অক্টোবর ১২, ২০১৯ ১৩:১৩ Asia/Dhaka
  • ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর
    ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১২ অক্টোবর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি চলবে কি না, সিদ্ধান্ত তাদের নিজস্ব’-দৈনিক প্রথম আলো
  • ১০ দাবির সবগুলোই মেনে নিয়েছেন ভিসি, এরপর কেন আন্দোলন : প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর: দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • আন্দোলন শিথিল, যথাসময়ে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা-দৈনিক যুগান্তর
  • ফের কেন্দ্রীয় কারাগারে সম্রাট-দৈনিক ইত্তেফাক
  • যেখানে যা অন্যায় হবে সেটা নিয়ে কথা বলতেই হবে’-দৈনিক মানবজমিন
  • নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে আবরারের পরিবার-দৈনিক নয়া দিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:        

  • ভারত-চীন ‘নতুন পর্বের’ জন্ম মোদী-শি বৈঠকে, উঠল না কাশ্মীর প্রসঙ্গ-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • সোমবার থেকে জম্মু–কাশ্মীরে চালু হবে পোস্ট পেইড মোবাইল-দৈনিক আজকাল
  • বামেদের সঙ্গে যৌথ আন্দোলন করুন’, প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের নির্দেশ সোনিয়ার-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।

কথাবার্তার প্রশ্ন (১২ অক্টোবর ২০১৯)

১. জনাব সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটে ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করা হয়েছে। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

২. ইরান সফরে যাচ্ছেন ইমরান খান এবং তারপর সৌদি সফরে যাবেন। তার এ সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- সৌদি আরব এবং ইরানের মধ্যে একটা মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালানো। আপনার কি মনে হয় ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যকার উত্তেজনা নিরসনের ক্ষেত্রে ইমরান খানের এই প্রচেষ্টা সফল হবে?

বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি চলবে কি না, সিদ্ধান্ত তাদের নিজস্ব'-দৈনিক প্রথম আলো

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংগঠনিক রাজনীতি চলবে কি না, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। আজ শনিবার সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ দীপু মনি বলেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ দিয়ে চলে, তারা তাদের অধ্যাদেশ অনুযায়ী এবং বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

এ ক্ষেত্রে সাংগঠনিক রাজনীতি চলবে, না বন্ধ হবে, তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ব্যাপার। দীপু মনি বলেন, ‘বুয়েটে যে ঘটনা ঘটেছে সেখানে অপরাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার—এগুলো হয়তো একটি ভূমিকা পালন করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আবাসিক হলগুলোতে র‌্যাগিং, বুলিংয়ের অপসংস্কৃতি ছিল দীর্ঘদিন ধরে, যেটি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই আছে এবং তা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেটি বন্ধ করার ক্ষেত্রে বুয়েটের ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবকদের যদি আগে থেকেই একটু উদ্যোগ থাকত, তাহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটত না।

মন্ত্রী বলেন, ‘সব ক্ষেত্রে রাজনীতিকে দোষ দিলে হবে না। রাজনীতি ছাড়া দেশ চলে? আপনি যা কিছু করবেন, তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই চলে। কিন্তু রাজনীতিটা যেন সুষ্ঠু হয়, সুস্থ ধারার হয়। রাজনীতিকে যেন কেউ ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে কোনো অপকীর্তি করতে না পারে। এর জন্য রাজনৈতিক সংগঠনের পাশাপাশি সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদেরও একটি বিরাট ভূমিকা রয়েছে।

১০ দাবির সবগুলোই মেনে নিয়েছেন ভিসি, এরপর কেন আন্দোলন : প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর: দৈনিক কালেরকণ্ঠ

আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।আজ শনিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মহিলা শ্রমিক লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেওয়ার সময় এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবির সবগুলোইতো মেনে নিয়েছেন ভিসি। তারপরও নাকি তারা আন্দোলন করবে। কেন করবে জানি না। এরপর আন্দোলন করার কী যৌক্তিকতা থাকতে পারে?বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অন্যায়কারীকে অন্যায়কারী হিসেবে দেখি, অত্যাচারীকে অত্যাচারী হিসেবেই দেখি। কোনও অন্যায় অবিচার সহ্য করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না।

আন্দোলন শিথিল, যথাসময়ে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা-দৈনিক যুগান্তর

