আমাকে যারা ব্যবহার করেছে এখন কেউ পাশে নেই: জি কে শামীম
-
ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৪ নভেম্বর সোমবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- সাদেক হোসেন খোকা আর নেই- দাফন করা হবে জোরাইন কবরস্থানে-দৈনিক প্রথম আলো
- 'ট্রাফিকের গায়ে ক্যামেরা থাকবে, অনৈতিক সুবিধায় ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার -দৈনিক কালেরকণ্ঠ
- আমাকে যারা ব্যবহার করেছে এখন কেউ পাশে নেই: জি কে শামীম-দৈনিক যুগান্তর
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাকে গলাকেটে হত্যা করে মেয়ে-দৈনিক ইত্তেফাক
- একতরফা নির্বাচনে মানুষ ভোট দেয়ার প্রয়োজন মনে করে না’- স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ-দৈনিক মানবজমিন
- কোরআন শরিফ আনতে গিয়ে আটকে পড়ে শিশুটি, উদ্ধার অভিযান চলছে: -দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- সোপোরের পর শ্রীনগর, লালচকে গ্রেনেড হামলা জঙ্গিদের, হত ১, জখম অন্তত ১৫-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- মোবাইল চোরকে ধরতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ, মৃত্যু যুবকের -দৈনিক আজকাল-দৈনিক আজকাল
- সংসদে বিজেপিকে চাপে ফেলার কৌশল, বিরোধীদের একজোট করতে বৈঠক সোনিয়ার -দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
কথাবার্তা প্রশ্ন
১. বাংলাদেশে মাদক বিরোধী অভিযানের নামে প্রতিদিন গড়ে একজন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার। এমন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং খবরটি প্রকাশ করেছে দৈনিক মানবজমিনসহ অন্য গণমাধ্যম। এ সম্পর্কে আপনি কি বলবেন?
২.আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী। সর্বোচ্চ নেতার এই পদক্ষেপকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
জনাব সিরাজুল ইসলাম আপনাকে আবারো ধন্যবাদ
সাদেক হোসেন খোকা আর নেই- দাফন করা হবে জোরাইন কবরস্থানে-দৈনিক প্রথম আলো
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা আজ বাংলাদেশ সময় বেলা আড়াইটায় নিউইয়র্কে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাদেক হোসেন খোকা দীর্ঘদিন ধরে কিডনির ক্যানসারে ভুগছিলেন।
শায়রুল কবির খান বলেন, সাদেক হোসেন খোকা নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্লোশেন ক্যাটারিং ক্যানসার ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ দেশে আনা হবে কি না, এটা জানতে চাইলে শায়রুল কবির বলেন, এ ব্যাপারে দলীয় নেতৃবৃন্দ আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সাদেক হোসেন খোকা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম সাদেক হোসেন খোকা বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তাঁর দল সরকার গঠন করলে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালেও তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০০১ সালে তাঁর দল সরকার গঠন করলে তিনি মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ২০০২ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র হন।
সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া। তাঁরা সদ্য প্রয়াত খোকার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি আজ এক শোক বার্তায় প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। পাশাপাশি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছেন কাদের।শোক বার্তায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সাদেক হোসেন খোকার অবদান অক্ষয় হয়ে থাকবে। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন।

সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। বিবৃতিতে খোকন মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন সেই সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।খোকার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। এক শোকবার্তায় কাদের সিদ্দিকী বলেন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাদেক হোসেন খোকা বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক জনগণের কাছে সব সময়ই স্মরণীয় ও বরণীয়। জীবনসায়াহ্নে তার মতো একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মাতৃভূমিতে অবস্থানের আকুতি পুরো জাতিকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। তিনি সাদেক হোসেন খোকার মাগফেরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
সাদেক হোসেন খোকা ১৯৫২ সালের ১২ই মে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
১৯৯১ সালে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং তিনি তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে তিনি ঢাকার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন অবিভক্ত ঢাকার শেষ নির্বাচিত মেয়র।
২০০৮ সালে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করে দুদক। এরপর ২০১২ সালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন সাদেক হোসেন খোকা। পরের বছর ২০১৫ সালে দুর্নীতির মামলায় তাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত। সর্বশেষ সাদেক হোসেন খোকার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলেও সরকার তা নবায়ন করেনি।
জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হবে খোকাকে
সাদেক হোসেন খোকার শ্যালক শফিউল আজম খান বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মৃতদেহ ঢাকায় আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সাদেক হোসেন খোকার ইচ্ছা অনুযায়ী জুরাইন কবরস্থানে তাকে তাঁর বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই বছর আগে সাদেক হোসেন খোকার বাংলাদেশ পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হবার পর, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ দূতাবাসে তিনি মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেও জবাব পাননি। এখন তাঁর মৃতদেহ ঢাকায় নেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ট্রাভেল ডকুমেন্ট প্রয়োজন।
শফিউল আজম খান জানিয়েছেন, তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসে ট্রাভেল ডকুমেন্টের জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন। সেই কাগজ হাতে পাবার পরই তাঁর মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার সময়ক্ষণ পরিবার ঠিক করবেন।
ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মিঃ খোকা নিউ ইয়র্কের মেমোরিয়াল স্লোয়েন ক্যাটারিং ক্যান্সার ইন্সটিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
'ট্রাফিকের গায়ে ক্যামেরা থাকবে, অনৈতিক সুবিধায় ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার -দৈনিক কালেরকণ্ঠ
সড়কে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেক ট্রাফিকের গায়ে ক্যামেরা লাগানো থাকবে। মামলা দেওয়ার সময় ছবি না তোলা থাকলে সেই ট্রাফিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
আজ সোমবার (৪ নভেম্বর) সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে 'সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮' নিয়ে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, নতুন সড়ক আইন পুরোদমে বাস্তবায়ন শুরু হলে সড়কের ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। সব মামলা সার্ভারে জমা হবে। ট্রাফিকের কেউ আইন অমান্য করলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, সড়কে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেক ট্রাফিকের গায়ে ক্যামেরা লাগানো থাকবে। মামলা দেওয়ার সময় ছবি না তোলা থাকলে সেই ট্রাফিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পথচারীদেরও শাস্তি দেওয়া হবে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, যেসব সড়কে ফুটওভার ব্রিজ নেই সেখানে পথচারীদের সড়ক পারাপারে সহযোগিতা করবে ট্রাফিক পুলিশ। আর যেসব সড়কের ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে, সেখানে ব্রিজ ব্যবহার না করা হলে শাস্তি দেওয়া হবে পথচারীদের।
