নভেম্বর ১২, ২০১৯ ১৭:০৪ Asia/Dhaka
  • ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর
    ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

প্রথমে বাংলাদেশে:

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত-দৈনিক প্রথম আলো
  • একই দৈনিকের আরেকটি খবর- দুর্ভাগ্য, এ ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল: বলেছেন প্রধানমন্ত্রী  
  • ব্যর্থ সরকার কোনো কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না': দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • বিএনপির দলছুট নেতাদের ‘আ’লীগে ভেড়া’ নিয়ে যা বললেন হাছান মাহমুদ-দৈনিক যুগান্তর
  • নূর হোসেনের পরিবারের কাছে দুঃখ করলেন রাঙ্গা: দৈনিক ইত্তেফাক
  • নূসরাত হত্যা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামীকে কুমিল্লা কারাগারে স্থানান্তর-দৈনিক মানবজমিন
  • বুলবুলের প্রভাবে ২৬ হাজার ৩০৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি : কৃষিমন্ত্রী:–দৈনিক  নয়া দিগন্ত–দৈনিক  নয়া দিগন্ত

ভারতের খবর:

  • মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ মোদী মন্ত্রিসভার, রাষ্ট্রপতিকে রিপোর্ট রাজ্যপালের-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের খবর:  বিয়ন্ত সিংয়ের হত্যাকারী শিখ জঙ্গি রাজওয়ানার মৃত্যুদণ্ড রদ করল কেন্দ্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত-দৈনিক প্রথম আলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষের খবরটি দৈনিক প্রথম আলোসহ সবকটি দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। দূর্ঘটনায়  এ পর্যন্ত ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও যাত্রী মারা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ২ টা ৪৮ মিনিটে উপজেলার মন্দবাগে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি ট্রেনের একাধিক বগি আরেকটি ট্রেনের কয়েকটি বগির ওপর উঠে যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা দুর্ঘটনার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের কাছে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প খোলা হয়েছে।

স্টেশন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালক সিগন্যাল (সংকেত) অমান্য করায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মন্দবাগ রেলস্টেশনে দাঁড়ানোর জন্য এই সিগন্যাল দেওয়া হয়। ওই সিগন্যালে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস প্রধান লেন থেকে ১ নম্বর লাইনে যেতে শুরু করে। ট্রেনটির ছয়টি বগি ১ নম্বর লাইনে উঠতে পেরেছিল। অন্য বগিগুলো প্রধান লেনে থাকা অবস্থায় তূর্ণা নিশীথা সিগন্যাল অমান্য করে। এতে তূর্ণা নিশীথার একাধিক বগি ওই ট্রেনের কয়েকটি বগির ওপর উঠে যায়। এতে উদয়নের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়। নিহত ১৫ জন সবাই উদয়নের যাত্রী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংঘর্ষে দুটি ট্রেনের কয়েকটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়। ছবি: সোহরাব হোসেনজেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের কাছে বায়েক শিক্ষা সদন উচ্চবিদ্যালয়ে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প খোলা হয়েছে। সেখানে ৯টি মৃতদেহ রয়েছে। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনটি মৃতদেহ রয়েছে। এর মধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী ও একটি শিশু। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নারী ও পুরুষের দুটি লাশ রয়েছে। আর কুমিল্লা জেলা সদর হাসপাতালে একজন পুরুষের লাশ রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত কারও পরিচয় জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় অধিবাসীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। দুর্ঘটনার পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেলযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে

