‘ইস্ফাহানের খনসার শহরের বর্ণনা শুনে ভীষণ লোভ হচ্ছে স্বচক্ষে দেখার’
আমার আন্তরিক সালাম ও শুভেচ্ছা রইল আপনাদের সবার প্রতি। আমি আপনাদের নিয়মিত শ্রোতা ও পত্রদাতা। আশা করি ভালো আছেন সবাই।
১৩ জুন ‘ইরান ভ্রমণ’ অনুষ্ঠানে ইস্ফাহানের খনসার শহর ভ্রমণের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত তথ্য বহুল আলোচনাটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এটাকে বাগিচার শহরও বলা হয়। যা শুনে, ভীষণ লোভ হচ্ছে এ শহরকে স্বচক্ষে দেখার। আর সেখানে যদি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে বাজতো কবি নজরুল ইসলামের লেখা গান- বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুল শাখাতে দিসনে আজি দোল..... কি মজাই না হতো!
এখানকার অনেক ঝর্ণা, গাজাংগাবিং গাছ-এর কথা, যা থেকে নাকি মিষ্টি তৈরি করা হয়, বনো পেঁয়াজ, মধু চাষসহ আরো অনেক অজানা পরিচয়ে যেন মন ভরে গেল।
১৫ জুন প্রচারিত প্রিয়জন অনুষ্ঠানে রাসুল (সা.)-এর হাদিস উপস্থাপন পরবর্তী শ্রোতাদের মতামতের চিঠি, সাক্ষাৎকার, প্রাপ্তি স্বীকার-এর মাঝে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর শুনে খুব খুশি হয়েছি। আর জাফরান-এর ব্যবহার সম্পর্কে অজানা অনেক কথা জানতে পেরেছি। ধন্যবাদ সুন্দর করে অনুষ্ঠান সাজানোর জন্য।
একইদিন জীবন শৈলীতে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির চলমান ইন্টারনেট প্রযুক্তির অবাদ ব্যবহার শিশু কিশোরদের যে বিপথে ধাবিত করছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সাইবার অপরাধ করছে ইত্যাদি তথ্যগুলির বর্ণনা খুবই সময় উপযোগী আর মূল্যবান ছিল, যা একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মানে কার্যকরী ভুমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
আশা করছি আগামী আসরে আরো অনেক অনেক জানতে পারব। ভালো থাকবেন সবাই।
মো. সাইফুল ইসলাম থান্দার
সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
গ্রাম: পুরান তাহিরপুর. ডাকঘর: আলিয়াবাদ
উপজেলা: দুর্গাপুর, জেলা: রাজশাহী।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৪