ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: প্রাধান্য পাচ্ছে অর্থনীতি
-
ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থীরা
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেশের অর্থনৈতিক বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রার্থীরা সারা দেশে জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নানা রকম প্রতিশ্রুতির ডালি নিয়ে আর স্বপ্ন দেখাচ্ছেন নানা সফলতার। প্রার্থীদের অনেকে বর্তমান ও আগের সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করছেন।
নির্বাচনী প্রচারণায় বর্তমান প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, দেশের যেসব এলাকায় এখনো দারিদ্র বিরাজ করছে সেসব এলাকার দারিদ্র দূর করবেন তিনি। রাজধানীর আযাদি স্কয়ারে হাজার হাজার জনতার এক সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে আমরা বিশ্ববাসীকে জানাতে চাই যে, আমরা আমাদের ভবিষ্যত নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; ধ্বংস করতে চাই না।” প্রচলিত মাসিক ভাতা তিনি বন্ধ করবেন না বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।
এবারের নির্বাচনে সরকারি এ ভাতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। কোনো কোনো প্রার্থী বলছেন, মাসিক ভাতা তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো দরকার। তেহরানের মেয়র ও অন্যতম প্রধান প্রার্থী মোহাম্মাদ কলিবফ রুহানি সরকারকে অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী করেছেন। আরেক প্রার্থী সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসিও রুহানি সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচিত হলে তার সরকার সমাজে “আমরা পারি”- এমন মনোভাব তৈরি করবে এবং বিদেশ নির্ভরতা কমাবে।
নির্বাচনের আরেক প্রার্থী মোস্তাফা আগা মিরসালিমও সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করেন।#
পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/১৪