এপ্রিল ১৪, ২০১৭ ১১:১৬ Asia/Dhaka

শ্রোতা/ পাঠক! আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠান কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ ১৪ এপ্রিল শুক্রবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশের শিরোনাম: 

  • অন্তহীন জীবন যন্ত্রণায় বস্তির কিশোরীরা-ইত্তেফাক
  • নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী-যুগান্তর
  • পয়লা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা- পক্ষ, বিপক্ষ আর দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকা মানুষজনের কিছু কথা-প্রথম আলো
  • দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে খালেদার টুইট -কালের কণ্ঠ
  • মেহেরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২-নয়া দিগন্ত
  • প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের-মানবজমিন

ভারতের শিরোনাম:

  • ভারতে ফের কালো টাকার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু-আজকাল
  • কুলভূষণ পাকিস্তানের কোথায়, কী অবস্থায়,জানে না নয়াদিল্লি-বর্তমান
  • বিজেপি-র এই উল্লম্ফনের রাজনৈতিক তাত্পর্য অনেকখানি-আনন্দবাজার
  • গরুকেই জাতীয় প্রাণী ঘোষণা করুক বিজেপি, আবেদন মূুসলিম বিধায়কের-সংবাদ প্রতিদিন

শ্রোতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার বাংলাদেশ ও ভারতের সবচেয়ে আলোচিত খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরছি..

বাঙলা বর্ষবরণ

আজ পহেলা বৈশাখ। বাঙলা নববর্ষ। এ সম্পর্কিত নানা খবর পরিবেশিত হয়েছে আজকের জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালগুলোতে।

এ সম্পর্কে দৈনিক যুগান্তরের শিরোনাম-মঙ্গল শোভাযাত্রায় আলোর পথের আহ্বান। বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, বিপথগামী তরুণদের আলোর পথে আসার আহ্বানে বাংলা নতুন বছর ১৪২৪ বরণের মূল আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় এবার একটু সংক্ষিপ্ত আকারে এই শোভাযাত্রা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা বের হয়। শাহবাহ মোড়ে এসে প্রতিকৃতিগুলো রেখে শোভাযাত্রাটি রাজধানীর সোনারগাঁও মোড় ঘুরে আবার শাহবাগে আসে।

এ সম্পর্কে প্রথম আলোর একটি খবরের শিরোনাম- পয়লা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা- পক্ষ, বিপক্ষ আর দ্বিধা দ্বন্দ্বে থাকা মানুষজনের কিছু কথা
বর্ষবরণ উৎসব আর মঙ্গল শোভাযাত্রা দিয়েই শুরু হলো ১৪২৪ সাল। সদ্য বিদায় নেওয়া বছরের শেষ কয়েক সপ্তাহজুড়ে হেফাজতে ইসলামসহ কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপনের এই আয়োজনগুলো বর্জন করতে বলে আসছিল। 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের বৈশাখী দেয়ালচিত্রে পোড়া মবিল ঢেলে দেওয়ার ঘটনা বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন, সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি বা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাসনদের স্বীকৃতির মতো ঘটনাগুলো এই বিতর্কের অনুষঙ্গী হয়েছে। 

বিদায়ী বছরের শেষ দিনে প্রথম আলোর ৮ জন সাংবাদিক ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নানা বয়স ও পেশার ৪৪ জন নারী আর ৫০ জন পুরুষের সঙ্গে কথা বলে এসব বিষয়ে তাঁদের চিন্তাভাবনা-মতামত জানতে চেয়েছিলেন। কী বলেছেন তাঁরা? তর্ক-বিতর্কের মূল ভাবগুলো কী? কথাবার্তা ছেঁকে কোন চুম্বক মন্তব্যগুলো কানে লেগে থাকে? 
সাক্ষাৎকারদাতাদের বড় অংশটিই নববর্ষ পালন আর মঙ্গল শোভাযাত্রা করার পক্ষে। অনেকেই মনে করেন, বাঙালির এই উৎসবের সঙ্গে ধর্মের কোনো বিরোধ নেই। মোট ৯৪ জন সাক্ষাৎদাতার ৬৪ জন এ উদ্‌যাপনের পক্ষে কথা বলেছেন। 

