জানুয়ারি ২৪, ২০২২ ১৩:১৭ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২৪ জানুয়ারি সোমবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম :

  • ৮৫ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ-প্রথম আলো
  • শাবি ভিসির পদত্যাগ দাবিতে ঢাবিতে শিক্ষকদের প্রতীকী অনশন- মানবজমিন ভিসির বাড়ির বিদ্যুৎ-পানি বন্ধ- কালের কণ্ঠ
  • দৃশ্যমান স্থানে গণপরিবহনের ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনের নির্দেশ-ইত্তেফাক
  • সরকারকে বিব্রত করতেই ইসি আইনের বিরোধিতা: হানিফ- যুগান্তর

ভারতের শিরোনাম:

  • মেয়েদের আগেই বিক্রি করেছি, এ বার বেচেছি কিডনিও! অন্ন জোটাতে মরিয়া আফগান মা-আনন্দবাজার পত্রিকা
  • করোনা আবহে শেয়ার বাজারে ফের বড় ধস, প্রায় দু’হাজার পয়েন্ট পড়ল সূচক-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • সময় বড্ড কম, ট্যাবলো বিতর্কে হস্তক্ষেপ করবে না কলকাতা হাইকোর্ট–আজকাল

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

সাগর-রুনি 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনি হত্যার প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ আবারো পেছালো। এবার নিয়ে ৮৫ বারের মতো পেছাল। প্রথম আলোসহ প্রায় সব দৈনিকে প্রকাশিত এ খবরে লেখা হয়েছে, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য থাকলেও র‍্যাবের পক্ষ থেকে আজও আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি। আদালত আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ ধার্য করেছেন।২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি নৃশংসভাবে খুন হন। ফ্ল্যাটে তাঁদের ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া যায়।

লেখক-গবেষক  মহিউদ্দিন আহমদ তার মতামত কলামের শিরোনাম করেছেন-যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা–সমাচার। এতে লেখা হয়েছে, র‌্যাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন বা আছেন, এ রকম সাতজন কর্মকর্তা মার্কিন সরকারের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে যাঁদের পাসপোর্টে মার্কিন ভিসা ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে এবং যাঁরা ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাঁরা মার্কিন ভিসা পাবেন না। সাতজনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাজানি হলেও সংখ্যাটি অনেক বড় বলে কানাঘুষা আছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে র‍্যাবও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়েছে। আবার র‌্যাবের সঙ্গে কখনো সম্পর্ক ছিল না সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজের। তাঁরও মার্কিন ভিসা বাতিল হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে যে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে, তাতে বোঝা যায়, সরকার যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ।

যুক্তরাষ্ট্র এই ‘অবরোধ’ বা ‘কালোতালিকা’র কারণ হিসেবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলেছে, যা বাংলাদেশ সরকার বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে। সরকারের দাবি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ, তা নাগরিক সংগঠন ও এনজিওগুলোর অপপ্রচার। তারা উল্টাপাল্টা তথ্য দিয়ে মার্কিন সরকারকে ভুল বুঝিয়েছে।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের উদাহরণ হিসেবে এসেছে ‘গুম’-এর বিষয়টি এবং ক্রসফায়ারে মানুষ হত্যা। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে বলা হচ্ছে, কেউ গুম হননি। তাঁরা নিজেরা নিজেদের লুকিয়ে রেখেছেন। আর ‘ক্রসফায়ার’ বলে কিছু নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আত্মরক্ষার জন্য গুলি করেন। সব জায়গায় দেখা যায়, ‘অপরাধী’ পালিয়ে যেতে বা তার সহযোগীরা তাকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এর ফলে উভয় পক্ষে গোলাগুলি হয়। এতে কেউ কেউ মারা যায়। যারা মারা যায়, তাদের ব্যাপারে সরকারি বয়ান হলো, তারা অমুক–তমুক চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও খুনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। কথাটার অর্থ দাঁড়ায়, আসামি মারা পড়লে কী সমস্যা? আরেকটি বয়ান হলো, সব দেশেই তো এ রকম হয়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও অনেক ‘অপরাধী’কে ধরতে গিয়ে পুলিশ গুলি করে মারে। সেখানেও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়। সুতরাং তারা বড় গলায় আমাদের সবক দেয় কেন?

মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য বিদেশিরা আসমান থেকে পায় না। এ দেশের সংবাদমাধ্যমে এগুলো ছাপা হয়, সম্প্রচারিত হয়। তা ছাড়া ঢাকার বিদেশি দূতাবাসগুলোয় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আছেন। তাঁরা স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানান সংবাদ সংগ্রহ করেন। এসব তথ্য তাঁদের দেশে পাঠাতে হয়। এটা তাঁদের নিয়ম। এটা তো বাংলাদেশ নয়। বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো এ কাজ করে বলে আমার জানা নেই। তারা প্রায় সময় ব্যতিব্যস্ত থাকে ক্ষমতাবানদের প্রটোকল দিতে।

বিদেশে পড়াশোনার নামে সন্তানদের পাচারে আমলা, রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী সবাই এককাট্টা। এখানে ডান-বাম কোনো পার্থক্য নেই। এদের মধ্যে কয়জন মেধার জোরে বৃত্তি পেয়ে পড়তে যায় আর কজন ‘বাপের টাকায়’ যায়, এবং সেই টাকা হালাল কি না, তার একটা অনুসন্ধান করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ত।

এখানে আরেকটি প্রশ্ন জড়িত আছে। মার্কিন ভিসা এমন, অনেকটা আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো। প্রশ্ন উঠতে পারে, আপনি যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান কেন? এখানে কিছু রহস্য থাকতে পারে। আমরা মাঝেমধ্যে অর্থ পাচারের রোমহর্ষ তথ্য সংবাদমাধ্যমে পাই। একদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের হুংকার, অন্যদিকে বছর বছর বিদেশে টাকা পাচারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। তো ওই টাকায় কী হয়? বিদেশের ব্যাংকে টাকা গচ্ছিত রাখার একটা অর্থ আছে। অনেকেই মনে করেন, দেশের ব্যাংকে টাকা রাখা নিরাপদ নয়। যদি লালবাতি জ্বলে, তাহলে সর্বস্ব খোয়ানোর আশঙ্কা।

দ্বিতীয়ত, বিদেশে অনেকের বাড়িঘর আছে। তাঁদের অনেকের স্পাউস ও সন্তানেরা সেখানে থাকে। গাড়ি হাঁকায়। কেউবা পড়াশোনা করে। বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে সবার প্রথম পছন্দ হলো যুক্তরাষ্ট্র। একবার সেখানে যেতে পারলে ভাগ্য খুলে যাবে। যাঁরা দেশের ‘বিশিষ্টজন’, তাঁরা মনে করেন, দেশ গোল্লায় গেছে। সুযোগ ও সময়মতো দেশ ছেড়ে বিদেশে গিয়ে থিতু হতে হবে। তার আগাম আঞ্জাম করে রাখছেন তাঁরা। সেখানে তাঁদের ‘সেকেন্ড হোম’; একসময় দেখা যাবে, বাংলাদেশ হবে তাঁদের সেকেন্ড হোম।

বিদেশে পড়াশোনার নামে সন্তানদের পাচারে আমলা, রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী সবাই এককাট্টা। এখানে ডান-বাম কোনো পার্থক্য নেই। এদের মধ্যে কয়জন মেধার জোরে বৃত্তি পেয়ে পড়তে যায় আর কজন ‘বাপের টাকায়’ যায়, এবং সেই টাকা হালাল কি না, তার একটা অনুসন্ধান করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ত।

