পুলিশের ফোনে বিব্রত নির্বাচন কর্মকর্তারা
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৭ নভেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- পুলিশের ফোনে বিব্রত নির্বাচন কর্মকর্তারা-দৈনিক প্রথম আলো
- মুন্সীগঞ্জে বন্দুকযুদ্ধে ১০ মামলার আসামি নিহত-দৈনিক ইত্তেফাক
- উপেক্ষিত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, নির্বিকার ইসি-দৈনিক নয়া দিগন্ত
- সত্য বলায় এসকে সিনহাকে জোর করে বিদেশ পাঠানো হয়েছে: মির্জা ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর
- মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়ে প্রস্তাব গৃহীত জাতিসংঘে-দৈনিক মানবজমিন
ভারতের শিরোনাম:
- কে টাকা তোলে সব জানি: মমতা-দৈনিক আনন্দবাজার
- ধর্ষণ মামলায় দ্রুত বিচার, তৈরি হচ্ছে ১০০০ বিশেষ আদালত-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- মণিপুর বিধানসভায় গ্রেনেড হামলা, আহত ৩ -দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
শুরুতে সেদেশের আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজনীতির খবর তুলে ধরছি
পুলিশের ফোনে বিব্রত নির্বাচন কর্মকর্তারা-দৈনিক প্রথম আলো
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। বিশেষ করে তাঁদের বর্তমান ও অতীত রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।
ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও আধা সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে জেলা প্রশাসন থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়ে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা চাওয়া হয়। সেই তালিকা থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করেন। কিন্তু পুলিশ এভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে না।
প্রথম আলোর অন্য একটি খবরের শিরোনাম-একাদশ সংসদ নির্বাচন-অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিই বড় চ্যালেঞ্জ
নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তাই ভোট নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের ইতিবাচক বক্তব্য দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সম্পাদকেরা। এ ছাড়া নির্বাচন বর্জন না করে ভোটের মাঠে থাকারও পরামর্শ দেওয়া হয়। সব ধরনের বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে নির্বাচনে থাকার কথা জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। তাঁরা বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
উপেক্ষিত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, নির্বিকার ইসি-দৈনিক নয়া দিগন্ত
একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও উপেক্ষিত থাকছে লেভেল প্লেøয়িং ফিল্ডের বিষয়টি। রাজনৈতিক দলগুলোর জোর দাবি থাকলেও এ প্রশ্নে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান সুযোগ দেয়ার ঘোষণা দেয় ইসি; কিন্তু ভোটের তারিখ পরিবর্তন, দলীয় মনোনয়ন উত্তোলন ও জমা দেয়ার সময় কর্মীদের মিছিল-সমাবেশসহ নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে সরকার সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো। অন্য দিকে নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশি তল্লাশি ও গ্রেফতারসহ নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।
তবে দৈনিক যুগান্তরের একটি খবরে লেখা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী আজ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না।
সত্য বলায় এসকে সিনহাকে জোর করে বিদেশ পাঠানো হয়েছে: মির্জা ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সত্য কথা বলায়, সত্য রায় দেয়ায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে দেশ থেকে জোর করে বের করে দেয়া হয়েছে। তিনি আজ বিদেশে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।
শনিবার সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত আইনজীবীদের মহাসমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব আইনজীবীদের আন্দোলন নামার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে মানুষ আইনের শাসন থেকে বঞ্চিত হবে। প্রধান অতিথি ছিলেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।
প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক ও কবি সোহরাব হাসান তার একটি নিবন্ধে লিখেছেন, এবার কঠিন পরীক্ষায় আওয়ামী লীগ। এতে লেখা হয়েছে, ৩০ ডিসেম্বর কী হবে, অর্থাৎ ভোটের চেহারাটি কেমন দাঁড়াবে, এখন বলা না গেলেও নির্বাচনী খেলাটি যে বেশ জমে উঠেছে, তা অতিশয় নৈরাশ্যবাদী মানুষও অস্বীকার করতে পারবে না। বলা যায়, পুরো বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে। ডান-বাম-মধ্য-হেফাজতি-জামায়াতি—সবার চোখ এখন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে।যখন একজন গদিনশিন সাংসদের বিরুদ্ধে ২০-২৫ জন প্রার্থী দাঁড়িয়ে যান, তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না যে তিনি নেতা-কর্মীদের কতটা অপছন্দের। অনেক মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্য থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হবে আওয়ামী লীগের প্রথম চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবারের নির্বাচনটি নির্বাচন কমিশন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তো বটেই। তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো নির্বাচনকালীন সরকারের জন্য।আওয়ামী লীগের জন্য এই নির্বাচন ভীষণ কঠিন পরীক্ষা এ কারণে যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে হলে বর্তমান নির্বাচনকালীন দলীয় সরকারকেই ‘নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার’–এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য শুধু মন্ত্রী ও সাংসদদের নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি মেনে চললে হবে না, সেই আইন অনুযায়ী জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও চালিত করতে হবে। অন্যথায় সব ব্যর্থতার দায় বর্তাবে নির্বাচনকালীন সরকারের ওপরই।
