ইরানে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আবহ: চলছে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i36434-ইরানে_শুরু_হয়েছে_নির্বাচনী_আবহ_চলছে_প্রার্থী_বাছাইয়ের_কাজ
ইরানের জনগণ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আরো এক মাস পর অর্থাৎ ১৯মে ১২তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে সব শহর ও গ্রামে ৫০তম স্থানীয় পরিষদ নির্বাচন ও মজলিশে শুরায়ে ইসলামীর মধ্যবর্তী নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ১৮, ২০১৭ ১৪:১৭ Asia/Dhaka

ইরানের জনগণ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আরো এক মাস পর অর্থাৎ ১৯মে ১২তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে সব শহর ও গ্রামে ৫০তম স্থানীয় পরিষদ নির্বাচন ও মজলিশে শুরায়ে ইসলামীর মধ্যবর্তী নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।

স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সর্বোত্তম উপায়ে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। সর্বত্র নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে এবং প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনেও ইরানের নির্বাচনের ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়নি। কারণ বর্তমানে অভিভাবক পরিষদ প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই বাছাইএর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থী বাছাই করে আগামী ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং সেই সময় পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে। 

অবশ্য অভিভাবক পরিষদের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা বাছাইয়ে এ ধরণের পদক্ষেপ সব দেশেই রয়েছে। ইরানে অভিভাবক পরিষদ আবার কোনো দেশে সাংবিধানিক আদালত কোনো দেশে সংসদীয় কমিটি এ বিষয়ে তৎপরতা চালিয়ে থাকে।

তবে ইরানে নির্বাচনের সময় এলেই সারা বিশ্বের গণমাধ্যমে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যায় এবং ইরানের নির্বাচনের পদ্ধতি বিশ্লেষকদের আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচন নিয়ে ইরানের জনগণের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা সব  গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ  করেছে। কারণ কোনো কোনো প্রচারমাধ্যম সংস্কারপন্থী ও কট্টরপন্থী ইস্যুতে ইরানের নির্বাচন নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করলেও এটা সবাই বুঝেছে যে এ ধরণের প্রচারণা সঠিক নয়। বিদেশি কোনো কোনো মহলের প্রচারণার কারণে হয়তো জনমত একটি পক্ষের দিকে নিয়ে যেতে পারবে কিন্তু জনগণের রায় ও সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। 

ইরানের জনগণ প্রতিটি নির্বাচনেই তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে আসছে এবং নিজের পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছে। সব গণমাধ্যমই ইরানের জনগণের পছন্দ অপছন্দ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করছে এবং এ ব্যাপারে সবাই একমত যে, যেকোনো নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেখানে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন থাকবে। নির্বাচনের বিষয়ে ইরানের জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ও আগ্রহ বিদেশি গণমাধ্যমেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। #  

পার্সটুডে/মো. রেজওয়ান হোসেন/১৮