আর ১৯ জন বলেছেন, ধর্মে এগুলো পালন করা নিষেধ। তাঁরা অনেকে ওয়াজ বা মসজিদে এমন কথা শুনেছেন। তবে এ সম্পর্কে তাঁদের স্পষ্ট ধারণা নেই। বাদবাকি ১১ জনের মনে এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে। এঁদের অনেকে মুখে বিরোধিতা করছেন বা মনে প্রশ্ন আছে, তবে উৎসব ঠিকই পালন করছেন।

নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী-যুগান্তর

নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার

পহেলা বৈশাখে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শুক্রবার বেলা সকাল সাড়ে ১০টায় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন তিনি।
প্রায় সোয়া একঘণ্টা ধরে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নতুন বছরে দেশ আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। মানুষ বাস করবে আনন্দলোকে। দেশের মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকুক। দেশে শান্তি বিরাজ করুক, আজকের দিনে এটাই প্রত্যাশা করি।

গণভবনে আসা সবাইকে নাড়ু, সন্দেশ, রসগোল্লা, মোনাক্কা ও খইসহ নানান ধরনের মিষ্টি জাতীয় নাস্তা দিয়ে আতিথেয়তা করা হয়।

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে খালেদার টুইট -কালের কণ্ঠ

পহেলা বৈশাখে খঅলেদা জিয়ার শুভেচ্ছা

পহেলা বৈশাখে দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
শুক্রবার সকালে ওই শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি লিখেছেন, “বাংলা নববর্ষ ২০২৪ হোক শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুক্তির। শুভ নববর্ষ।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের-মানবজমিন

মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত ওলামা মাশায়েখ পরিষদ। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে প্রায় শতাধিক ইসলামিক ব্যক্তিত্ব সাক্ষর করেছেন।
বর্ষবরণের অনুষ্ঠান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে গত বৃহস্পতিবার দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা বাঙালির সংস্কৃতিরই অংশ। ধর্মের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে ধর্মকে টেনে আনার কোনও যৌক্তিকতা নেই। এটাকে নিয়ে অনেকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা পবিত্র ইসলাম, ইসলামী মূল্যবোধ ও সভ্যতা-সংস্কৃতির সাথে সম্পূর্ণরূপে সাংঘর্ষিক বলে সম্মিলিত উলামা মাশায়েখের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, কোন মুসলমানই বিন্দুমাত্র ঈমান থাকতে মঙ্গল শোভাযাত্রা করতে পারে না। একজন ঈমানদার তা কখনও মেনে নিতে পারে না বা অন্য কাউকে উদ্ধুদ্ধ ও উৎসাহিত করতে পারে। ইহা মূলত বিজাতীয় সংস্কৃতির অংশ,যা ইসলাম বিদ্বেষী মহল, বে-দ্বীন, মুসলিম নামধারী মুরতাদ ও ইবলিসের প্ররোচনা।

মেহেরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২-নয়া দিগন্ত

মেহেরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' দু'জন নিহত হয়েছে।
গাংনী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে গাংনী-বারাদী সড়কের হাড়িয়াদহ মাঠে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

অন্তহীন জীবন যন্ত্রণায় বস্তির কিশোরীরা-ইত্তেফাক

Image Caption

 

লিমার বয়স ১৭, নাইমার ১৬ আর রুমার ১৫ বছর। তারা থাকে শ্যামপুর ম্যাচ ফ্যাক্টরির বস্তিতে। সবাই এক কামরার বাসায় বাবা-মা, ভাই-বোনের সাথে থাকে। গোসল ও রান্নার জন্য একই গোসলখানা ও রান্নাঘর ব্যবহার করে। তাদের স্কুল কিংবা বাজারে যাওয়ার জন্য আলাদা কোনো রাস্তা নেই। এক একজনের বাড়ির ওপর দিয়ে তাদের দৈনন্দিন, পারিবারিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজ করতে যেতে হয়। ফলে দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা কাজে ঘরের বাইরে বেড়িয়ে নানা রকম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে চলতে হয় তাদের।   

