‘থাড’ মোতায়েন নিয়ে সিউলের সঙ্গে আলোচনা চলছে: ওয়াশিংটন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন বলেছে, সিউলের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা ‘থাড’ মোতায়েন করার বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিরুদ্ধে চীন এবং রাশিয়ার সমালোচনাকে উপেক্ষা করে এ আলোচনা অব্যাহত রাখা হবে বলে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে।
জানুয়ারির ৬ তারিখে পিয়ংইয়ং কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৬ জানুয়ারি চতুর্থ দফা পরমাণু পরীক্ষা চালানোর পর ‘থার্মাল হাই অলটিচ্যুড ডিফেন্স সিস্টেম’ বা ‘থাড’ মোতায়েন নিয়ে আলোচনা শুরু করে ওয়াশিংটন ও সিউল। ওয়ারহেড বা বোমাবাহী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার শেষ পাঁচ মিনিট থার্মাল ধ্বংস করা যায়।
হোয়াইট হাউজ বলেছে, ‘থাড’ মোতায়েন নিয়ে এখনো দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে। এ ছাড়া, ‘থাড’ মোতায়েন করা হলে তা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে হবে না বলেও দাবি করেছে হোয়াইট হাউজ। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র দাবি করেছেন, তার ভাষায়, হুমকি যে দিক থেকে আসবে সে দিকে অর্থাৎ উত্তর কোরিয়ার দিকে তাক করে ‘থাড’ বসানো হবে। চীন বা রাশিয়ার দিকে তাক করে এটি বসানো হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
অবশ্য আলোচনা কবে শেষ হবে সে বিষয়ে কিছু বলেন নি তিনি। বরং দক্ষিণ কোরিয়াকে নিরাপদ রাখার জন্য অর্থ বিনিয়োগে আমেরিকা রাজী আছে বলেও জানান তিনি।
থাড ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিরুদ্ধে গত মাসে আমেরিকার প্রতি যৌথ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে চীন এবং রাশিয়া। থাড ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হলে তাতে কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়বে বলে আমেরিকার প্রতি দেয়া হুঁশিয়ারিতে বলা হয়েছে।#
মূসা রেজা/৩০