আগস্ট ২৩, ২০১৯ ১৩:৩০ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৩ আগস্ট শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

প্রথমে বাংলাদেশে:

  • চাহিদা নেই, তবু নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র-দৈনিক প্রথম আলো
  • আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাজ এখন মিয়ানমারে যাওয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • ধর্মীয় উৎসবকে কল্যাণের কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির-দৈনিক যুগান্তর
  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার ব্যর্থ: রিজভী: দৈনিক ইত্তেফাক
  • সকল এমপিকে মশা নিধনে যুক্ত করার আহবান-দৈনিক মানবজমিন
  • রাঙ্গামাটিতে সেনাবাহিনীর গাড়িতে গুলি, পাল্টা গুলিতে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী নিহত: রিজভী-দৈনিক নয়াদিগন্ত

ভারতের খবর:

  • ২৬ অগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমকে গ্রেফতার করতে পারবে না ইডি, অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • ৭০ বছরে এরকম আর্থিক সংকটে পড়েনি দেশ, স্বীকারোক্তি নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যানের-দৈনিক আজকাল
  • পাকিস্তানকে নদী সংক্রান্ত তথ্য দেবে না ভারত, প্লাবনের আশঙ্কায় ভীত ইসলামাবাদ-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন   

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ

চাহিদা নেই, তবু নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র-দৈনিক প্রথম আলো

দেশে এখন প্রায় ১৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। তবে চাহিদা না থাকায় চলতি গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে গড়ে সাড়ে ৮ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। এতে মোট ক্ষমতার প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎকেন্দ্রই অলস পড়ে আছে। এরপরও সরকারঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। বিনা দরপত্রে দেওয়া এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইনে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যুতের মহাপরিকল্পনাও (পাওয়ার সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যান) মানা হচ্ছে না। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩১ সালে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা গিয়ে দাঁড়াবে ৩৭ হাজার মেগাওয়াট। এ সময় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকবে ২৯ হাজার মেগাওয়াট।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাজ এখন মিয়ানমারে যাওয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক কালেরকণ্ঠ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মানবিক দিক থেকে যা যা করার ছিল সব করা হয়েছে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেন মিয়ানমারে যায়। এজন্য একটি কমিশন করা যেতে পারে। কমিশন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এবং অন্যান্য সবার এখন কাজ হচ্ছে মিয়ানমার যাওয়া।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন 

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে ‘১৫ আগস্ট ও বাংলাদেশের ওপর এর প্রভাব শীর্ষক এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় একথা বলেন তিনি। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সর্বশেষ উদ্যোগ সফল না হলেও প্রক্রিয়া চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 ধর্মীয় উৎসবকে কল্যাণের কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির-দৈনিক যুগান্তর

ধর্মীয় উৎসবগুলোকে কল্যাণকামী সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুক্রবার বঙ্গভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি বলেন, জন্মাষ্টমী উৎসবকে শুধু আনুষ্ঠানিকতা ও আনন্দোৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর আবেদনকে একটি কল্যাণকামী সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগাতে হবে। আবদুল হামিদ বলেন, মানুষ সামাজিক জীব। তাই শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত না থেকে সমাজ থেকে অন্যায়, অবিচার ও কুসংস্কার দূর করতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তিনি বলেন, একটি মানবিক সমাজ গঠনে পারস্পরিক সদ্ভাব ও শ্রদ্ধাবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সব ধর্মেই পারিবারিক বন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার ব্যর্থ: রিজভী: দৈনিক ইত্তেফাক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার কিচ্ছু করতে পারেনি, কিছুই পারেনি। এদের বিষয়ে এতদিন হয়ে গেল, আপনারা একজনকেও ফেরত পাঠাতে পারলেন না!’শুক্রবার রাজধানীর নয়া পল্টনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

সরকারকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, এই ব্যর্থতা তো চরম ব্যর্থতা। আপনারা কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। রিজভী বলেন, এই সরকারের পতন তরান্বিত করতে হবে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মধ্য দিয়েই এই দেশের মানুষ মুক্তভাবে কথা বলার সুযোগ পাবে।

সকল এমপিকে মশা নিধনে যুক্ত করার আহবান-দৈনিক মানবজমিন

ভয়াবহ ডেঙ্গু মোবাবেলায় সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে সকল জনপ্রতিনিধি ও নাগরিকদের পরিচ্ছন্নতা কাজে যুক্ত করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। সারাদেশে মশার জন্ম ও আবাস্থল ধ্বংস করার পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজধানী ও সারাদেশে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু।

এ অবস্থা মোকাবেলায় দ্রুত ভালো ওষুধ আমদানি করে মশা নিধন করতে হবে। জলধারায় মশা খেকো মাছ ছাড়ার ব্যবস্থা নিন। শুধু রাজধানীতে নয়, সারাদেশের সকল এমপিকে মশা নিধনে যুক্ত হতে বাধ্য করুন। সেই সঙ্গে সব সাধারণ মানুষকে এই বিষয়ে সচেতন করতে উদ্যোগ গ্রহণ করার আহবান জানান তারা। শুক্রবার জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত এক গণসমাবেশ এ দাবি জানানো হয়।

রাঙ্গামাটিতে সেনাবাহিনীর গাড়িতে গুলি, পাল্টা গুলিতে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী নিহত: রিজভী-দৈনিক নয়াদিগন্ত