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই পুনর্বাসনে জাতিসংঘে রেজুলেশন গৃহীত-দৈনিক ইত্তেফাক
মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়ে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে জাতিসংঘে। তবে এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে চীন, রাশিয়া সহ ১০টি সদস্য। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে মোট ১৪২টি দেশ। রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে সদস্য দেশসমূহের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত ভোটের মাধ্যমে ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের যৌথভাবে আনীত একটি রেজুলেশন গতকাল গৃহীত হয়। রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে শেখ হাসিনা সরকারের নীতিগত অবস্থানের কথা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আবারও মনে করিয়ে দেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ধরে রাখা বা জোর করে ফেরত পাঠানো এর কোনটিতেই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের কোন স্বার্থ নেই।
হত্যা, খুন-খারাবি এবং আইন আদালত বিষয়ক খবর। দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত এ সম্পর্কিত দুটি খবর এরকম যে
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার পশ্চিম বাড়ৈখালীতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১০ মামলার আসামি মাদক বিক্রেতা মোহাম্মদ তাজেল (৩৬) নিহত হয়েছেন।
সাভারের আশুলিয়ার চলন্ত বাস থেকে বাবাকে ফেলে দিয়ে মেয়ে জরিনা খাতুনকে (৪৫) হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের গ্রেফতার করে।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
মণিপুর বিধানসভায় গ্রেনেড হামলা, আহত ৩-দৈনিক আজকাল
বিস্ফোরণে কাঁপল মণিপুর৷ শুক্রবার সন্ত্রাসে জর্জরিত পাহাড়ি রাজ্যটির বিধানসভা চত্বরে বিস্ফোরণ ঘটে৷ এই ঘটনায় আহতের সংখ্যা তিন৷ এখনও পর্যন্ত ঘটনার দায় স্বীকার করেনি কোনও জঙ্গি সংগঠন৷
শুক্রবার সন্ধে ছ’টা নাগাদ প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে মণিপুর বিধানসভা চত্বর৷ চারিদিকে ধোঁয়া ও বারুদের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে৷ তড়িঘড়ি সিল করে দেওয়া হয় বিধানসভা চত্বর৷ নিরাপত্তারক্ষীদের দাবি, পাঁচিলের বাইরে থেকে একটি গ্রেনেড ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল৷ বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন এক পুলিসকর্মী ও দুই বিএসএফ জওয়ান৷ আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সংগাই উৎসব চলায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে রাজধানী ইম্ফলে৷ এছাড়াও বিধানসভার সুরক্ষায় এমনিতেই মোতায়েন থাকে মণিপুর পুলিস ও বিএসএফ৷ এরকম নিরপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে গ্রেনেড হামলা হল, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মণিপুর পুলিসের ডিজিপি এলএম খাউতে৷
কে টাকা তোলে সব জানি: মমতা-দৈনিক আনন্দবাজার
অনেক পেয়েছেন। এ বার কাজ করুন। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার নেতাজি ইন্ডোরে দলের বর্ধিত সাধারণ পরিষদের সভায় মমতা বলেন, ‘‘আমি কী পেলাম, আর কী হলাম— এটা রাজনীতি নয়।’’ পদ আর প্রাপ্তির হিসেব নিয়ে দলকে এর আগেও বহু বার সতর্ক করেছেন মমতা। শুক্রবার তাতে নতুন মাত্রা যোগ করে শাস্তির বিধানও দিলেন তৃণমূলনেত্রী। প্রায় সব স্তরের এই প্রবণতায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বিধায়কদের বেতন কাটার মধ্যে দিয়েই সেই কাজ শুরু করার কথাও বলেছেন তিনি। মমতা এ দিন বলেন, ‘‘অনেক পেয়েছেন। চাওয়া বন্ধ করুন। এ বার দেওয়া শুরু করুন
ধর্ষণ মামলায় দ্রুত বিচার, তৈরি হচ্ছে ১০০০ বিশেষ আদালত-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
আদালতগুলিতে মামলার পাহাড়। আইনের গেরোয় কোনও কোনও মামলা পড়ে রয়েছে ১০ বছর, কোনও মামলা ঝুলে রয়েছে তারও বেশি সময় ধরে। স্বাভাবিকভাবেই সঠিক সময়ে সুবিচার পাচ্ছেন না বিচারপ্রার্থীরা। ধর্ষণ বা নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে এমনিতেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনতে ভয় পান নির্যাতিতারা, তার উপরে বছরের পর বছর আদালতের গোলকধাঁধায় পড়ে অনেকেই আইনের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলছেন। ফলে শাস্তি পাচ্ছে না অপরাধীরা।এবার এই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্র। ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, শিশু ও নারীদের উপর অত্যাচার সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দেশজুড়ে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরির সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক।
গত জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক দেশজুড়ে এক হাজারটি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছিল। নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রককে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছিল এই আদালতগুলিতে শুধু নারী নির্যাতন এবং পকসো আইনে রুজু হওয়া মামলাগুলির বিচার হবে। আইনমন্ত্রকের সেই প্রস্তাবে সাড়া দিল নারী ও শিশুকল্যাণন্ত্রকের তৈরি বিশেষ কমিটি। কমিটির তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গোটা দেশে মোট ১ হাজার ২৩ টি এই ধরনের ফাস্ট ট্র্যাক আদালত তৈরি করা হবে। এই আদালতগুলিতে নারী ও শিশুদের উপর অত্যাচার সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৭
- খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন