স্যাটেলাইটবাহী রকেট স্থাপনের ছবি প্রকাশ করলেন ইরানের প্রযুক্তিমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i77036-স্যাটেলাইটবাহী_রকেট_স্থাপনের_ছবি_প্রকাশ_করলেন_ইরানের_প্রযুক্তিমন্ত্রী
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের 'জাফার' স্যাটেলাইট মহাশূন্যে পাঠানোর জন্য 'সিমোর্গ' রকেট স্থাপন করা হয়েছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ২৯, ২০২০ ১২:৩১ Asia/Dhaka
  • স্যাটেলাইটবাহী রকেট স্থাপনের ছবি প্রকাশ করলেন ইরানের প্রযুক্তিমন্ত্রী

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের 'জাফার' স্যাটেলাইট মহাশূন্যে পাঠানোর জন্য 'সিমোর্গ' রকেট স্থাপন করা হয়েছে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ অযারি জাহরোমি বলেছেন, 'সিমোর্গ' রকেট জাফার স্যাটেলাইটকে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫৩০ কিলোমিটার ওপরে নিয়ে যাবে। মন্ত্রী তার টুইটার পেইজে সিমোর্গ রকেট স্থাপনের ছবি প্রকাশ করে এ খবর দিয়েছেন।

ইরানি বিজ্ঞানীদের দেড় বছরের প্রচেষ্টায় 'জাফার' স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের জন্য পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। ৯০ কেজি ওজনের এই কৃত্রিম উপগ্রহে রয়েছে চারটি কালার ক্যামেরা। এসব ক্যামেরা ভূপৃষ্ঠের ছবি ধারণ করে তা সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাবে।

গত বছর জানুয়ারিতে ইরানের তৈরি পায়াম স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ কারিগরী সমস্যার কারণে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যায়ে স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পৌঁছাতে পারেনি। নতুন জাফার স্যাটেলাইটটি আকার ও ওজনের দিক থেকে পায়াম স্যাটেলাইটের মতো হলেও এতে নতুন কিছু বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। জাফার স্যাটেলাইটের ইমেজ রেজ্যুলেশন হচ্ছে ৮০ মিটার।

ইরান ২০০৯ সালে প্রথম উমিদ বা আশা নামের কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠায়।  ইরানি বিজ্ঞানীরা নিজেরাই  এটি তৈরি করেন। এরপর ২০১০ সালে প্রাণীবাহী মহাকাশযান মহাকাশে পাঠায় তেহরান। এ মহাকাশযান পাঠানোর জন্য কাভেশগার বা অভিযাত্রী-৩ নামের রকেট ব্যবহার করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১৫ সালে ফজর বা উষা নামে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে ইরান। এটি উঁচুমানের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাচ্ছে।#

পার্সটুডে/এসএ/২৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।