আলোচনায় যে সমাধান আসে তাতে দু’পক্ষই বিজয়ী হয়: রুহানি
-
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোত স্বাক্ষরকারী সব পক্ষকে পুরোপুরি এ চুক্তি মেনে চলতে হবে। তেহরান সফররত ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-মার্ক আইরো’র সঙ্গে এক বৈঠকে এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রুহানি বলেন, ‘জেসিপিওএ’ খ্যাত সমঝোতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এ সমঝোতার চেয়ে এর বার্তাটি ছিল বিশ্ববাসীর জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রুহানির মতে, এ সমঝোতার বার্তাটি হচ্ছে, আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো জটিল আন্তর্জাতিক ইস্যুর সমাধান করা সম্ভব যেখানে দু’পক্ষই বিজয়ী হবে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, কাজেই কারো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে যদি এ সমঝোতা ব্যর্থ হয় তাহলে বিশ্বের কাছে এই ভয়ানক বার্তাটি যাবে যে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্যদেশ ও জার্মানিকে নিয়ে গঠিত ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই পরমাণু সমঝোতা সই করে ইরান যার বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি।
সমঝোতায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেয়ার বিনিময়ে তেহরান তার পরমাণু কর্মসূচিতে কিছুটা সীমাবদ্ধতা আরোপ করতে সম্মত হয়।
রুহানি বলেন, তার দেশ পরমাণু সমঝোতায় দেয়া সবগুলো প্রতিশ্রুতি পালন করেছে এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ বিষয়টিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কাজেই এখন এ সমঝোতার অন্য পক্ষগুলোকেও অবিলম্বে তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পালন করতে হবে।
সাক্ষাতে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ইরানের সঙ্গে পাশ্চাত্যের পরমাণু সমঝোতাকে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই সমঝোতার ফলে অর্জিত সাফল্যকে সুরক্ষা দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১