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির বাঘাইহাট উজু বাজার এলাকায় সেনাবাহিনীর গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলি বর্ষণের পর সেনাবাহিনীর পাল্টা গুলিতে সুমন চাকমা ওরফে লাকির বাবা নামে একজন নিহত হয়েছে। নিহত সুমন চাকমা ইউপিডিএফের শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাঙ্গামাটি ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো: শফিউল্লাহ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকাল পৌনে ১১টার দিকে বাঘাইহাট জোনের সেনা টহল দলের একটি পিকআপে সন্ত্রাসীরা গুলি বর্ষণ করলে সেনাবাহিনী পাল্টা জবাব দেয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে সুমন চাকমা নিহত হয়। নিহতের কাছ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসীদের ধরতে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করে অভিযান চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার গাইন্দা ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার চার দিনের ব্যবধানে বাঘাইছড়ি উপজেলায় সেনাবাহিনীর উপর এই হামলার ঘটনা ঘটলো।

এবার ভারতে বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি

২৬ অগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমকে গ্রেফতার করতে পারবে না ইডি, অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

সুপ্রিম কোর্টে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরমের। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হাতে তাঁর গ্রেফতারিতে শুক্রবার অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। আগামী সোমবার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত এই ‘রক্ষা কবচ' পেলেন চিদম্বরম। সিবিআই আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম

আপাতত চিদম্বরমকে নিজেদের হেফাজতেপেয়েছে তারা।আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় গত মঙ্গলবারই দিল্লি হাইকোর্টে চিদম্বরমের আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ওই দিনই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর হয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির মতো কংগ্রেস শিবিরের আইনজীবীরা।

৭০ বছরে এরকম আর্থিক সংকটে পড়েনি দেশ, স্বীকারোক্তি নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যানের-দৈনিক আজকাল

নোট বাতিল, জিএসটির ফলে ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা সংকটজনক। বিরোধীদের এই অভিযোগ বারংবার নস্যাৎ করেছে কেন্দ্রের সরকার। সামনে এনেছে বহু তথ্যও। কিন্তু এবার খোদ নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যানের গলায় শোনা গেল অন্য সুর। গত ৭০ বছরে এতটা খারাপ অবস্থা হয়নি। নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার স্বীকার করে নিলেন সেকথা।

নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘‌তীব্র আর্থিক সমস্যার সামনে ভারতীয় অর্থনীতি। গত ৭০ বছরে এরকম ভয়াবহ আর্থিক সংকটে পড়েনি সরকার। বাজার এমনই আন্দোলিত হয়ে রয়েছে যে কেউ কাউকে বিশ্বাসই করছে না। আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এমন নয় এটা শুধু সরকার ও বেসরকারি ক্ষেত্রের মধ্যে হয়েছে। প্রাইভেট সেক্টরেও কেউ কাউকে কোনও রকম আর্থিক সাহায্য করতে চাইছে না।’‌

পাকিস্তানকে নদী সংক্রান্ত তথ্য দেবে না ভারত, প্লাবনের আশঙ্কায় ভীত ইসলামাবাদ-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে ফুঁসছে পাকিস্তান। নিষ্ফল অক্রোশে নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্য থেকে শুরু করে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ইসলামাবাদ। এবার পড়শি দেশটির সঙ্গে ভারতও আর সৌজন্য দেখতে রাজি নয়। আর সে জন্যই পাকিস্তানের সঙ্গে ‘হাইড্রোলজিক্যাল ডেটা’ বা নদী সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করার চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বুধবার এ কথা জানিয়েছেন ‘ইন্দাস ওয়াটার-এর ভারতের কমিশনার পি কে সাক্সেনা। ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের এই চুক্তি হয়েছিল। তার পর থেকে সীমান্তের নানা জঙ্গি কার্যকলাপে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত সত্ত্বেও প্রতি বছরই সৌজন্যের খাতিরে এই চুক্তি পুনর্নবীকরণ করা হত।

কিন্তু এবার আর কোনও রকম সৌজন্যের পথে হাঁটতে চাইছে না দিল্লি। তাই এই চুক্তিও আর রিনিউ করবে না ভারত। এই চুক্তি অনুযায়ী, নদীর জল বিপদ সীমা ছাড়ালে সেই সংক্রান্ত তথ্য পাকিস্তানকে জানিয়ে দেয় ভারত। এর ফলে আসন্ন বন্য পরিস্থিতি সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি নিতে পারে সে দেশ। কৃষি আর সেচের ক্ষেত্রে জলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার উপর বন্যায় কৃষি বা জল বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা ভারতের থেকে পাওয়া ‘হাইড্রোলজিক্যাল ডেটা’র ভিত্তিতে অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হত। উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে বিশ্ব ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ইন্দাস ওয়াটার ট্রিটি বা সিন্ধু জল চুক্তি সই করে ভারত ও পাকিস্তান। এই চুক্তির শর্ত মতে ছয়টি নদীর মধ্যে তিনটি-বিপাশা, ইরাবতী ও শতদ্রুর জলে ভারতের অধিকার। বাকি তিনটি নদী-সিন্ধু, চন্দ্রভাগা ও বিতস্তার জল পাকিস্তান ব্যবহার করে।

তাই এই চুক্তি পুনর্বহাল না করার ফলে পাকিস্তান যে সমস্যায় পড়বে, তাতে সন্দেহ নেই। তবে এ দিন ‘হাইড্রোলজিক্যাল ডেটা’ আদান-প্রদানের চুক্তি পুনর্বহাল না করার কথা জনালেও এর সঙ্গে সিন্ধু জল চুক্তির কোনও সম্পর্কে নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের ‘কমিশনার অব ইন্দাস ওয়াটার’ পি কে সাক্সেনা।#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/২৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।