আরবাঈন উপলক্ষে ১৭২ দেশ থেকে ১৮ লাখের বেশি জিয়ারতকারী এখন ইরাকে
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i161750-আরবাঈন_উপলক্ষে_১৭২_দেশ_থেকে_১৮_লাখের_বেশি_জিয়ারতকারী_এখন_ইরাকে
পার্সটুডে: ইরাকের নিরাপত্তা তথ্য ইউনিটের প্রধান জানিয়েছেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের চেহলামবার্ষিকী বা আরবাঈন উপলক্ষে চলতি বছরের মহররমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৭২টি দেশ থেকে মোট ১৮ লাখ ১৩ হাজার ১৮৮ জন জিয়ারতকারী ইরাকে প্রবেশ করেছেন।
(last modified 2026-07-28T07:57:52+00:00 )
জুলাই ২৮, ২০২৬ ১৩:৫৪ Asia/Dhaka
  • কারবালায় আরবাঈন জিয়ারতকারীদের জনসমুদ্র
    কারবালায় আরবাঈন জিয়ারতকারীদের জনসমুদ্র

পার্সটুডে: ইরাকের নিরাপত্তা তথ্য ইউনিটের প্রধান জানিয়েছেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের চেহলামবার্ষিকী বা আরবাঈন উপলক্ষে চলতি বছরের মহররমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৭২টি দেশ থেকে মোট ১৮ লাখ ১৩ হাজার ১৮৮ জন জিয়ারতকারী ইরাকে প্রবেশ করেছেন।

ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা'র বরাতে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইরাকের নিরাপত্তা তথ্য ইউনিটের প্রধান সাদ মান বলেছেন, এই পরিসংখ্যান আরবাঈনের বৈশ্বিক গুরুত্ব এবং আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের ব্যাপকতা তুলে ধরে। একই সাথে, এটি সমন্বিত নিরাপত্তা ও সাংগঠনিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যকর ও সুষ্ঠুভাবে লাখ লাখ মানুষকে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চ সক্ষমতা প্রকাশ করে।"

সাদ মান আরও জানান, "ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের সরাসরি সমর্থন ও সহযোগিতায়, সুপ্রিম আরবাঈন কমিটির সরাসরি তদারকিতে এবং সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পারস্পরিক সমন্বয়ে এই বাহিনী এই অনুষ্ঠান সফল করতে অবদান রাখছে। আর এসব পদক্ষেপ জিয়ারতকারীদের দেশে আগমন থেকে শুরু করে পবিত্র স্থানগুলোতে পৌঁছানো পর্যন্ত তাদের জন্য একটি নিরাপদ ও পূর্ণাঙ্গ সেবামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছে।"

তিনি বলেন, আরবাঈনের মতো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ সফলভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে ইরাকের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন, যা এই ধর্মীয় উপলক্ষের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।#

পার্সটুডে/এমএ‌আর/২৮