এটা শুধু লিমা, নাইমা কিংবা রুমার সমস্যা নয়, বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ পাড় কদমতলী এলাকায় বস্তিতে থাকা সুমি, রিতা, শাবনূরদেরও একই সমস্যা। তাদের বস্তির রাস্তার পাশের এক চায়ের দোকানের তরুণ ও মাঝ বয়সের পুরুষরা তাদের দেখে নানা রকম বাজে কথা বলে। সুযোগ পেলে বাজে অঙ্গভঙ্গি দেখায়। এটি শুধু এই দুই এলাকায় না, মিরপুর এক নম্বর মাজার এলাকা, করাইল বস্তি, পূর্ব নাখালপাড়া ও কাওরানবাজার রেললাইনের আশ-পাশের বস্তি ঘুরে একই চিত্র পাওয়া যায়।
 
অপরিকল্পিত অবকাঠামো, দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব, স্মার্ট ফোনের দৌরাত্ম্য, পারিবারিক সহিংসতা, সুস্থ বিনোদনের অভাব বস্তির কিশোরীদের এমন সব সমস্যায় ফেলে বলে মনে করেন বিজ্ঞজনেরা। তারা বলেন, সরকারে নানা কর্মসূচি থাকলেও সুযোগ গ্রহণ করার মত অবস্থা অনেক সময় এসব কিশোরীদের থাকে না। তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে গিয়ে উপেক্ষিত হওয়ার ভয়ে বেশিরভাগ সময়ই সেখানে যায় না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, শিক্ষা, সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিই পারে কিশোরীদের এ অবস্থার পরিবর্তন করতে।
 
বস্তিবাসী সুরক্ষা কমিটি, বাংলাদেশ বস্তিবাসী ইউনিয়ন, এনডিবাস ও এনবাস চারটি বস্তি এলাকা নিয়ে কাজ করা সংগঠনের তথ্য মতে, ঢাকা শহরে ৪ হাজার বস্তিতে ৪০ লাখ মানুষ বাস করে। তাদের অর্ধেক নারী হলে ২০ লাখ বস্তিবাসী নারী।

বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম-এর তথ্য মতে, চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে ১৪৫ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। যা গত বছর ছিল ৯৬ জন। ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে ৫১ দশমিক ০৪ শতাংশ। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, শিশুর জন্য গণধর্ষণ বেড়েছে ১৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যৌন নির্যাতন বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। পর্নোগ্রাফির শিকার হয়ে শিশু নির্যাতন বেড়েছে  তিন শত শতাংশ।
 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিস বিভাগ প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় গত এপ্রিল মাসে (২০১৬) শ্যামপুর ও বাউনিয়াবাঁধ এলাকায় গবেষণা করে। এতে দেখা যায়, চায়ের দোকান, রিকশার গ্যারেজ, যানবাহনে, আলো কম এমন রাস্তায় অবস্থানরত যুবক ও প্রাপ্তবয়স্ক লোক মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা একশন এইডের এক গবেষণায় দেখা যায়, রাস্তাঘাটে কুমন্তব্যের শিকার হন ৮৬ শতাংশ নারী। অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ, ছিনতাইয়ের আশঙ্কা, দুর্ঘটনার ভয়ে থাকে ৪৬ শতাংশ নারী। শতকরা ৮৪ জন নারীকে বখাটেদের নিকট থেকে কটূক্তি ও অশোভন আচরণের সম্মুখীন হতে হয়। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিস বিভাগের বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানিয়া হক নিজের গবেষণার কথা উল্লেখ করে বলেন, এই সকল এলকায় যৌন নির্যাতনের একটি বড় কারণ হচ্ছে স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত কিশোর ও যুবক। 
 

একশন এইড’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবীর পরিবারের শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার এবং অপরাধীর শাস্তির ব্যবস্থার ওপর জোর দেন।
বস্তি এলাকায় অবকাঠামোগত ও সামাজিক অবস্থার কারণে অপরাধগুলো বেশি হয় বলে মনে করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। তিনি বলেন, সরকার বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনে কাজ করছে। তবে মানুষ আইন সম্পর্কে না জানায় তা বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
 

শ্রোতা/ পাঠক ! ভারতের বাংলা দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ খবরের অংশ বিশেষ তুলে ধরছি।

