হতো টানেলের মাধ্যমে। ওই পানি রান্না-বান্না, খাওয়া, কৃষিকাজসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হতো। ভূগর্ভস্থ এসব খালকে ‘কানাত’ বলা হয়।

অতীতে ১১টি কানাতের মাধ্যমে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকায় পানি সরবরাহ করা হতো। মূল এসব কানাতই ছিল পানির প্রধান উৎস।

চলতি বছর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে ইরানের কানাত ও দাশত-ই লুত মরুভূমি। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় এ পর্যন্ত ইরানের ২১টি স্থাপনা ও ঐতিহাসিক নিদর্শন স্থান পেয়েছে। তবে এই প্রথম কানাতের মতো এমন একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা এই তালিকায় স্থান পেল।

 খ্রিস্টপূর্ব ৭০০ বছর আগে পারস্যে কানাত প্রযুক্তির প্রচলন শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে তা অন্য কয়েকটি দেশেও ছড়িয়ে পড়ে।

ইরান তথা প্রাচীন পারস্যের যে ১১টি কানাত ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে সেগুলো হলো: কাসাবেহ গোনাবাত, বালাদেহ, জারচ, হাসাম আবাদ-ই মশির, ইবরাহিম আবাদ, ভাজভান, মোজদ আবাদ, দ্য মুন, গোওহারিজ, কাসেম আবাদ ও আকবর আবাদ।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১