ডিসেম্বর ০৭, ২০১৮ ১২:৩১ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৭ ডিসেম্বর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

প্রথমে বাংলাদেশে:

  • ‘মহাজোটে শরিকেরা কে কত আসন পাচ্ছে?’-দৈনিক প্রথম আলো
  • ফের নির্বাচিত হলে ২০২১ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি: শেখ হাসিনা-দৈনিক যুগান্তর
  • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • স্পিকারের জন্য রংপুর-৬ ছাড়লেন শেখ হাসিনা-দৈনিক ইত্তেফাক
  • সরকারের চোখে ছানি পড়েছে, জনগণের চোখ খোলা-মানব জমিন
  • ‘ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে দায় সরকারের-দৈনিক নয়াদিগন্ত

ভারতের খবর:

  • বাংলায় গণতন্ত্র শেষ, মমতার বিরুদ্ধে তোপ দেগে অমিত বললেন রথযাত্রা হবেই-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • রাজ্যের ২৭টি হেলিপ্যাডই ব্যবহৃত হচ্ছে, টুইট মুখ্যমন্ত্রীর-দৈনিক আজকাল-
  • বুলন্দশহর কাণ্ডের রিপোর্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন যোগী-সংবাদ প্রতিদিন

মহাজোটে শরিকেরা কে কত আসন পাচ্ছে?’-দৈনিক প্রথম আলো

মহাজোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন সম্পন্ন করেছে জোটের বড় দল আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ নিজেদের জন্য ২৪০টি আসন রেখেছে। আজ শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে মহাজোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে ব্রিফিং করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

কাদের জানান, বাকি ৬০টি আসনের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টিকে ৫ টি, জাসদ (ইনু) ৩ টি, জাসদ (আম্বিয়া) ১ টি, তরিকত ফেডারেশন ২ টি, জাতীয় পার্টিকে (জেপি) ২টি আসন দেওয়া হয়েছে। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টিকে ৪০ থেকে ৪২টি আসন ছাড়ছে আওয়ামী লীগ। এর বাইরে মহাজোটের শরিক যুক্তফ্রন্টকে ৩টি আসন দেওয়া হয়েছে। বাকি যে ২-৪টি আসন এখনো অমীমাংসিত আছে, আজ রাতেই এর সমাধান হয়ে যাবে।

ফের নির্বাচিত হলে ২০২১ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি: শেখ হাসিনা-দৈনিক যুগান্তর

আবার নির্বাচিত হলে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে টোকিওভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ান রিভিউকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ২০২৪ সাল থেকে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হবে। তিনি বলেন, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছবে এবং এই হার বাড়তেই থাকবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন সব কর্মসূচি গ্রহণ করেছি যে আবার নির্বাচিত হয়ে আসতে পারলে ২০২১ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হবে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ। এর পেছনে কাজ করেছে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন নীতিমালা।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা-দৈনিক কালেরকণ্ঠ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণার কথা ছিল আজ বিকালে। কিন্তু প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা লতিফুর বারী হামিম গণমাধ্যমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রার্থী ঘোষণার কাজ অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এর আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও তার শরিক বিএনপির ৩০০ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আজই ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। গণফোরাম কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলেও গতকাল জানানো হয়।

স্পিকারের জন্য রংপুর-৬ ছাড়লেন শেখ হাসিনা-দৈনিক ইত্তেফাক

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দুটি আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত একটি আসনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন করছেন। রংপুর-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরীর জন্য। সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রংপুরের পীরগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতারা গণভবনে আসলে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। তার আগেই প্রধানমন্ত্রী এ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন ও তার পক্ষে গণসংযোগের জন্য পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা অওয়ামী লীগ, ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা অওয়ামী লীগ এবং ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সম্পাদককে ঢাকায় গণভবনে আমন্ত্রণ জানান। টুঙ্গীপাড়া-কোটালিপাড়া উপজেলা নিয়ে গোপালগঞ্জ-৩ এবং রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা রংপুর-৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সে সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, তাদের দলে একমাত্র শেখ হাসিনা দুটি আসনে লড়বেন।

সরকারের চোখে ছানি পড়েছে, জনগণের চোখ খোলা-মানব জমিন

জনগণ বোকা না বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী চালক দল-এর উদ্যোগে নির্বাচন ব্যর্থ ও প্রশ্নবিদ্ধ গণতন্ত্রের কী হবে? শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সরকারের চোখে ছানি পড়েছে, কিন্তু জনগণের চোখ খোলা আছে। উন্নয়ন অবশ্যই হয়েছে কোনও সন্দেহ নেই। আপনার (প্রধানমন্ত্রী) ২০০৮ সালে সম্পদ ছিল ৩ কোটি ১৯ লাখ, আজকে সেটা ৭ কোটি ২২ লাখ, এটা আপনার ঘোষিত হলফ নামার কথা। আপনি বলেছেন প্রবৃদ্ধি ১০ পারসেন্ট  হবে, বাংলাদেশে আড়াই শত ধনী আছেন। এটাকে আপনি কয়েক হাজারে নিয়ে যাবেন। এই প্রবৃদ্ধিতে কার উন্নয়ন দেখেন? প্রতিটি পরিবারে খোঁজ নিয়ে দেখেন অনেকের বয়স্ক বাবা-মা বিনা চিকিৎসা ভুগছে। তাকে দেখার লোক নেই। খালেদা জিয়া ন্যায় বিচারের মাধ্যমে মুক্তি পাবে বলে উল্লেখ করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ৩০শে ডিসেম্বর নির্বাচন হবে।

