ফিলিস্তিনিরা কেন লড়াই করে? এমন শক্তি-সাহসের মূল উৎস কোথায়?
-
সামরিক গাড়ির দখল নিয়ে ফিলিস্তিনির উল্লাস
মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান ও প্রথম কিবলা মসজিদুল আকসা দখল করে রেখেছে ইসরাইল। মসজিদুল আকসা হয়েই মেরাজে গিয়েছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (স.)। এছাড়া ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবতার ওপর যে জুলুম চালানো হচ্ছে তা ইতিহাসে বিরল।
এই অন্যায় ও জুলুম মেনে নেওয়া মানে গোটা মানব জাতির অপমান ও অবমাননাকে সহ্য করা। এরপরও ফিলিস্তিনিদের একটা অংশ ইউরোপ,আমেরিকা ও দখলদারদের নানা প্রতিশ্রুতি বিশ্বাস করে চুক্তির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে সহাবস্থানের চেষ্টা করেছে কিন্তু কোনো প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করা হয় নি। এখনও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হয়নি।
শরণার্থীদের স্বদেশে ফেরার অধিকার মেনে নেওয়া হয়নি। গত ৭৫ বছরে ফিলিস্তিনিরা জবরদখল,হত্যা-নির্যাতন ও নিপীড়ন ছাড়া আর কিছুই পায় নি।
জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা প্রত্যেক মানুষের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। পবিত্র ইসলাম ধর্মও মানুষকে জুলুম ও অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার শিক্ষা দিয়েছে। আর এই শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করেই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে নির্যাতিত ফিলিস্তিনিরা।
আজ তারা দখলবাজি, হত্যা-নির্যাতন ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক উজ্জ্বল উপমা। তারা নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও জালিমের বিরুদ্ধে বুক ফুলিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সাহস রাখে। বুক পেতে দিতে পারে ঘাতকের গুলির সামনে। দুই পা হারানোর পর অন্য অঙ্গগুলোও সমর্পণ করতে পারে অবলীলায়।
ঘাতকের বুলেট প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পরও মুখে লেগে থাকে অকৃত্রিম হাসি। এই হাসির উৎস হচ্ছে ঐশী প্রতিশ্রুতি। তারা জানে এই রক্ত বৃথা যাবে না। এই রক্তই নিশ্চিত করবে পরকালীন চিরস্থায়ী সুশীতল আবাস, এরই ধারাবাহিকতায় একদিন এ জগতেও বইবে শান্তির সুবাতাস।#
পার্সটুডে/এসএ/ ৭
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।