ফিরে আসি মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গে। একটি রাজনৈতিক দল যখন ক্ষমতায় থাকে, তখন সে এটাকে ন্যায্য মনে করে। বিরোধীরা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। যখন গণেশ উল্টে যায়, বিরোধীরা সরকার গঠন করে আর সরকারে থাকা দলটি বিরোধী দলে যায়, তখন তারা উল্টো গীত গায়। ৫০ বছর ধরে একই নাটক চলছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনে সরকারি বাহিনীগুলো একচ্ছত্র লাইসেন্স পেয়ে যায়, যখন তাদের ইমিউনিটি বা ইনডেমনিটি দেওয়া হয়। এটা শুরু হয় জাতীয় রক্ষীবাহিনীকে ইমিউনিটি দেওয়ার মধ্য দিয়ে। অনেক বছর আগে পত্রিকায় একটা সংবাদ শিরোনাম প্রায় চোখে পড়ত, ‘সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলিতেছে।’ তো ইমিউনিটি দেওয়াও বন্ধ থাকেনি।

যাঁদের ভিসা বাতিল হয়েছে বা ভবিষ্যতে হতে পারে বলে যাঁরা আশঙ্কা করছেন, তাঁদের ব্যাপারে আমার একটাই বক্তব্য—যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য এত অস্থির হওয়ার তো কিছু নেই! বাংলাদেশ তো সোনার দেশ হবে। এখানেই থাকুন, দেশের সেবা করুন।

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আচরণ নতুন কিছু নয়। তারা মিয়ানমারের কয়েকজন জেনারেলকে যুক্তরাষ্ট্রে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। মিয়ানমারের ব্যাপারে এই আচরণ সেখানকার জান্তার ভালো না-ও লাগতে পারে। কিন্তু রাখাইন প্রদেশে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাঁদের ওপর কড়া অবরোধ আরোপ করলে তো আমাদের খুশি হওয়ার কথা। তাই না?

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট প্রতিবছর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ থাকে। এটি আমাদের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় বলে আমরা জানতে পারি। কিন্তু সরকারের মন্ত্রীদের একটা জবাবই মুখস্থ আছে, ‘আমরা এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করছি’। ‘ডিনায়াল কালচার’ বা অস্বীকার করার এই সংস্কৃতির মধ্যে জনসমাজের উদ্বেগকে উপেক্ষা করা হয়। জবাবদিহির বদলে সাফাই গাওয়ার প্রবণতা দেশের মানুষ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ভালোভাবে নেয় না।

সম্প্রতি ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে আবেদন করেছে যে বিদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে র‌্যাব-পুলিশের কাউকে যেন না নেওয়া হয়। এ ধরনের অভিযোগ পেলে জাতিসংঘ কিন্তু নড়েচড়ে বসে। আমাদের তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, এসব সংগঠনের মধ্যে দুটি ছাড়া বাকিগুলোর মা-বাপ নেই। যাহোক, মানসম্মত একটি সংগঠনও যদি অভিযোগ তোলে, তা জাতিসংঘের বিবেচনায় আসবে। প্রশ্ন হলো, এসবের প্রতিক্রিয়া শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সদস্য জোগানদাতা দেশ হলো বাংলাদেশ। এক-এগারোর পটভূমিতে এক সাক্ষাৎকারে জেনারেল মইন উ আহমেদ আমাকে বলেছিলেন, একজন সৈনিক একটি মিশনে গিয়ে যদি দুই বছর থাকতে পারে, তাহলে সে যে পরিমাণ টাকা আয় ও সঞ্চয় করতে পারে, তা তার সারা জীবনের কামাইয়ের চেয়ে বেশি। দেশে ফিরে এসে এই টাকা দিয়ে সে বাড়ি বানায়, জমি কেনে, পরিবারের সদস্যদের জন্য আয়-রোজগারের ব্যবস্থা করে। নিষেধাজ্ঞার কারণে সেই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হলে অনেকেই ক্ষতির মুখোমুখি হবেন। এ রকম কিছু যেন না ঘটে, সেটাই সবার প্রত্যাশা। সে জন্য যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো ‘প্রত্যাখ্যান’ না করে খতিয়ে দেখা দরকার।

যাঁদের ভিসা বাতিল হয়েছে বা ভবিষ্যতে হতে পারে বলে যাঁরা আশঙ্কা করছেন, তাঁদের ব্যাপারে আমার একটাই বক্তব্য—যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য এত অস্থির হওয়ার তো কিছু নেই! বাংলাদেশ তো সোনার দেশ হবে। এখানেই থাকুন, দেশের সেবা করুন।

সংবাদ বিশ্লেষণ-লন্ডন থেকে সাংবাদিক কামাল আহমেদ লিখেছেন,লবিংয়ের সব তথ্যই প্রকাশ করা হোক। বিএনপি বেআইনিভাবে দেশ থেকে টাকা বিদেশে পাঠিয়ে থাকলে তা অবশ্যই তদন্ত হওয়া উচিত। সরকার যে প্রতিবছর লবিস্টের পেছনে পৌনে ৩ কোটি টাকা করে খরচ করছে, তার যৌক্তিকতা কী।

শাবি ভিসির পদত্যাগ দাবিতে ঢাবিতে শিক্ষকদের প্রতীকী অনশন-মানবজমিন

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ

আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে তারা এই প্রতীকী অনশন শুরু করেন।প্রতীকী অনশনে অংশ নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. রুশাদ ফরিদী, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানসহ আরও অনেকে।এর আগে, শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা জানান, কয়েক দিন ধরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত হামলার প্রতিবাদ, শিক্ষার্থীদের প্রাণ রক্ষার দাবি ও তাদের ন্যায্য দাবিগুলোর সমর্থনে এই প্রতীকী অনশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

ভিসির বাড়ির বিদ্যুৎ-পানি বন্ধ-কালের কণ্ঠ

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি নিয়ে দৈনিকটি লিখেছি, মানবশিকলে অবরুদ্ধ উপাচার্য ভবন। সেখানে বিদ্যুৎ পানি বন্ধ। ভিসির অপসারণ চেয়ে ৩৫ সংগঠন বিবৃতি দিয়েছে। আমরণ অনশনে আরো পাঁচ শিক্ষার্থী যোগ দিয়েছে। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী বরাবর সাবেক ১০১ ছাত্রলীগ নেতা তিন দফা দিয়েছে।

সরকারকে বিব্রত করতেই ইসি আইনের বিরোধিতা: হানিফ-যুগান্তর

বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, সরকারকে বিব্রত করতেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন আইনের বিরোধিতা করছে বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। দলীয় ও অনুগত লোক নিয়োগ দিতেই সরকার তড়িঘড়ি করে নির্বাচন কমিশন গঠন আইন করছে, বিএনপির এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি একেক সময় একেক কথা বলে৷ দেশের মধ্যে অস্থিতশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করাই তাদের উদ্দেশ্য ৷ মাহবুবউল আলম হানিফ আরও বলেন, বিএনপি এ দেশে সুষ্ঠু রাজনীতি কখনই চায় না ৷ তারা নিজেরাও জানে না তারা কখন কী চায় ৷

এবার ভারতের কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

মেয়েদের আগেই বিক্রি করেছি, এ বার বেচেছি কিডনিও! অন্ন জোটাতে মরিয়া আফগান মা-আনন্দবাজার পত্রিকার এ প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, কোনও মতে মাথা গোঁজার ঠাঁই রয়েছে। তবে তাতে দশ জনের সংসারে অন্ন জোগানোর সংস্থান নেই। কাজকারবার হারানো ভিটেহারা আফগান মা বাধ্য হয়েই বেচে দিয়েছেন নিজের দুই মেয়েকে। তাতেও সমস্যা কমেনি। বেচেছেন নিজের কিডনিও। অস্ত্রোপচারের ক্ষতও শুকিয়ে ওঠেনি। জোগাড় করতে হচ্ছে অসুস্থ দুই ছেলের হাসপাতালের খরচ। স্বামীর জন্য ওষুধ। শীতের দাপটের মাঝেই খরা এবং করোনার প্রকোপে কাজ হারানো পরিবারে আশার আলোও নিভু নিভু। ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দৈনিকটি লিখেছে,প্রায় চার বছর আগে আফগানিস্তানের বদগিস প্রদেশের ভিটেমাটি ছেড়েছিলেন দেলরম রহমতি।তারপর এক বস্তিতে ঠাঁই হয় হেরাটের বস্তিতে। এরপর থেকে শুরু হয় রহমতিদের দুরাবস্থা। তালিবানশাসিত আফগানিস্তানে এ রকম হাজারো রহমতির দেখা মিলবে বলে জানাচ্ছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। রাষ্ট্রপুঞ্জের মতে, “সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে সঙ্কটময় পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভগ্নদশার সঙ্গে রয়েছে মানবিক সঙ্কটও।”

‘কেন এতদিন নেতাজির মূর্তি তৈরি হল না’? জন্মবার্ষিকীতে মোদি সরকারকে খোঁচা মমতার-আজকাল

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়

রাজ্যের প্রস্তাবিত‌ নেতাজির ট্যাবলো বাতিল করে কেন্দ্র। সেই নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের টানাপোড়েন চলছেই। মোদি সরকারের দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছেন মমতা। বলেছেন, বাংলার মানুষ এমনকী নেতাজিকে অপমান করেছে মোদি সরকার। এদিন নেতাজির জন্মজয়ন্তীতেও ফের নাম না করে মোদি সরকারের দিকে আঙুল তুললেন মমতা। বললেন, কেন এত দিন নেতাজির মূর্তি তৈরি হল না দিল্লিতে।

সময় বড্ড কম, ট্যাবলো বিতর্কে হস্তক্ষেপ করবে না কলকাতা হাইকোর্ট-আজকাল

প্রজাতন্ত্র দিবসে বাংলার নেতাজি ট্যাবলো প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্ট কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। সোমবার জনস্বার্থ মামলার শুনানির পর জানাল প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বুধবারই সাধারণতন্ত্র দিবস। বর্তমান আবেদনে একাধিক ত্রুটি থাকলেও এই মামলায় নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে হাতে সময় কম। তাই ডিভিশন বেঞ্চ কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

করোনা আবহে শেয়ার বাজারে ফের বড় ধস, প্রায় দু’হাজার পয়েন্ট পড়ল সূচক-সংবাদ প্রতিদিন

সপ্তাহের শুরুতেই ধাক্কা খেল শেয়ার বাজার। প্রায় ২ হাজার পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্সের সূচক। পড়েছে নিফটিও। গত সপ্তাহের শেষ চারদিন শেয়ার বাজারের পতন অব্যাহত ছিল। সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড়সড় ধসের সাক্ষি থাকল বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ। তবে শুধু ভারত নয়, গোটা এশিয়ার বাজারেই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এদিন সকালে শেয়ার বাজার খুলতেই দ্রুত নামতে থাকে সূচক। দুপুর ১২টা নাগাদ সেনসেক্স নেমে যায় ১০৫৬ পয়েন্ট। সেইসময় সেনসেক্সের সূচক ঘোরাফেরা করছে ৫৭ হাজারের সামান্য উপরে। বড়সড় পতন ঘটেছে নিফটির সূচকেও। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্চের নিফটি প্রায় ৩১৭ পয়েন্ট নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩০১ পয়েন্টের আশেপাশে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা নিফটি আরও নিচে নেমে যেতে পারে। পড়েছে সেনসেক্সও। গত বছরের শেষেরদিকে প্রথমবার করোনার নতুন স্ট্রেন ওমিক্রনের হদিশ মেলার পর সেনসেক্স এবং নিফটিতে বিরাট পতন দেখেছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ।#

 পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/‌২৪