এক সপ্তাহ নতুন আইনে যানবাহনে কোনো মামলা হবে না বলে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইন কার্যকরের আগে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ করেছে ডিএমপি। সচেতন করা হচ্ছে, প্রচারণা চালানো হচ্ছে, লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মামলা-জরিমানার নতুন পদ্ধতি কার্যকর করা হবে।
নতুন আইনে সাজা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ অবৈধভাবে সুবিধা নিতে চাইলে, মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নিলে তদন্ত করে ট্রাফিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চালকদের পয়েন্ট সিস্টেমও রাখা হয়েছে। চালকদের পয়েন্ট কমতে থাকলে একটা পর্যায় লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। সেই চালক আর পরে লাইসেন্স নিতে পারবেন না।
আমাকে যারা ব্যবহার করেছে এখন কেউ পাশে নেই: জি কে শামীম-দৈনিক যুগান্তর
যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ও টেন্ডার কিং জি কে শামীমের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে দুদকে। সোমবার সকালে তাকে দুদক কার্যালয়ে আনা হয়েছে। রোববারও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
কীভাবে এত কাজ পেতেন, কারা সহায়তা করেতেন, কাকে কত পার্সেন্ট দিয়ে কাজ বাগিয়ে নিতেন- শামীমকে এমন অসংখ্য প্রশ্ন ছিল দুদক কর্মকর্তাদের। জবাবে শামীম বলেছেন, অনেকেই আমাকে প্রয়োজনে ব্যবহার করেছেন। এখন তারা কেউ আমার পাশে নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন, উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মো. সালাহউদ্দিন দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
দুদক কর্মককর্তাদের প্রশ্নের জবাবে জি কে শামীম বলেছেন, রাজনৈতিক কারণে তার সঙ্গে অনেকেরই ভালো যোগাযোগ ছিল। অনেক নেতাই তার অর্ফিসে নিয়মিত যেতেন। তাদের সহায়তাও নিতেন তিনি। তিনি স্বীকার করেছেন, নেতাদের সহায়তা না পেলে তিনি এতদূর আসতে পারতেন না। অনেকেরই আশীর্বাদ ছিল তার ওপর। ঠিকাদারি কাজ পেতে অনেকেরই সহায়তা পেয়েছেন তিনি।
বিনিময়ে কোনো নেতাকে কত টাকা দিয়েছেন তা তিনি খুলে বলতে চাননি। তবে এটুকু বলেছেন, নেতাদের অনেকেই তাকে তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করেছেন। এখন কেউ পাশে নেই। মধু খাওয়া সেসব নেতাদের তিনি নষ্ট মানুষ বলেও মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে।
জি কে শামীম এ-ও বলেছেন, নিয়মের মধ্যে থেকেই কাজ পেয়েছেন। নিয়ম ভেঙে তাকে কাজ দিলে আগেই অনেক সমালোচনা হতো। অবৈধ সম্পদের বিষয়ে জানতে চাইলে জি কে শামীম বলেন, তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ আয়কর নথিতে দেখানো আছে। এর বাইরে যে সম্পদ পাওয়া যাবে সে অভিযোগে মামলা হলে তিনি শাস্তি মাথা পেতে নেবেন।
সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযানে ২০ সেপ্টেম্বর নিকেতনের কার্যালয় জি কে বিল্ডার্স ভবন থেকে জি কে শামীমকে আটক করে র্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করা হয়।
মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। ২১ সেপ্টেম্বর শামীমের অস্ত্র ও মাদক মামলায় পাঁচ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার জিকে শামীমের সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।
অস্ত্র মামলা ও মাদক মামলার এজাহারে বলা হয়, শামীমের দেহতল্লাশি করে তার নামে একটি এনপিবি দশমিক ৩২ বোরের পিস্তল, ৪৭ রাউন্ড গুলি ও তিনটি গুলির খোসা পাওয়া যায়। তার সাত দেহরক্ষীর প্রত্যেকের কাছ থেকে কালো রঙের দশমিক ১২ বোরের একটি শটগান পাওয়া যায়।
আর দেহরক্ষী মো. দোলোয়ার হোসেনের কাছ থেকে সাতটি কার্তুজ, মো. মুরাদ হোসেনের কাছ থেকে ১০টি কার্তুজ, মো. জাহিদুল ইসলামের কাছ থেকে তিনটি কার্তুজ, শহিদুল ইসলামের কাছ থেকে ১০টি কার্তুজ, কামাল হোসেনের কাছ থেকে ১০টি কার্তুজ, সামসাদ হোসেনের কাছ থেকে ২৩টি কার্তুজ ও আমিনুল ইসলামের কাছ থেকে ১০টি কার্তুজ পাওয়া যায়।
এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এ ছাড়া শামীমের বাড়ির তৃতীয় তলার অফিসকক্ষের ফ্রিজের ভেতর তার দখল ও হেফাজতে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাঁচ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়, যার মূল্য আনুমানিক ৩৭ হাজার ২৫০ টাকা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাকে গলাকেটে হত্যা করে মেয়ে-দৈনিক ইত্তেফাক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঁনতারা বেগম (৪২) আত্মহত্যা করেননি। তার নিজের মেয়ে তানিয়া আক্তার (১৬) বটি দিয়ে হত্যা করেছে। পরে মা আত্মহত্যা করেছে বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে মেয়ে। গত শনিবার সকালে সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রাম থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
সোমবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, প্রায় ১৮বছর আগে নবীনগর উপজেলার সেমন্তঘরের খলিল মিয়ার সাথে বিয়ে হয় চানতাঁরা বেগমের। সেখানে তাদের কোন বসতি না থাকায় তারা সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুরে ঘর তুলে বসবাস করেন। তাদের সংসারে হাসান (১৪), আবু সাঈদ (৮) নামের দুই ছেলে ও তানিয়া আক্তার (১৬) নামের এক মেয়ে ছিল। গত দুই বছর আগে হাসান হারিয়ে যায়৷ এরপর থেকে চাঁনতারা বেগম মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পুলিশ সুপার বলেন, গত ২ নভেম্বর ভোরে খলিল মিয়া ফজর নামাজ পড়তে যায়৷ এসময় মেয়ে তানিয়া ঘুম থেকে জেগে দেখেন মা চাঁনতারা বেগম ঘর থেকে বের হচ্ছে। পরে মাকে টেনে ঘরে নিয়ে আসে তানিয়া। এ সময় বটি নিয়ে মা বলেন' নে আমারে মাইরালা' তখন তানিয়া রেগে গিয়ে বটি দিয়ে নিয়ে মায়ের গলায় টান দিয়ে হত্যা করে। পরে তার মা আত্মহত্যা করেছে বলে জানায় সে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর চাঁনতারা বেগমের ভাই মো. জাকির হোসেন সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনার তদন্তে পুলিশ তানিয়া আক্তারকে আটক করলে সে পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করে। গত রবিবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদ হোসাইনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলমগীর হোসেন, ডিআইও-১ ইমতিয়াজ আহমেদ, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহম্মদ সেলিম উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান।
একতরফা নির্বাচনে মানুষ ভোট দেয়ার প্রয়োজন মনে করে না’- স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ-দৈনিক মানবজমিন]
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আগে নির্বাচনে যে প্রতিযোগিতা হতো এখন তা নেই। প্রতিযোগিতা ছাড়া একতরফা নির্বাচন হলে মানুষ ভোট দেয়ার দরকার মনে করে না। তিনি বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আভাস পাওয়া গেছে। এবার মানুষের মনোভাব পরিবর্তন হয় কিনা দেখা যাক।ড. তোফায়েল বলেন, অনেক কিছুর সংমিশ্রণে মানুষ ভোটের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। ভীতি, পছন্দের প্রার্থী না থাকা, আগে থেকে ভোটের ফলাফল বুঝতে পারা- এসব কারণে মানুষ এখন মনে করে ভোট দেয়ার দরকার কি। একটা বা দু’টো বিশেষ ঘটনা নয়।
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় মানুষ এখন আর ভোট কেন্দ্রে যেতে চায় না।পেশী শক্তি, অর্থ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সরকারি কর্মচারিদের দৌরাত্ম্য সবকিছু মিলিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাটাই অন্যরকম হয়ে গেছে।বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর কোন কার্যক্রম নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা নিজেদের মধ্যেই সংঘবদ্ধ হতে পারছে না। এই দলগুলো কি নির্বাচনে অংশ নিলেই ভোট পাবে?এবার দুই সিটির নির্বাচন ইভিএম এ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। এ প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইভিএম-এর মাধ্যমে করলে কোন আপত্তি থাকার কারণ নেই। ইভিএম একদম অবিশ^াস্য জিনিস নয়। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলে জালিয়াতির সম্ভবনা কম। যদি নৌকা মার্কা না থাকে, ধানের শীষ না থাকে, তাহলে সেখানে ম্যানুপুলেশনের স্কোপটা কম। নির্বাচনের সময় আরও ঘনিয়ে আসলে পরিবেশটা বোঝা যাবে। এখন পর্যন্ত তো কোন দল তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি।
