ঐক্য ফ্রন্টের সাত দফা নির্বাচন বানচালের সাত চক্রান্ত: কাদের
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২৪ অক্টোবর বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- ঐক্য ফ্রন্টের সাত দফা নির্বাচন বানচালের সাত চক্রান্ত: কাদের-দৈনিক ইত্তেফাক
- সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান-দৈনিক প্রথম আলো
- দগ্ধ রোগীদের আর বিদেশে যেতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
- সিলেটে আওয়ামী লীগের শোডাউন ‘-দৈনিক মানবজমিন
ভারতের শিরোনাম:
- রাফালে নিয়ে প্রশ্ন তুলেই সরতে হল সিবিআই ডিরেক্টরকে!-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- সিবিআই এখন বিবিআই, মমতার টুইটকে সমর্থন রাজনৈতিক মহলের-দৈনিক আজকাল
- টালমাটাল সিবিআই: তীব্র কটাক্ষ মমতার, সরাসরি আক্রমণ বিজেপি-কে-দৈনিক আনন্দবাজার
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. এমন নির্বাচন হওয়া উচিত যাতে বৈধতার সংকট থেকে শাসনব্যবস্থা মুক্ত হয়- একথা বলেছেন বংলাদেশের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান। এ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
২. ৮৪ লাখ ইয়েমেনির জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন- একথা বলেছে জাতিসংঘ। প্রশ্ন হচ্ছে- ইয়েমেন পরিস্থিতি এতটা খারাপ হওয়ার পরও বিশ্ব কেন নীরব?
বিশ্লেষণের বাইরে কয়েকটি খবর
‘পূণ্যভূমি থেকে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়েছি’-দৈনিক মানবজমিন
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় বক্তারা বলেছেন, সাত দফা বাস্তবায়ন ছাড়া জাতীয় নির্বাচন হবে না। হতে দেয়া হবে না। সিলেটের পূণ্যভূমি থেকে দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার শপথ নেয়া হয়েছে। সমাবেশে জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন, শাহজালাল ও শাহপরানের মাজারে আমরা শপথ নিয়েছি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার আদায় করতে চাই। নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার আদায় করতে চাই। শাহজালাল ও শাহপরান কোন দিন পরাজিত হন নাই, এই ঐক্যফ্রন্টও পরাজিত হবে না। শেখ হাসিনার পাতা ফাঁদে আমরা পা দেবো না।
ঐক্য ফ্রন্টের সাত দফা নির্বাচন বানচালের সাত চক্রান্ত: কাদের-দৈনিক ইত্তেফাক
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঐক্য ফ্রন্টের সাত দফা হচ্ছে আগামী সংসদ নির্বাচন বানচালের সাত চক্রান্ত। ওই নেতারা তাই আজ এক হয়েছে। জনগণ কি তাদের ওই ঐক্যকে মেনে নিয়েছে? তাদের নেতা কামাল হোসেন আছেন মঞ্চে আর পেছনে আছে তারেক রহমান। আজ গাজীপুরে এক নির্বাচনি জনসংযোগে এসব মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন আজ নষ্ট রাজনীতির প্রবর্তক, প্রচারক বিএনপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এদিকে দৈনিক মানবজমিনের খবরে লেখা হয়েছে সিলেটে আওয়ামী লীগ শোডাউন করেছে।
দগ্ধ রোগীদের আর বিদেশে যেতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন থেকে দেশেই পোড়া রোগীদের উন্নত চিকিৎসা হবে। চিকিৎসার জন্য আর তাদের বিদেশে যেতে হবে না। বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালের কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে এবং ২০১৪ সালের কথা। শুধু নির্বাচন ঠেকানোর নামে হাজার হাজার মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
সিবিআই এখন বিবিআই, মমতার টুইটকে সমর্থন রাজনৈতিক মহলের-দৈনিক আজকাল
সিবিআইয়ের গৃহযুদ্ধ ঠেকাতে দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে ছুটিতে পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিরোধীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁদের বক্তব্য, সিবিআইয়ের কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দিতে এভাবে তড়িঘড়ি দু’জনকে সরিয়ে দেওয়া হল। অনেকের দাবি, এতদিন সিবিআইয়ের যেটুকু স্বাধীনতা ছিল এবার তাও রইল না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি টুইট করেছেন, সিবিআই এখন হয়ে গিয়েছে বিবিআই। অর্থাৎ বিজেপি ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। মুখ্যমন্ত্রীর এই টুইটকে সমর্থন করে অনেকেই টুইট করতে শুরু করেছেন। ফলে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বলে মনে করা হচ্ছে। কংগ্রেস টুইট করেছে, সিবিআইয়ের ঝগড়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিস একটি পক্ষ নিয়েছে। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হল দেশের জনগণ। বিজেপির স্বৈরাচারের মুখে আর একটি সংস্থা ধ্বংস হয়ে গেল।
রাফায়েল নিয়ে প্রশ্ন তুলেই সরতে হল সিবিআই ডিরেক্টরকে!-দৈনিক আনন্দবাজার
সিবিআই ইস্যুতে একের পর এক নজিরবিহীন ঘটনায় বিধ্বস্ত আমলাতন্ত্র। মধ্যরাতে নজিরবিহীনভাবে দুই শীর্ষকর্তা অলোক ভার্মা এবং রাকেশ আস্তানাসহ একাধিক শীর্ষকর্তাকে ‘ছুটিতে’ পাঠানোর নির্দেশিকা নিয়ে এখন বিভোর জাতীয় রাজনীতিও। গোটা সিবিআই বিতর্কে শুরু থেকেই ব্যাকফুটে ছিল কেন্দ্র। এবার চাপ আরও বাড়াল বিরোধীরা। অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সবশেষে রাহুল গান্ধী। বিরোধী শিবিরের একের পর এক হেভিওয়েট নেতা একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে যাচ্ছেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এবার রাহুল আনলেন সবচেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৪