ভর্তিচ্ছুদের কথা বিবেচনা করে আগামী ১৩-১৪ অক্টোবর আন্দোলন শিথিল করেছেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। ফলে যথাসময়েই বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তারা এ ঘোষণা দেন।

এর আগে বুয়েট ক্যাম্পাস ক্যাফেটেরিয়ার সামনে আন্দোলনকারীরা আলোচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা যথা সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। আবরার হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের জন্য যে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছিল ভর্তি পরীক্ষার কারণে সেই আন্দোলন শিথিল করা হলো। তারা জানান, আন্দোলন চলবে। তবে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আগামী ১৩ ও ১৪ অক্টোবর আন্দোলন শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন ভর্তিচ্ছুদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

ফের কেন্দ্রীয় কারাগারে সম্রাট-দৈনিক ইত্তেফাক

বহিষ্কৃত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) নেওয়া হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে তাকে কারাগারে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) ডেপুটি জেলার জাহিদুল আলম। এর আগে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মহসিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, সকালে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা সম্রাটকে দেখেছেন। বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

বহিষ্কৃত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারকৃত যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট অসুস্থ বোধ (‘বুকে ব্যথা’) করায় গত মঙ্গলবার তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তার চিকিত্সায় সাত সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করেছে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ। বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়ার পর গত রবিবার ৬ অক্টোবর সম্রাটকে রাখা হয়েছিল কেরানীগঞ্জে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে। কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

যেখানে যা অন্যায় হবে সেটা নিয়ে কথা বলতেই হবে-দৈনিক মানবজমিন

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, আবরার হত্যাকান্ড শুধু বাংলাদেশে নয় সাড়া বিশ্বের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সরকারের মন্ত্রীরা কূটনৈতিক শিষ্ঠাচারের দোহাই দিয়ে বিদেশি রাষ্ট্রদূত বা দূতাবাসগুলোকে চুপ থাকতে বলছে এটা ভালো দিক নয়, বিবেক সম্মত নয়। যেখানে যা অন্যায় হবে, সেটা নিয়ে কথা বলতেই হবে। আবরার হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার হবে বলে আমরা আশা করব। শুদ্ধি অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে শুদ্ধি অভিযানের কথা চলছিল আবরার হত্যাকান্ডের মাধ্যমে এ অভিযানটা অনেকটা শ্লথ হয়ে গেছে। বাস্তবতার নিরিখে বলা যায় যে, জনগনের দৃষ্টি এই অভিযান থেকে সড়িয়ে নিতেই আবরারকে হত্যা করা হয়েছে।

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন

তারপরও প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, অভিযান চলমান থাকবে আমরা তার উপড় আস্থা রাখতে চাই। সম্রাটকে গ্রেফতার করা হলো কিন্তু তাকে কেন রাজকীয় ব্যবস্থায় কেন চিকিৎসা দেয়া হলো? বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যেখানে চিকিৎসা পায়না সেখানে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি এত সাড়ম্বরে চিকিৎসা কিভাবে পেল সেটা আমারও প্রশ্ন। বুয়েটের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নিয়ে আনোয়ার হোসেন  বলেন, ঢালাওভাবে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বুয়েটের তাৎক্ষণিক স্বার্থ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে একটি অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত বলে আমি মনে করি।

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে আবরারের পরিবার-দৈনিক নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নিহতের বাবা-মা, একমাত্র ভাইসহ স্বজনরা। বড় ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে যাওয়া আবরারের মা রোকেয়া বেগম শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আবরার নিহত হওয়ার পর থেকেই আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি।

এক ছেলেকে হারিয়েছি, আরেক ছেলেকে হারাতে চাই না। আমি আমার ছোট ছেলের নিরাপত্তা চাই।’ ছাত্রলীগের নৃশংসতার শিকার হয়ে গত ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (২১) নিহত হন। এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় এ পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এদিকে আবরার নিহত হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন তার ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। ভয়ে এবং আতঙ্কে তিনি গণমাধ্যমের সাথে আর কোন কথা বলতে চাচ্ছেন না।

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি।

ভারত-চীন নতুন পর্বের জন্ম মোদী-শি বৈঠকে, উঠল না কাশ্মীর প্রসঙ্গ-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

