চীনের ইবোলার টিকা: চিকিৎসা ক্ষেত্রের উল্লেখযোগ্য সাফল্য
চীন নিজের তৈরি ইবোলার টিকাকে চিকিৎসা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এ টিকা এরইমধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় উতরে গেছে এবং চীনের বাইরে এ টিকার ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
পরীক্ষায় এ টিকা মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ এবং প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনা সম্প্রচার সংস্থা সিসিটিভি। চীনের একাডেমি অব মিলিটারি মেডিক্যাল সায়েন্সের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে সিসিটিভি।
একবার মাত্র একটি টিকা দিলেই শরীর ইবোলা প্রতিরোধের উপযুক্ত হয়ে ওঠে। টিকা দেয়ার ২৮ দিনের মধ্যে শরীর এ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে বলে জানানো হয়েছে।
২০১৪ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় যে ইবোলার মহামারী দেখা দিয়েছিল তার জেনেটিক গঠনের ভিত্তিতে এ টিকা তৈরি করা হয়েছে।
ইবোলায় আক্রান্ত হলে উচ্চ মাত্রায় জ্বর হওয়ার পাশাপাশি রোগীর ডায়রিয়া, বমি ও রক্তক্ষরণ হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, ঘাম বা শরীরের অন্য তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে অন্যের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। যৌন সংস্পর্শ কিংবা দূষিত মৃতদেহ থেকেও এ ভাইরাস ছড়াতে পারে। বিশেষ এক প্রজাতির বাদুড়ের শরীরে এ ভাইরাস সুপ্ত অবস্থায় থাকে। ইবোলায় আক্রান্ত শতকরা ২৫ থেকে ৯০ ভাগ রোগীই মারা যায়।#
পার্সটুডে/মূসা রেজা/৩১