মাদক নির্মূলে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ সমাধান নয়: টিআইবি
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১ জুন শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
প্রথমে বাংলাদেশে:
- ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত-দৈনিক প্রথম আলো
- দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা ফখরুলের-দৈনিক যুগান্তর
- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কি. মি. যানজট-দৈনিক ইত্তেফাক
- রিডিং রুমে পর্নোর হানা-দৈনিক মানবজমিন
- মাদক নির্মূলে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ সমাধান নয়: টিআইবি-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারত:
- মোদী জাদু কি আর কাজ করছে না? প্রশ্ন দলের অন্দরেই-দৈনিক আনন্দবাজার
- দৈনিকটির অন্য একটি খবরের শিরোনাম-সকাল থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ-আগুন-অবরোধে উত্তপ্ত ভাঙড়
- দেশে ঢুকে পড়েছে জঙ্গির দল, জারি সতর্কতা-দৈনিক আজকাল
- পেট্রোল–ডিজেলের পর এবার একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
মাদকবিরোধী অভিযান ও বন্দুকযুদ্ধের ফলোআপ খবরে আজ দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম এরকম যে,
‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত
রাজশাহী ও গাজীপুরে বৃহস্পতিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের ‘মাদক ব্যবসায়ী’ বলছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ নিয়ে গত ১৮ দিনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১২৭ জন ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত হলেন। আর ইত্তেফাক লিখেছে, রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হলেন ৫৬ জন।
প্রথম আলোতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের আইনের শিক্ষক ড. শাহদীন মালিকের একটি মন্তব্য প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। তিনি সেখানে বলেছেন, মাদকবিরোধী অভিযানের দুটো বড় গলদ রয়েছে।
১৫ মে বাংলাদেশের সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। উদ্দেশ্য মাদকাসক্তি ও মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা দমন করা। ভালো কথা।
গলদের কথায় আসি। এই সব তথাকথিত যুদ্ধের কেন প্রয়োজন হয়? কারণ একটা। যাঁদের দায়িত্ব ছিল মাদক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা, মাদক অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা, তাঁরা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। এই ব্যর্থতা চলছে বহু বছর, যুগ যুগ ধরে। সীমান্ত পেরিয়ে আগে আসত ফেনসিডিল, এখন ইয়াবা। অর্থাৎ মাদক এ দেশে পাচার হচ্ছে অবাধে, ডুগডুগি বাজিয়ে। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে, বাসে-ট্রাকে, লঞ্চে-স্টিমারে, রিকশা-ভ্যানে, গাড়িতে ও আরও বহু আকারে ও প্রকারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধাবিপত্তি নেই বললেই চলে।
মাদক কারবারিরা একেবারেই যে ধরা পড়ছে না, তা নয়। মামলাও হচ্ছে। কিন্তু ফলাফল শূন্যপ্রায়। এখান-ওখান থেকে জানা গেছে, হাজার হাজার, সম্ভবত লাখ লাখ মাদক মামলা বিচারাধীন বছরের পর বছর ধরে।আট-নয় মাস আগে এক সংবাদপত্র রিপোর্ট করেছিল যে তখন সারা দেশে ২ লাখ ১৬ হাজারের মতো মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। সেই অবস্থার অবনতি ছাড়া উন্নতি নিশ্চয়ই হয়নি, উন্নতি বা সংস্কারের জন্য কেউ তো কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এই সব প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, অযোগ্যতা আর অদক্ষতার সমাধান গুলি করে মানুষ মেরে করা যাবে না।
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা ফখরুলের-দৈনিক যুগান্তর
