আমেরিকা উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি বাতিল করলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে রাশিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/world-i75072-আমেরিকা_উন্মুক্ত_আকাশ_চুক্তি_বাতিল_করলে_পাল্টা_ব্যবস্থা_নেবে_রাশিয়া
রাশিয়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, আমেরিকা যদি উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়া। ১৭ বছর আগে আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে ওই চুক্তি হয় যার আওতায় দুই দেশ একে অপরের আকাশে নজরদারি বিমান পরিচালনা করতে পারে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ০৭, ২০১৯ ১৬:৫৩ Asia/Dhaka
  • রাশিয়ার বিমান বাহিনীর টিইউ-১৫৪ তোপোলভ বিমান
    রাশিয়ার বিমান বাহিনীর টিইউ-১৫৪ তোপোলভ বিমান

রাশিয়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, আমেরিকা যদি উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়া। ১৭ বছর আগে আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে ওই চুক্তি হয় যার আওতায় দুই দেশ একে অপরের আকাশে নজরদারি বিমান পরিচালনা করতে পারে।

গতকাল (বুধবার) রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালিত বার্তা সংস্থা ‘রিয়া’ বলেছে, উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে আমেরিকার সম্ভাব্য প্রত্যাহারের কারণে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। তবে এমনটি ঘটলে মস্কো তার জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং নিরস্ত্রীকরণ বিভাগের প্রধান ভ্লাদিমির এরমাকভ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “অবশ্যই আমরা সবকিছু প্রস্তুত রেখেছি এবং সময়মতো তা  দৃশ্যমান হবে।”

২০০২ সালের পহেলা জানুয়ারি আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি হয় এবং এতে আরো ৩০টি দেশ সই করে। চুক্তিতে সই করা দেশগুলোর আকাশে নজরদারি বিমান ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের সামরিক শক্তি এবং তাদের তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করার ব্যাপারে পারস্পরিক সমঝোতা এবং আস্থা বাড়ানো ছিল এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।

যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির ব্যাপারে ওয়াশিংটন এবং মস্কো পরস্পরের কর্মকাণ্ডের প্রতি গভীর নজরদারি অব্যাহত রাখে। কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলের কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভবত উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে আমেরিকাকে বের করে নিতে পারেন।  কিছুদিন আগে আমেরিকা ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস বা আইএনএফ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এরপর রাশিয়া ওই চুক্তি বাতিল করে। এ নিয়ে দু'দেশের মধ্যে জোরালো উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/৭