বিএনপি আর উঠে দাঁড়াতে পারবে না: এরশাদ
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৪ অক্টোবর মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশ:
- স্মার্টকার্ড বিতরণের শুরুতেই ভোগান্তি: ইসির অব্যবস্থাপনা
- দুদকে ক্রয়, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে দুর্নীতি
- সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি নির্ধারণ করবে সরকার
- মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না: মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী
- সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনকারীদের আমি সাধুবাদ জানাই: হাছান মাহমুদ
- শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ: তোফায়েল
- নির্বাচন করতে পদ ছাড়তে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকদের
- জঙ্গিদের জীবিত রেখে তথ্য সংগ্রহ করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র
- বিএনপি আর উঠে দাঁড়াতে পারবে না: এরশাদ
- আমের ঝুড়িতে আসে জঙ্গিদের একে-২২
ভারত:
- গোলার মাঝেই রফার সুর: উত্তেজনা কমাতে কথা হয়েছে দু’পক্ষের, দাবি করলেন আজিজ
- পাকিস্তানকে বারামুলার জবাব দিতে তৈরি ভারত
- ভারতকে জবাব দিতে বিরোধীদের শরণাপন্ন শরিফ
- সার্জিক্যাল অপারেশনের ভিডিও প্রকাশের দাবি কেজরির
- ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের রিপোর্টে ১৬ ধাপ এগল ভারত, লেজেগোবরে পাকিস্তান
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
স্মার্টকার্ড বিতরণের শুরুতেই ভোগান্তি: ইসির অব্যবস্থাপনা- দৈনিক সমকালের শীর্ষ শিরোনাম

অব্যবস্থাপনা ও ভোগান্তির মধ্য দিয়েই শুরু হলো বহু প্রতীক্ষিত স্মার্টকার্ড বিতরণ। দশ আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি এবং বিদ্যমান লেমিনেটেড কার্ড জমা রেখে স্মার্টকার্ড দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গতকাল সোমবার বিতরণের প্রথম দিনেই দেখা দেয় সফটওয়্যার জটিলতা। ফলে অনেকেই স্মার্টকার্ড না পেয়ে খালি হাতে ফিরে গেছেন। এ ছাড়া ব্যাপক প্রচার না হওয়ায় অনেকেই বিতরণ কেন্দ্রে যাননি। নির্ধারিত এলাকার বাইরে থেকেও অনেককে ভিড় জমাতে দেখা গেছে বিতরণ কেন্দ্রে। বিতরণে অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি স্মার্টকার্ডে ছাপা তথ্যেও ভুলের অভিযোগ করেছেন ভোটাররা।
গতকাল সোমবার থেকে ঢাকার উত্তরার ১ ও ২ নম্বর সেক্টরে এবং রমনা থানার তিনটি ওয়ার্ডে কার্ড বিতরণের ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই দিন ঢাকার বাইরে কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ছিটমহলে কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। এর আগে রোববার রাজধানীতে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি নির্ধারণ করবে সরকার- দৈনিক মানবজমিন

স্বাধীনতার পর অবশেষে প্রথম বারের মতো চূড়ান্ত হচ্ছে শিক্ষা আইন। গত পাঁচ বছর ধরে নানা প্রক্রিয়া শেষে গত বুধবার শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইনে নোট গাইড নিষিদ্ধ করা হলেও কোচিং সেন্টার বহাল থাকার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি সব স্তরের শিক্ষার টিউশন ফি নির্ধারণ করে দেবে সরকার এবং তা মনিটরিং করতে আলাদা রেগুলেটরি কমিশন গঠন করা কথা বলা হয়েছে খসড়ায়। থাকছে তিন স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা।
সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারে নিয়ন্ত্রণে আসবে। আইন লঙ্ঘন করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে আইনে। আইনে কোচিং সেন্টার নিষিদ্ধ না করে বরং শিক্ষার মানোন্নয়নের সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তবে কোচিং সেন্টারসমূহের শিক্ষা (সহায়ক) কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং করার জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে খসড়া আইনে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পেলে কোচিং সেন্টার সরকার বন্ধ করতে পারবে।
সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনকারীদের আমি সাধুবাদ জানাই: হাছান মাহমুদ-দৈনিক ইত্তেফাক

আন্দোলনকারীদের কারণে সরকার অধিক গুরুত্ব দিয়ে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং পরিবেশ ও বন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ।
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। ন্যাশনাল এনার্জি প্লান এন্ড পলিসিস শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করে খ্রিস্টান এইড। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যারা সুন্দরবন রক্ষার জন্য আন্দোলন করছেন তাদের আমি সাধুবাদ জানাই। কারণ তাদের কারণেই সরকার এই প্রকল্পে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। যাতে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হলে সুন্দরবনের কোনো প্রকার ক্ষতি না হয়।’
জঙ্গিদের জীবিত রেখে তথ্য সংগ্রহ করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র- দৈনিক যুগান্তর
জঙ্গিদের হত্যা না করে জীবিত রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য সংগ্রহ করতে বলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি দুদেশ এক সঙ্গে কাজ করে কীভাবে জঙ্গি দমন করা যায়, সে বিষয়ে জানার আগ্রহ দেখিয়েছে।
এছাড়া আগামী বছরগুলোতে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সহযোগিতা গড়ে তোলার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছে দুদেশ। জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের কঠোর অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসাও করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সদ্যসমাপ্ত নিরাপত্তা সংলাপে অংশ নেয়া প্রতিনিধিদলের সদস্যদের কাছ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় আনুষ্ঠানিক সংলাপের পর রোববার সন্ধ্যায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের বাসভবনে এক নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ছাড়াও নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আমন্ত্রিত ছিলেন।
আমের ঝুড়িতে আসে জঙ্গিদের একে-২২- দৈনিক সমকাল
গুলশানে হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলার এক মাস আগেই জঙ্গিদের হাতে অত্যাধুনিক একে-২২ রাইফেলসহ কয়েকটি ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্রের চালান আসে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এ অস্ত্র দেশে ঢোকার পর তা আমের ঝুড়িতে করে ঢাকায় পাঠানো হয়। এসব অস্ত্রের মধ্যে তিনটি একে-২২ রাইফেল গুলশান হামলায় ব্যবহৃত হয়। একটি নব্য জেএমবির মূল হোতা তামিম চৌধুরীর নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত হতো। নারায়ণগঞ্জের অভিযানে তামিম চৌধুরী নিহত হলে ওই আস্তানা থেকে সেটি উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গোয়েন্দারা জঙ্গিদের এসব ভারী অস্ত্রের চালানের রুট চিহ্নিত করেছেন। কারা এসব অস্ত্রের নেপথ্যে রয়েছে, তাও জানতে পেরেছেন তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, এসব অস্ত্র বাংলাদেশে পেঁৗছাতে মধ্যবর্তী একটি দেশকে ব্যবহার করা হয়। গুলশান ছাড়াও বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি অপারেশনে নব্য জেএমবি এসব অস্ত্র ব্যবহার করেছিল।
পুলিশের জঙ্গি ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমন বিভাগ কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম গতকাল সমকালকে বলেন, দীর্ঘ তদন্তে তারা জঙ্গিদের ব্যবহৃত একে-২২ রাইফেলসহ তাদের হাতে থাকা অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ওই চক্রটিকে প্রাথমিকভাবে শনাক্তও করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযানও চলছে।
বিএনপি আর দাঁড়াতে পারবে না: এরশাদ- দৈনিক যুগান্তর

সাবেক রাষ্ট্রপাতি ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বলেছেন, বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। তারা আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। সোমবার সন্ধ্যায় রংপুরে নিজ বাসভবন পল্লী নিবাসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
এরশাদ বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে আমার এবং দলের ওপর যে অন্যায় করেছে, আজ তারই খেসারত দিতে হচ্ছে। প্রকৃতি প্রদত্ত শাস্তি ভোগ করছে। বিএনপি আর যাই করুক, কোনো দিন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।' তিনি বলেন, 'বিএনপির নেতাকর্মীরা কারাগারে। তাদের ভুল রাজনীতির কারণে তারা নিজেরাই শেষ হতে চলেছে। তাদের অস্তিত্ব এখন সংকটে। মামলার ভয়ে নেতাকর্মী শূন্য হয়ে পড়েছে দলটি।'
বিএনপির শাসন আমলকে তার জীবনের বিভীষিকাময় স্মৃতি উল্লেখ করে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, 'ওই সময় আমাকে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। আমার দলকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে দেয়া হয়নি। সে সময় দলের নেতাকর্মীদের ওপর চরম দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। কোনো সভা-সমাবেশ করতে দেয়নি।' তিনি অভিযোগ করেন, 'বিএনপির আমল ছিল জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-অত্যাচারের আমল। বিএনপি শুধু দলের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছে তা নয়, তারা আমার ওপর ব্যক্তিগতভাবেও অত্যাচার করেছে।'
দুদকে ক্রয়, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে দুর্নীতি- দৈনিক সমকাল
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নিয়োগ, পদোন্নতি ও কেনাকাটায় অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কারসাজি করে বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে কম্পিউটারসহ নানা পণ্য ও সরঞ্জাম কিনে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা। আইন লঙ্ঘন করে কাজ হয়েছে টেন্ডার ছাড়াই। একই সঙ্গে নিয়োগ ও পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে উৎকোচ নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি অবসরে যাওয়া প্রশাসন বিভাগের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অনিয়ম ও দুর্নীতি করে গত কয়েক বছরে লাখ লাখ টাকা কামিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে দুদক সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল সমকালকে বলেন, কমিশনে নিয়োগ, পদোন্নতি, ক্রয় বা যে কোনো বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হলে অপরাধীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ও ইচ্ছা করলে সংস্থার যে কোনো অনিয়মের তদন্ত করতে পারে।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বাছাই করা কয়েকটি খবর
পাকিস্তানকে বারামুলার জবাব দিতে তৈরি ভারত- দৈনিক বর্তমান

শিক্ষা হবে না পাকিস্তানের। এমনকী তাদের ঘরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে আসার পরও নয়। রবিবার রাতে বারামুলার ঘটনাই তার প্রমাণ। আর তাই সরাসরি নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য নেওয়ার কাজটাও শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগেই বলেছিলেন, উরির নেপথ্যে যে বা যারা রয়েছে, শাস্তি তারা পাবেই। সার্জিকাল অ্যাটাকের মাধ্যমে কথা রেখেছেন তিনি। সেই রেশ যদি তিনি বজায় রাখেন, তাহলে এবার বারামুলার জন্যও ‘সাজা’ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা। রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং বিএসএফের ছাউনিতে হামলার চেষ্টা, দীর্ঘ গুলির লড়াই এবং শেষে দুই জঙ্গিকে নিকেশ করেও এক জওয়ানের শহিদ হওয়া। গোটা ঘটনাই সোমবার বিস্তারিতভাবে মোদি নিজের বাসভবনে বসে শুনেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের কাছে। পাশাপাশি জানতে চেয়েছেন, আমরা কতটা প্রস্তুত। দোভালও প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় বাহিনী তৈরি। কোথায় কত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং কীভাবে তারা সবরকম পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে, তাও মোদিকে জানিয়েছেন তিনি।
ভারতকে জবাব দিতে বিরোধীদের শরণাপন্ন শরিফ-সংবাদ প্রতিদিন

একদিকে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বদলা নেওয়ার জন্য চাপ৷ অন্যদিকে, সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে বিশ্বজুড়ে কোণঠাসা হয়ে যাওয়ার চাপ৷ এই জোড়া চাপের প্রেক্ষাপটেই সোমবার, সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ৷ তাতে তাঁকে নিরাশ হতে হল না৷ কারণ ভারত বিরোধিতার প্রশ্নে ও কাশ্মীর ইস্যুতে বিরোধীদের অকুণ্ঠ সমর্থন পেলেন তিনি৷ নওয়াজ ও তাঁর পাকিস্তান মুসলিম লিগ (পিএমএল-এন) দলের চরম শত্রু মূল দুই বিরোধী দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং তোহরিক-ই-ইনসাফ সর্বদল বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে ভারতের বিরুদ্ধে কয়েকটি কড়া প্রস্তাব গ্রহণ করল৷ এই প্রথম বহুধা বিভক্ত যুযুধান পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয় স্বার্থে একমত হল৷
গোলার মাঝেই রফার সুর: উত্তেজনা কমাতে কথা হয়েছে দু’পক্ষের, দাবি করলেন আজিজ- দৈনিক আনন্দবাজার

উরি হামলা ও তার পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতের প্রত্যাঘাত— দু’সপ্তাহ ধরে কার্যত চরমসীমায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক। যার জেরে দু’দেশের সীমান্তে বাড়ছিল সেনা সমাবেশ। উঁকি দিয়েছিল যুদ্ধের আশঙ্কা। কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখায় আজও দু’পক্ষের গুলির লড়াই চলেছে।
এই উত্তেজনার মধ্যে হঠাৎ শান্তির বার্তা। পাক প্রধানমন্ত্রীর বিদেশনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা সরতাজ আজিজ দাবি করেছেন, ‘‘পরিস্থিতির অবনতি রুখতে দু’দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও নাসির জনজুয়া টেলিফোনে কথা বলেছেন। উরির ঘটনার পর এই প্রথম দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা হল। উভয় পক্ষই সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে রাজি হয়েছে।’’ তবে ওই কথা কবে হয়েছে বা এ জন্য কে প্রথম উদ্যোগী হয়েছেন, সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি তিনি।
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৪