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বেআইনিভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে দাবি করে রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমাদের আর হারানোর কিছু নেই। আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বক্তৃতার সময় শেষ- এখন সময় এসেছে প্রতিরোধ গড়ে তোলার। শুক্রবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাসানী এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, এখন সময় শেষ- আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। দেশনেত্রীকে যেভাবে আটক রাখা হয়েছে, তা একেবারেই বেআইনি। হাইকোর্ট বেইল (জামিন) দিয়েছেন। এর পরও নানা কৌশলে মাসের পর মাস খালেদা জিয়াকে আটক রেখেছে। উচ্চতর আদালত ছুটির কথা বলে প্রলম্বিত করছে।
এসব কথা বলার পর কিছুটা সময় চুপ থেকে মির্জা ফখরুল বলেন, এসব বললে আদালত অবমাননা হয় কিনা; হলেও কিছু যায়-আসে না- এখন তো আর আমাদের হারানোর কিছু নেই।
সামনে ঈদ- আজ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট দেয়া শুরু হয়েছে। তবে টিকিট নিয়ে নানা অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা শুরুর দিনেই মিডিয়াতে এসেছে। আর ঈদের সময় যানজটের খবর অনেকটা স্বভাবিক ঘটনা দেশের মানুষের কাছে ছোটো খাটো ব্যত্ক্রিম ছাড়া। সড়কের বেহাল দশা নিয়েও পত্রপত্রিকা এবং মিডিয়াতে খবর দেখা যাচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। সবমিলিয়ে বিষয়টি সত্যিই ভাবনার। আজকের ইত্তেফাকের খবরে শিরোনাম করা হয়েছে-ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কি. মি. যানজট। যানজটের কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। মহাসড়কের চার লেনের কাজ এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনের জন্য পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।
রিডিং রুমে পর্নোর হানা-দৈনিক মানবজমিন
পর্নো আসক্তি গিলে খাচ্ছে কিশোরদের। নিরিবিলি সময় কাটানো, রাতে একা বিছানায় শুয়ে বাটন চাপছে অনর্গল। সবই পর্নো মুভি। রিডিং রুমে থাবা মেলেছে পর্নো মুভি। জীবনের শুরুতেই এমন আসক্তি পাল্টে দিচ্ছে কারো কারো জীবন। কেউ কেউ কিশোর বয়স থেকেই হয়ে উঠছে বেপরোয়া। নারীসঙ্গ খুঁজতে হয়ে উঠে পাগলপ্রায়। এই কিশোরদের দিয়েই ঘটছে অঘটন। রাজধানী ঢাকাসহ বেশ কয়েকটি কিশোরের ঘটনা প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ‘প্রযুক্তি’ শিরোনামে একটি গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে পর্নোগ্রাফি দেখার কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারে না। যৌন সহিংসতার প্রতি আকৃষ্ট হয়, অশ্লীলতার চর্চা বেড়ে যায়। মা-বাবাকে অসম্মান করতে শেখে, সামাজিক মূল্যবোধ নষ্ট হয়ে যায়, মনে ধর্ষণের ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে।
রাজধানীর স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পর্নোছবির আসক্তি। ইন্টারনেটে পর্নোসাইটের অনিয়ন্ত্রণ খুব সহজেই শিশুদের ঠেলে দিচ্ছে অন্ধকার জগতের দিকে। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে এই শিশু-কিশোররাই জড়িয়ে পড়ছে বড় বড় অপরাধের সঙ্গে।
একটি বেসরকারি গবেষণায় উঠে এসেছে, রাজধানীতে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের প্রায় ৭৭ ভাগ কোনো না কোনো ভাবে পর্নোগ্রাফি দেখছে। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, বিকৃত যৌন শিক্ষার মধ্যে দিয়ে বেড়ে ওঠা এসব শিশু পরিবার ও রাষ্ট্রের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
সৌদি ফেরত নারীদের কান্না-দৈনিক মানবজমিন
কাজের কথা বলে নিয়ে গেছে। কিন্তু যাওয়ার পর নির্যাতন (যৌন নিপীড়ন) করতে চেয়েছে। তাতে রাজি না হওয়ায় ছাদে নিয়ে গেছে। বেধড়ক মারধর করেছে। একপর্যায়ে ছাদ থেকে ফেলে দিছে। এতে পা ভেঙে গেছে।
এই অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সুস্থ হলে আবারো তাকে নির্যাতন করা হবে। ফেরত না আনলে মেয়েকে মেরেই ফেলবে তারা। এসব কথা বলতে বলতে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন সম্প্রতি সৌদি আরবে নিপীড়নের শিকার এক নারীর মা। ষাটোর্ধ্ব এই মা আকুতি জানিয়ে বলেন, আপনারা আমার মেয়েকে এনে দেন। তিনি বলেন, আজকে কতদিন ধরে মেয়েটা বিপদে। বিভিন্ন অফিসে যাচ্ছি কিন্তু কাজ হচ্ছে না। গতকাল দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মীর ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আকুতি জানান।সংবাদ সম্মেলনে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসা বেশ কয়েকজন নারীকর্মী তাদের ওপর চালানো অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনা বর্ণনা করেন। নির্যাতিত নারীরা অভিযোগ করেন, যেসব এজেন্সি তাদেরকে সৌদি আরবে পাঠায়, তারা পরবর্তীতে সমস্যার কথা জানালে পাত্তা দেয় না।