কাশ্মীর প্রসঙ্গ উঠলই না। মমল্লপুরমের সমুদ্রসৈকতের কাছে একটি রিসর্টে ভারত ও চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি নতুন যুগ শুরু হল। দুই প্রতিবেশী দেশ সিদ্ধান্ত নিল, বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ দমনে তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়বে। আর বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও জোরাদার করে তুলবে ভারত ও চিন।

চেন্নাই থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে মমল্লপুরমের সমুদ্রসৈকতের কাছে একটি রিসর্টে শুক্র ও শনিবারের দু’দফার বৈঠকের পর দৃশ্যতই খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং। প্রধানমন্ত্রী মো‌দী বলেছেন, ‘‘উহানের শীর্ষ সম্মেলন ভারত ও চিনের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্পর্ককে জোরদার করতে বড় ভূমিকা নিয়েছিল। আর চেন্নাইয়ের এই বৈঠকে (‘চেন্নাই কানেক্ট) দু’দেশই পারস্পরিক সম্পর্কে একটি নতুন যুগ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের পর দু’দেশের প্রতিনিধিদদলের বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরে সাংবাদিক সম্মেলনে একই কথা জানিয়েছেন বিদেশসচিব বিজয় গোখলে।

সোমবার থেকে জম্মুকাশ্মীরে চালু হবে পোস্ট পেইড মোবাইল-দৈনিক আজকাল

ধীরে হলেও কিছুটা স্বাভাবিকের পথে এগোচ্ছে জম্মু–কাশ্মীর। সংযোগ পরিষেবা ক্রমশ চালু হতে শুরু করেছে। ল্যান্ডলাইন ধাপে ধাপে আগেই চালু হয়েছিল। আগামী সোমবার উপত্যকায় পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে পোস্টপেইড মোবাইল সংযোগও। শনিবার এই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিব রোহিত কনসল।

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিব রোহিত কনসল

এদিন তিনি সাংবাদিকদের বললেন, ‘‌পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেই জম্মু–কাশ্মীরের বাকি অংশে মোবাইল সংযোগ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব টেলিকম অপারেটরদের সব পোস্টপেইড পরিষেবা সোমবার ১৪ অক্টোবর বেলা ১২টা থেকে চালু হয়ে যাবে। কাশ্মীর প্রদেশের ১০টা জেলাতেই এটা চালু হবে।’‌ যোগাযোগ পরিষেবা স্থগিত রাখার ব্যাপারে কনসলের সাফাই, উগ্রপন্থীরা যাতে কোনওভাবে প্রাণহানি ঘটাতে না পারে সেজন্যই নিরাপত্তার খাতিরে এই পদক্ষেপ করেছিল প্রশাসন।

বামেদের সঙ্গে যৌথ আন্দোলন করুন, প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের নির্দেশ সোনিয়ার-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

বাম-কংগ্রেস জোটকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। প্রদেশ নেতাদের সোনিয়া নির্দেশ দিলেন, বামেদের সঙ্গে যৌথভাবে আন্দোলনে নামতে। শুক্রবার দিল্লিতে সোনিয়ার সঙ্গে দু’দফায় বৈঠক করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান। সোনিয়ার সঙ্গে তিনি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করেন।

সূত্রের খবর, কংগ্রেস সভানেত্রী মান্নানকে জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের দুই শাসকদলের বিরুদ্ধে লড়তে বামেদের সঙ্গে যৌথ আন্দোলনই একমাত্র উপায় কংগ্রেসের। শুক্রবারের বৈঠক শেষে মান্নান জানান, “আমরা রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। সোনিয়াজি নির্দেশ দিয়েছেন বামেদের সঙ্গে যৌথ আন্দোলনে নামতে। বাম-কংগ্রেস জোটের পক্ষে বৃহত্তর জনমত তৈরি করতে। তৃণমূল এবং বিজেপির বিরুদ্ধে একযোগে আন্দোলনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।” শুধু তাই নয়, সোনিয়া মান্নানকে এটাও বলেন যে, রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোট অটুট থাকলে আজ বিজেপির এই উত্থান হত না। এ প্রসঙ্গে মান্নান বলছেন, “বৈঠকে সোনিয়াজি আমাকে জানিয়েছেন, ২০১৬ বিধানসভার মতোই যদি বাম-কংগ্রেস জোট অটুট থাকত তাহলে বাংলাার রাজনৈতিক পরিস্থিতি অন্যরকম হত। বিজেপি আজ বাংলায় এত জমি তৈরি করতে পারত না।”#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।