এরদোগানের নীতির সঙ্গে মতবিরোধ; দল থেকে পদত্যাগ করলেন এক এমপি
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i74886-এরদোগানের_নীতির_সঙ্গে_মতবিরোধ_দল_থেকে_পদত্যাগ_করলেন_এক_এমপি
তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি বা একেপি’র একজন সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। দলের প্রধান প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে তিনি পদত্যাগ করলেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ৩১, ২০১৯ ০৫:১১ Asia/Dhaka
  • মুস্তাফা ইয়েনেরোগ্লু
    মুস্তাফা ইয়েনেরোগ্লু

তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি বা একেপি’র একজন সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। দলের প্রধান প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে তিনি পদত্যাগ করলেন।

মুস্তাফা ইয়েনেরোগ্লু নামের এ সংসদ সদস্য এরদোগান এবং একে পার্টির নীতির সমালোচনা করে আসছিলেন। গতকাল (বুধবার) তিনি বলেন, “আমি আমার মতামত তুলে ধরেছি জনসমক্ষে এবং দলের ভেতরে ও বাইরে। সব জায়গায় বলেছি, দলের বর্তমান নীতি বিশেষ করে মানবাধিকার লংঘন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করার ব্যাপারে আমি অস্বস্তি বোধ করি।”

একে পার্টি থেকে এই প্রথম কোনো সংসদ সদস্য পদত্যাগ করলেন। অবশ্য, দুইজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যেমন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ দাউদওগ্লু এবং সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী আলী বাবাকান সম্প্রতি দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।

রজব তাইয়্যেব এরদোগান

ধারণা করা হচ্ছে- এসব ব্যক্তি ভিন্ন কোনো দল গঠন করতে পারেন। গত নির্বাচনে একে পার্টি এবং ন্যাশনাল মুভমেন্ট পার্টি ৬০০ আসনের সংসদে ন্যূনতম সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গঠন করেছে। ইয়েনেরোগ্লু পদত্যাগের পর জাতীয় সংসদে একে পার্টির এখন ২৯০টি আসন আছে। অন্যদিকে ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টির রয়েছে ৪৯টি আসন।

২০১৬ সালে তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের বিরুদ্ধে চরম সমালোচনা করে আসছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/৩১