ভোট কারচুপির জন্য বহু সেল গঠন করেছে সরকার : বিএনপি-দৈনিক নয়াদিগন্ত

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যাপক কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিএনপি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভোটে কারচুপির জন্য অঞ্চল ভাগ করে পুলিশের ১২ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্তরা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনগুলোর বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনার মো: রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাৎ হোসেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তবে তাদের ভূমিকা ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থের পক্ষে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম নিয়মিত এদের সাথে ফোনে নির্বাচনের বিভিন্ন ধরনের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে থাকেন বলেও জনান্তিকে নানা কথা ভেসে বেড়ায়। সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব এদের মধ্যে সিনিয়র একজনকে দেয়া হয়েছে। এই কমিশনারের মাধ্যমে ইসিকে এইচ টি ইমাম সব ধরনের নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রতিদিন সিইসির কাছে বার্তা বাহকের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা পাঠানো হয়। সিইসি’র দফতর থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এবার ভারতের বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি

বাংলায় গণতন্ত্র শেষ, মমতার বিরুদ্ধে তোপ দেগে অমিত বললেন রথযাত্রা হবেই-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

রাজ্যে বিজেপি-র উত্থানে ভয় পেয়ে গিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই রথযাত্রায় অনুমতি দেয়নি তাঁর সরকার। কিন্তু ঘোষিত তিনটি রথযাত্রা তাঁরা করবেন। এবং প্রত্যেকটি রথযাত্রার সূচনায় তিনিই থাকবেন। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে দলীয় সদর কার্যালয়ে বসে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই বললেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। পাশাপাশি জানিয়ে দিলেন, দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করতে আগামী কাল শনিবার তিনি কলকাতায় আসছেন। বিজেপি-র পূর্ব ঘোষিত ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ কর্মসূচির আওতায় তিনটি রথযাত্রা হওয়ার কথা ছিল। কোচবিহার থেকে প্রথম রথযাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল এ দিন। সেই সূচনা অনুষ্ঠানে থাকার কথা ছিল অমিত শাহের। কিন্তু, প্রশাসন ওই রথযাত্রার অনুমতি দেয়নি। এর পর বিজেপি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেও কোনও সুরাহা মেলেনি। আজ ওই বিষয়ে ফের শুনানি চলছে ডিভিশন বেঞ্চে। এই পরিস্থিতিতে কোচবিহারের রথযাত্রা স্থগিত করে বিজেপি। অমিত এ দিন বলেন, ‘‘আমরা ২৯ অক্টোবর চিঠি দিয়ে অনুমতি চেয়েছিলাম। তার পর বারংবার মনে করানো হয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের। কিন্তু, অনুমতি মেলেনি। আমরা স্পষ্ট ভাবে জানাচ্ছি, রথযাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। বাতিল করা হয়নি। বাংলায় রথযাত্রা নিশ্চিত হবে। এবং সব ক’টার সূচনায় আমিই থাকব।’’

রাজ্যের ২৭টি হেলিপ্যাডই ব্যবহৃত হচ্ছে, টুইট মুখ্যমন্ত্রীর-দৈনিক আজকাল

রাজ্যে ২৭টি হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছে। সেগুলি এখন ব্যবহারও করা হচ্ছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। প্রতিবছর ৭ ডিসেম্বর দিনটি অসামরিক বিমান পরিবহন দিবস হিসেবে পালিত হয়। আর তাই শুক্রবার টুইট করে এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি জানান, মালদহ, বালুরঘাট, দিঘা এবং গঙ্গাসাগর পর্যন্ত কম খরচে হেলিকপ্টার পরিষেবাও চালু করেছে তাঁর সরকার। চলতি বছরের মে মাস থেকে এইসব হেলিপ্যাড কাজ করছে।

এদিকে বাবরি মসজিদের ঘটনাকে মনে রেখে শান্তি দিবস পালন করেছে তৃণমূল। মিছিল থেকে শুরু করে পথসভা করেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। বিজেপিকে আগামী নির্বাচনে পরাস্ত করার শপথও নেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌৬ ডিসেম্বর আমরা শান্তি দিবস পালন করি। মানবদেহের সমস্ত অঙ্গ ছাড়া দেহ যেমন সম্পূর্ণ হয় না, তেমনি সব ধর্মের মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে না পারলে দেশ হিসেবে ভারতকে বোঝা যায় না। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচিতি অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব।’‌ তাঁর দাবি, ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করার চেষ্টা করছে বিজেপি। ‌‌

বুলন্দশহর কাণ্ডের রিপোর্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন যোগী-সংবাদ প্রতিদিন

বুলন্দশহরের হিংসা ক্রমশই বড় আকার নিচ্ছে। পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নেমে পড়েছে যোগী সরকার। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিষয়টি মিটমাট করতে উদ্যোগী হয়েছেন। ইতিমধ্যে নিহত পুলিশ অফিসারের বাড়িতে গিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। এবার তিনি গেলেন দিল্লি। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন যোগী। ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে দেন তিনি। ইতিমধ্যেই নিহত পুলিশ অফিসার সুবোধ কুমার সিংয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন যোগী। সেখানে তাঁর পরিবারকে রাজ্যের তরফে ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে বলে জানান। এও প্রতিশ্রুতি দেন, পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্য শিক্ষাঋণের বন্দোবস্ত করে দেবেন তিনি। পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাসও দেন। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীকে এই কথাগুলিও জানান আদিত্যনাথ। তবে বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীকে ‘অর্ধ-কুম্ভ’-এ আসার নিমন্ত্রণ করতেই দিল্লি গিয়েছিলেন যোগী।#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/৭