ভারতে ফের কালো টাকার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু-আজকাল

ভারতে কালো টাকার বিরুদ্ধে ফের অভিযান

নোট বাতিলের পর থেকে এ বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৯,৩৩৪ কোটি কালো টাকার হদিশ মিলেছে। তাই দ্বিতীয়বার কালো টাকার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হচ্ছে। দিল্লিতে ঘোষণা আয়কর দপ্তরের। বলা হয়েছে, গত বছর নভেম্বরে নোট বাতিলের ঘোষণার পর থেকেই ব্যাঙ্কের লেনদেনের ওপর কড়া নজর ছিল আয়কর দপ্তরের। নির্ধারিত অঙ্কের বেশি লেনদেন করা যাবে না বলে আগেই জানিয়েছিল সরকার। তা সত্ত্বেও বেশ কিছু গ্রাহকের ব্যাঙ্কের নথিতে গরমিল মিলেছে। সরকারি নির্দেশ না মেনে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেন করেছেন এমন ৬০,০০০ জনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। যাঁদের মধ্যে ১,৩০০ জনের অ্যাকাউন্টে লেনদেনের অঙ্ক দেখে চোখ কপালে উঠেছে আয়কর আধিকারিকদের। খুব শিগগির নোটিস পাঠানো হবে সকলকে।

কুলভূষণ পাকিস্তানের কোথায়, কী অবস্থায়,জানে না নয়াদিল্লি-বর্তমান

কুলভূষণ যাদব

চরবৃত্তির অভিযোগে পাকিস্তানে সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মী কুলভূষণ যাদব কোথায় কেমন আছেন? ভারত জানে না। সামরিক আদালতে ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে কিংবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার আবেদন তিনি করেছেন কিনা এরকম কোনও তথ্যই ভারত সরকার জানতে পারছে না।

বিজেপি-র এই উল্লম্ফনের রাজনৈতিক তাত্পর্য অনেকখানি-আনন্দবাজার

বিজেপি

বাস্তবটাকে অস্বীকার করার আর কোনও উপায় নেই। তৃণমূলের বিপুল জয় হল দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে ঠিকই। কিন্তু, এই উপনির্বাচনের ফলাফল এ-ও প্রমাণ করে দিল যে, এ রাজ্যে নজিরবিহীন দ্রুততায় সমর্থন বাড়ছে বিজেপি-র। একটি মাত্র বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল ঠিকই। কিন্তু দক্ষিণ কাঁথি কোনও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়, সেখানে কোনও অভূতপূর্ব বা নজিরবিহীন পরিস্থিতির মধ্যেও ভোট হয়নি। তাই, তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিজেপি-র উত্থানের বাস্তবকে আর অস্বীকার করা যাবে না।

গরুকেই জাতীয় প্রাণী ঘোষণা করুক বিজেপি, আবেদন মুসলিম বিধায়কের-সংবাদ প্রতিদিন

গরুকেই জাতীয় প্রাণী ঘোষণা করুক বিজেপি, আবেদন মুসলিম বিধায়কের

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের বদলে গরুকে জাতীয় প্রাণীর মর্যাদা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করলেন গুজরাটের কংগ্রেস বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন শেখ। শুধু তাই নয়, দেশ জুড়ে গো-হত্যা রুখতে আইন আনার কথা বললেন ওই বিধায়ক। কংগ্রেস বিধায়কের এহেন আবদারে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দরিয়াপুরের ওই বিধায়কের প্রশ্ন, অন্ধ্রপ্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গ এবং গোয়ায় গো-হত্যা বিরোধী আইন কেন আনছে না বিজেপি? আদৌ রশিকতা করে নাকি সত্যি সত্যি এমন দাবি করেছেন গিয়াসউদ্দিন তা বোঝা যাচ্ছে না। কংগ্রেসেরই একাংশের দাবি, বিজেপিকে খোঁচা দিতেই এমন মন্তব্য করেছেন বিধায়ক।

তিনি আরও বলেছেন, ‘হিন্দু শাস্ত্রমতে, ৩৩ কোটি দেব-দেবী রয়েছে। এবং সব দেবতাই গরুর শরীর ধারন করে পৃথিবীতে রয়েছে। বিজেপির উচিত, গরুকে অবিলম্বে জাতীয় প্রাণী ঘোষণা করা।’ গরুকে হাতিয়ার করে মেরুকরণের রাজনীতি করার জন্য বিজেপিকে তোপ দেগেছেন গিয়াসউদ্দিন।#


পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৪