ওমানের নিরপেক্ষ অবস্থান নস্যাৎ করতে চায় সৌদি ও আমিরাত
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i63987-ওমানের_নিরপেক্ষ_অবস্থান_নস্যাৎ_করতে_চায়_সৌদি_ও_আমিরাত
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান দ্বন্দ্বে ওমানের নিরপেক্ষ অবস্থান নস্যাৎ করতে চায় সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশ দুটি চাইছে ওমান আঞ্চলিক স্বার্থের দ্বন্দ্বে রিয়াদ ও আবুধাবির পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করুক।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৮ ১৩:০৮ Asia/Dhaka
  • সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান (ডানে) এবং আমিরাতের যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন যায়েদ
    সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান (ডানে) এবং আমিরাতের যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন যায়েদ

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান দ্বন্দ্বে ওমানের নিরপেক্ষ অবস্থান নস্যাৎ করতে চায় সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশ দুটি চাইছে ওমান আঞ্চলিক স্বার্থের দ্বন্দ্বে রিয়াদ ও আবুধাবির পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করুক।

আমেরিকার ভূ-রাজনৈতিক গবেষণা সংস্থা স্টার্টফোর তাদের এক বিশ্লেষণে এ তথ্য জানিয়েছে। আজ (রোববার) প্রতিষ্ঠানটি এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন চলাচ্ছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এছাড়া, কাতারের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অবরোধ দিয়েছে এ দুটি দেশ। কিন্তু এসব ঘটনায় ওমান নিজেকে সবসময় নিরপেক্ষ অবস্থানে রেখেছে, আঞ্চলিক দ্বন্দ্বে জড়িত হয় নি। রিয়াদ ও আবুধাবির শাসকগোষ্ঠী এখন ওমানকে নিজেদের পক্ষে আনতে চাইছে।

স্টার্টফোর বলছে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাপের কারণে এতদিনের অনুসৃত নীতি থেকে সরে যেতে পারে ওমান। সৌদি আরবের এমন আগ্রাসী নীতির পেছনে রয়েছেন যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরবের আমিরাতের উচ্চাভিলাষী ব্যক্তি হচ্ছেন যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন যায়েদ। আমেরিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ওমানের ওপর চাপ সৃষ্টির সাহস পাচ্ছে বলেও স্টার্টফোর তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।#  

পার্সটুডে/এসআইবি/২