ইমাম খোমেনী (র)'র মার্কিন-বিরোধী মন্তব্যে আজ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ইসরাইল
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i32189-ইমাম_খোমেনী_(র)'র_মার্কিন_বিরোধী_মন্তব্যে_আজ_ক্ষুব্ধ_প্রতিক্রিয়া_জানায়_ইসরাইল
আজ ইসলামী বিপ্লবের আলোকোজ্জ্বল দশ প্রভাতের দ্বিতীয় দিন। ১৯৭৯ সালের এ দিনে (ফার্সি ১৩৫৭ সালের ১৩ বাহমান)  সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক লাঠিয়াল দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল ইসলামী বিপ্লবের কিংবদন্তীতুল্য নেতা ইমাম খোমেনী’র মার্কিন বিরোধী বক্তব্যের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করে। ইমাম এর আগের দিন এক ঐতিহাসিক ভাষণে মার্কিন-বিরোধী ওইসব মন্তব্য করেছিলেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৭ ১৬:৩৭ Asia/Dhaka
  • ইমাম খোমেনী (র)'র মার্কিন-বিরোধী মন্তব্যে আজ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ইসরাইল

আজ ইসলামী বিপ্লবের আলোকোজ্জ্বল দশ প্রভাতের দ্বিতীয় দিন। ১৯৭৯ সালের এ দিনে (ফার্সি ১৩৫৭ সালের ১৩ বাহমান)  সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক লাঠিয়াল দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল ইসলামী বিপ্লবের কিংবদন্তীতুল্য নেতা ইমাম খোমেনী’র মার্কিন বিরোধী বক্তব্যের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করে। ইমাম এর আগের দিন এক ঐতিহাসিক ভাষণে মার্কিন-বিরোধী ওইসব মন্তব্য করেছিলেন।

ইমাম ১২ বাহমান ইরানে ফিরে আসার কারণেও ইসরাইল আজকের এই দিনে (১৩ বাহমান) অসন্তোষ প্রকাশ করে। বার্তা সংস্থা রয়টার ইসরাইলের এই অসন্তোষের খবর প্রচার করেছিল। একই দিনে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে যে ইমাম খোমেনীর মার্কিন বিরোধী বক্তব্য সত্ত্বেও  শাহ ও তার মনোনীত সরকারের প্রতি মার্কিন সাহায্য-সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

এই দিনে বিপুল সংখ্যক ইরানি নাগরিক ইমামকে এক নজর দেখার জন্য তেহরানে তার তৎকালীন বাসভবন সংলগ্ন আলাভী হাইস্কুলে জড় হন।

ইমাম খোমেনী (র) আগের দিন ১৫ বছরের নির্বাসন ভেঙ্গে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে তেহরানে ফিরেন এবং প্রায় ৬০ লাখ ইরানির গণ-সম্বর্ধনার মধ্য দিয়ে তেহরানের অদূরে বেহেশতি জাহরা কবরস্থানে যান। তিনি সেখানেই ওই ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। (এই গোরস্তানে রয়েছে সেইসব শহীদদের মাজার যারা স্বৈরশাসন-বিরোধী আন্দোলনে জড়িত থাকার দায়ে মার্কিন সরকারের ক্রীড়নক ও স্বৈরশাসক শাহের ঘাতক বাহিনীর হাতে শাহাদত বরণ করেছিলেন। )

ইমাম খোমেনী বিভিন্ন সময়ে ফিলিস্তিনি জাতির অধিকার ফিরিয়ে আনার এবং মুসলমানদের প্রথম কিবলা বায়তুল মোকাদ্দাসকে ইসরাইলের নাগপাশ থেকে মুক্ত করার কথা বলতেন।

ইমাম খোমেনী  সেদিন (১২ বাহমান) তার ভাষণে শাহকে ইরানের জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠণকারী আমেরিকা ও ইসরাইলের সেবক এবং তাদের ক্রীড়নক হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি ইহুদিবাদী ইসরাইলকে মার্কিন সরকারের তল্পিবাহক বলেও মন্তব্য করেন।

১২ বাহমানের ওই ভাষণে তিনি গণ-বিচ্ছিন্ন শাহী রাজতন্ত্রকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেন এবং পালিয়ে-যাওয়া শাহের নিযুক্ত বখতিয়ার সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে মুক্তিকামী জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।  বাখতিয়ার সরকারের প্রতি কেবল অমেরিকার সমর্থন রয়েছে বলে ইমাম মন্তব্য করেন।  শাহ পালিয়ে যাওয়ায় ইরানের ইসলামী বিপ্লবের বিজয় সূচিত হয়েছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে তিনি শিগগিরই সরকার গঠন করবেন বলেও ঘোষণা করেন।# 

পার্সটুডে/মু.আ.হুসাইন/১