কোরআন শরিফ আনতে গিয়ে আটকে পড়ে শিশুটি, উদ্ধার অভিযান চলছে: -দৈনিক নয়া দিগন্ত
নারায়ণগঞ্জে ধসে পরা ভবনের ভেতরে আটকে পড়া শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে দমকল বাহিনী।
রোববার বিকেলে বাবুরাইল এলাকায় ওই ভবনটি হঠাৎ ধসে পড়লে শিশুটি এর ভেতরে আটকে পড়ে বলে ধারণা করা হয়। ইফতেখার আহমেদ ওয়াজিদ নামে ১২ বছর বয়সী শিশুটি এখনো বেঁচে আছে কি না, সেটা এখনো স্পষ্ট নয়।

দমকল বাহিনী জানাচ্ছে, ভবনটির ঠিক কোন জায়গাটিতে শিশুটি রয়েছে সেটা নিশ্চিত হতে পারেনি তারা। তবে শিশুটিকে উদ্ধারের আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে এবং রোববার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এই উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত আছে। শিশুটির বাবা মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম রুবেল বিবিসিকে জানান, তার ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে প্রতিদিন ওই ভবনে আরবি পড়তে যেত।
রোববারও গিয়েছিল। বিকেলে পড়া শেষে সে বেরিয়েও গিয়েছিল। কিন্তু সে ভেতরে ফেলে আসা কোরআন শরিফ আনতে আবার ফিরে যায় ভবনটির ভেতরে। এরই এক পর্যায়ে ভবনটি ধসে পড়ে। এরপর থেকে তাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তার বাবা। শিশুটির মা বলেন, "আমি আমার ছেলেকে জীবিত চাই। ওরে বের করেন। ওর শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।" এই ভবন ধসের ঘটনায় কমপেক্ষ একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো চারজন।ভবনটি ধসে পাশের খালে গিয়ে পড়ে। চারতলা ভবনটির তিন তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ আগে শেষ হলেও সম্প্রতি চতুর্থ তলার নির্মাণ কাজ চলছিল।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি।
সোপোরের পর শ্রীনগর, লালচকে গ্রেনেড হামলা জঙ্গিদের, হত ১, জখম অন্তত ১৫ -দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
ফের উপত্যকায় হামলা চালাল জঙ্গিরা। শ্রীনগরের লাল চকে বিস্ফোরণে মৃত্যু হল এক মহিলার। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। জখমদের মধ্যে তিন জন এসএসবি জওয়ান রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
সেনা ও স্থানীয় সূত্রে খবর, দুপুরের দিকে হরি সিং হাই স্ট্রিট এলাকায় বাজার বন্ধ থাকায় রাস্তার ধারেই পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন বিক্রেতারা। তাঁদেরই টার্গেট করে জঙ্গিরা। সোমবার দুপুর দেড়টা নাগাদ তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। অনেকেই বেশ কিছুটা দূরে ছিটকে পড়েন। ঘটনাস্থলেই এক জনের মৃত্যু হয়। আহত ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে সেনা ও পুলিশ।
ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, নিহত মহিলা অকাশ্মীরি। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার বাড়ি উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে সরকারি ভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। ঘটনার পিছনে কোন গোষ্ঠী রয়েছে বা পাকিস্তানের হাত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
গত সপ্তাহেই উত্তর কাশ্মীরের সোপোরে প্রায় একই রকম গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। ওই বিস্ফোরণেও ১৫ জন আহত হন। এ ছাড়া গত ২৬ অক্টোবর চেক পোস্টে গাড়ি পরীক্ষা করার সময় নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। তাতে ৬ জন নিরাপত্তা কর্মী আহত হন। এই নিয়ে গত এক মাসে তিনটি গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটল উপত্যকায়।
মোবাইল চোরকে ধরতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ, মৃত্যু যুবকের -দৈনিক আজকাল
ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধার করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উলুবেড়িয়া স্টেশনে। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম সৌরভ ঘোষ (৩০)। তঁার বাড়ি জামশেদপুরে। কলকাতায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। শনিবার অফিস করে জামশেদপুর ফিরছিলেন সৌরভ। আপ সম্বলপুর এক্সপ্রেসে ফেরার সময়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, উলুবেড়িয়া স্টেশন থেকে ট্রেনটি যাওয়ার সময় হঠাৎই এক দুষ্কৃতী আচমকা সৌরভের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ট্রেন থেকে লাফিয়ে নেমে পড়ে। ওই ছিনতাইবাজকে ধরতে চলন্ত ট্রেন থেকেই লাফ দেন সৌরভ। তার পরই গুরুতর জখম হয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ পরে জিআরপি তঁাকে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে তঁার বাবা সঞ্জয় ঘোষ উলুবেড়িয়ায় আসেন। তিনি বলেন, ‘সৌরভের মোবাইলের ওপর বিশেষ টান ছিল। কিন্তু প্রাণের বিনিময়ে সেই মোবাইল উদ্ধারে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝঁাপ দেবে, সত্যিই এটা ভাবতে পারছি না!’ রেল পুলিশের এক কর্তা জানান, ট্রেনটি বেশ দ্রুত গতিতেই যাচ্ছিল। এই অবস্থায় তিনি শুধু ওই মোবাইলের জন্য চলন্ত থেকে ওইভাবে কেন ঝঁাপ দিতে গেলেন, বোঝা যাচ্ছে না। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সবদিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংসদে বিজেপিকে চাপে ফেলার কৌশল, বিরোধীদের একজোট করতে বৈঠক সোনিয়ার -দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
দিল্লির বিষাক্ত বাতাসেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর নেতৃত্বেই দিল্লিতে ফের এক ছাদের তলায় দেশের অধিকাংশ বিরোধী দলের নেতানেত্রীরা। মূলত, আগামী শীতকালীন অধিবেশনে মোদি সরকারকে চাপে ফেলার ছক কষতেই এই বৈঠক ডেকেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী তথা ইউপিএ চেয়ারপার্সন।
সোনিয়ার ডাকা বৈঠকে সাড়াও মিলেছে আশানুরূপ। প্রায় প্রতিটি শক্তিশালী বিরোধী দলই নিজেদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। ইউপিএ-র অন্তর্ভূক্ত বেশিরভাগ দলের প্রতিনিধিরাই এদিনের বৈঠকে উপস্থিত আছেন। আছেন ইউপিএ-র বাইরের একাধিক দলের সদস্যও। ডিএমকে, আরজেডি, জেডিএস, সিপিআই, সিপিআইএম, জেএসপি,আরএলএসপি, লোকতান্ত্রিক জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস এবং আরএলডির প্রতিনিধিরা উপস্থিত। এনসিপির তরফে খোদ শরদ পওয়ার বৈঠকে থাকছেন। অন্যান্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি শরদ যাদব, মনোজ ঝাঁ, টি আর বালুর মতো বর্ষীয়ান নেতাদের। তবে, এদিনের বৈঠকে সমাজবাদী পার্টি, এবং বিএসপির মতো দলগুলি অনুপস্থিত। তৃণমূলের তরফেও প্রথম সারির কোনও নেতা যাননি। পাঠানো হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হককে।
লোকসভার আগে বিরোধীদের যে ঐক্য চোখে পড়েছিল ভোটের পর অন্তত সংসদে সেই ঐক্য একেবারেই চোখে পড়েনি। রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ না হওয়া সত্ত্বেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে সরকার। অনেক বিরোধী দলই হয় ভোটদানে বিরত থেকেছে, নয় সরকার পক্ষে ভোট দিয়েছে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে এদিনের বৈঠক বাড়তি গুরুত্বপূর্ণ। সোনিয়া চাইছেন, শীতকালীন অধিবেশনে শাসক শিবিরকে বিভিন্ন ইস্যুতে চাপে রাখতে। মূলত মোদি সরকারের আর্থিক নীতি, কাশ্মীর সমস্যা, ৩৭০ ধারা, কাশ্মীরে দেশের বিরোধীদের ঢুকতে না দেওয়া, অথচ ইউরোপের সাংসদদের জামাই আদরে নিয়ে যাওয়া, হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি, বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে এজেন্সির ব্যবহার, এসব বিষয়ে মোদির বিরুদ্ধে রণকৌশল তৈরির লক্ষ্যেই বিরোধীদের একজোট করার চেষ্টা করছেন সোনিয়া।
শ্রোতাবন্ধুরা কথাবার্তার আজকের আসর এখানেই গুটিয়ে নিচ্ছি। কথা হবে আবারো আগামী আসরে।#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।