এবারে ভারতের খবর তুলে ধরছি।
মোদী জাদু কি আর কাজ করছে না? প্রশ্ন দলের অন্দরেই-দৈনিক আনন্দবাজার
কৈরানাতে বিরোধী জোটকে হারাতে বাগপতে প্রচারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও কৈরানাতে গিয়েছিলেন বেশ কয়েক বার! বিজেপির আশা ছিল, বিরোধী শিবির একজোট হলেও এ বার পাশা উল্টে দেবেন প্রধানমন্ত্রী! কিন্তু ভোটের ফল বেরোনোর পরে আজ বিজেপির অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছে, মোদী জাদু কি আর কাজ করছে না? জাতের সমীকরণ যদি কাছাকাছি আসে, বিরোধী দলগুলি যদি এককাট্টা হয়— তবে কি মোদী আর অপরাজেয় থাকবেন না? উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে নানা দাওয়াই দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে সামনে রেখে কিন্তু সেই দাওয়াই কাজ না করায় এখন বিজেপির ঘরের ভিতরেই উঠছে প্রশ্ন। দলের নেতারা বুঝছেন, গোটা দেশে উপনির্বাচনে বিপর্যয়ের পিছনে শুধু মোদী বিরোধিতাই মিশে নেই। রয়েছে দলিত অসন্তোষ ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতাও|
সকাল থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ-আগুন-অবরোধে উত্তপ্ত ভাঙড়-দৈনিক আনন্দবাজার
শুরুটা হয়েছিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই। ভাঙড়ের জমি আন্দোলনের নেতা অলীক চক্রবর্তীকে মুক্তির দাবিতে শুক্রবার সকাল থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ-প্রতিবাদের তীব্রতা আরও বাড়ালেন তাঁর সমর্থকরা। বকডোবা থেকে হাড়োয়া রোড পর্যন্ত অবরোধ করেন তাঁরা। ভাঙড়ের বিভিন্ন রাস্তায় বাঁশ ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভের পাশাপাশি দফায় দফায় মিছিল করেন অলীক-সর্থকরা। তাঁদের দাবি, অলীক চক্রবর্তীকে নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। তাঁকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। জমিরক্ষা কমিটির মুখপাত্র মির্জা হোসেন এ দিন বলেন, “অলীক চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে আমাদের আন্দোলন থামানো যাবে না।” পাশাপাশি তিনি এও হুঁশিয়ারি দেন, আরাবুল ইসলাম যদি মনে করেন জমি রকক্ষা কমিটির সদস্যদের দমিয়ে গ্রাম দখল করবেন, তা হলে তাঁকে প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে।
পেট্রল-ডিজেলের পর ফের মধ্যবিত্তর হেঁশেলে কোপ, একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
ফের ভোট মিটতেই বাড়ল জ্বালানির দাম। পেট্রোল–ডিজেলের পর এবার মূল্যবৃদ্ধি হানা দিল মধ্যবিত্তের হেঁশেলে। এক ধাক্কায় ৪৮ টাকা বাড়ল ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম। টানা ১৬ দিনের পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা এখনও সামলাতে পারেনি মধ্যবিত্ত, এরই মধ্যে নতুন কোপ হেঁশেলে৷ এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল গ্যাসের দাম৷ দেশের চার মহানগরের মধ্যে দাম সবচেয়ে বেশি কলকাতাতেই৷
দেশে ঢুকে পড়েছে জঙ্গির দল, জারি সতর্কতা-দৈনিক আজকাল
করাচিতে তরুণদের সন্ত্রাসবাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ভারতের ওপর হামলা চালানোর জন্য। এই খবর আগেই মিলেছিল এক জঙ্গি ধরা পড়ার পর। জেরায় সে এই তথ্যই তুলে দিয়েছিল এনআইএ আধিকারিকদের কাছে। এবার গোয়েন্দা সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে জম্মু–কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছে জঙ্গিদের একটি দল। তাই উপত্যকা সহ–দিল্লিতে জারি করা হয়েছে সতর্কবার্তা। যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে প্রশাসনও। খবর পাওয়া গিয়েছে নাশকতার ছক নিয়েই এই জঙ্গির দল ঢুকেছে ভূস্বর্গে।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ–ই–মহম্মদের একটি জঙ্গি দল এখানে ঢুকেছে।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১