আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশিসহ ১১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i77656-আরব_আমিরাতে_এক_বাংলাদেশিসহ_১১_জন_করোনাভাইরাসে_আক্রান্ত
সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশিসহ আরও দুইজনের শরীরে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সব মিলিয়ে দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ জনে। তাদের মধ্যে তিনজন পুরোপুরি সুস্থ হয়েছেন।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০ ০৮:২০ Asia/Dhaka
  • আমিরাতে চিকিৎসাধীন এক করোনা রোগী
    আমিরাতে চিকিৎসাধীন এক করোনা রোগী

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশিসহ আরও দুইজনের শরীরে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সব মিলিয়ে দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ জনে। তাদের মধ্যে তিনজন পুরোপুরি সুস্থ হয়েছেন।

আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, নতুন দুই রোগীর মধ্যে একজন ৩৪ বছর বয়সী একজন ফিলিপিনো এবং অন্যজন ৩৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি। সম্প্রতি করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে এমন এক চীনা রোগীর সরাসরি সংস্পর্শে এসেছিলেন তারা। দুজনের অবস্থাই বর্তমানে ‘স্থিতিশীল’ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইন্টারন্যাশনাল স্বাস্থ্য রেগুলেশনস বিভাগের প্রধান ডা. ফাতিমা আল-আত্তারকে উদ্ধৃত করে আল-আরাবিয়া লিখেছে, যাদের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাস ধরা পড়ছে, তাদের সবাইকেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মাফিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার আগ পর্যন্ত তাদের সবাইকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

দুবাই বিমানবন্দর

গত বছরের শেষ দিন চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে নতুন এই করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম খবর আসে। এরপর গত দেড় মাসে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে ত্রিশটির বেশি দেশে।  

সার্স ও মার্স পরিবারের সদস্য নতুন এ করোনাভাইরাসের নাম দেওয়া হয়েছে নভেল করোনাভাইরাস। আর এর সংক্রমণে ফ্লুর মত উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হচ্ছে, তাকে বলা হচ্ছে কভিড-১৯।

শুক্রবার পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ, মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ২৩৬০ জনে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়াও সিঙ্গাপুরে পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা ‘সঙ্কটাপন্ন’ বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তবে চীনে থাকা বাংলাদেশি বা বাংলাদেশে কারও মধ্যে এ পর্যন্ত নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়নি।

হাঁচি, কাশির মাধ্যমে ছড়ায় এই করোনাভাইরাস। ভাইরাসের কারণে রোগীর নাক, সাইনাস বা গলার উপরিভাগে সংক্রমণ ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, বাজারে বিক্রির জন্য রাখা সাপ, বাদুর বা অন্যান্য কোনো প্রাণীর মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। যদিও কোন প্রাণী এই ভাইরাসের জন্য দায়ী তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।