দুর্ভাগ্য, এ ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যটিও দৈনিক আলোসহ প্রায় সবকটি দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বুলবুলের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও নিজেদের রক্ষা করতে পারলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্য, এ ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) গভর্নর বোর্ডের ৩৪তম সভার প্রারম্ভিক ভাষণে এ কথা বলেন।  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বাসসব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বুলবুলের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও নিজেদের রক্ষা করতে পারলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্য, এ ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) গভর্নর বোর্ডের ৩৪তম সভার প্রারম্ভিক ভাষণে এ কথা বলেন। বেপজা বোর্ড অব গভর্নরের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দিনের সভায় সভাপতিত্ব করেন। ভবিষ্যতে ট্রেন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকদের প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, ‘রেলে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের আরও শক্ত (দক্ষ) করা উচিত এবং সেই সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রেলচালকদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন।’ এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘জানি না কেন শীত মৌসুম এলেই কেবল আমাদের দেশেই নয়, সমগ্র বিশ্বেই রেলের দুর্ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়।’

ট্রেন দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বুলবুলের মতো সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও নিজেদের রক্ষা করতে পারলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্য যে এ ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৬ জনের প্রাণহানি এবং বহু আহত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্যও কামনা করেন। উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেলমন্ত্রী ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’

রেল যোগাযোগটা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং তাঁর সরকার এর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা রেলের বহরে নতুন নতুন ট্রেন যোগ করে রেলকে সম্প্রসারিত করে দিচ্ছি। কারণ, মানুষ এবং পণ্য পরিবহনে রেল সবচেয়ে নিরাপদ যান।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেন উদয়ন এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, বস্ত্র এবং পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং সংশ্লিষ্ট সচিবেরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ব্যর্থ সরকার কোনো কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না': দৈনিক কালেরকণ্ঠ

ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় রেল দুর্ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা দুর্ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। ব্যর্থ সরকার কোনো কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। এর আগেও আমরা বহুবার দেখেছি রেললাইনে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বেগম খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে বলেন, বেগম জিয়া এখন এতটাই অসুস্থ যে তিনি নিজে হাতে ধরে কিছু খেতেও পারেন না। তাঁকে সাহায্য করে খাইয়ে দিতে হয়। তিনি হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারেন না। এমনকি বিছানা থেকেও দু’জন সাহায্য করে তাঁকে উপরে তুলতে হয়। অথচ সরকারের মদদপুষ্ট হাসপাতালের ডাইরেক্টর বলেন, ‘তিনি (বেগম জিয়া) আগের চাইতেও সুস্থ’। দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য সম্বন্ধে এই যে মিথ্যা ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে এর জন্য ওই ডাইরেক্টরের বিচার হওয়া উচিত।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে যে রিপোর্ট তারা দিয়েছেন তা প্রকাশ করা হচ্ছে না। আমরা এখান থেকে স্পষ্টভাবে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের সঠিক তথ্য প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন সম্পূর্ণ ম্যান্ডেটবিহীন একটা সরকার। এই সরকারকে ক্ষমতায় রাখার মানে হচ্ছে জনগণের সর্বনাশ করা। আজকে প্রত্যেকটি পণ্যের দাম জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। আজকে মানুষ চাল কিনে খেতে পারছে না। অথচ গ্রামে যান, কৃষকরা বলবে আমরা ধানের দাম পাচ্ছি না, ধান ৩০০ টাকা ৪০০ টাকা মণ। অথচ চালের কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান, আব্দুল কুদ্দুস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ, বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বিএনপির দলছুট নেতাদের লীগে ভেড়া নিয়ে যা বললেন হাছান মাহমুদ-দৈনিক যুগান্তর

বিএনপির অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা দল ছেড়ে যাওয়ার জন্য বহুদিন ধরে চিন্তা-ভাবনা করছেন এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি বিএনপি থেকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান পদত্যাগ করেছেন। আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার দল ছাড়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

বিএনপির কেউ আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির অনেক নেতাই দল ছেড়ে যাওয়ার জন্য বহুদিন ধরেই চিন্তা ভাবনা করছেন এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে যে যোগাযোগ করছেন না তা নয়। আওয়ামী লীগ কিন্তু যাকে তাকে দলে নেয়ার জন্য বসে রয়নি। আওয়ামী লীগ একটি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জনগণের মধ্য থেকে উঠে আসা দল। আওয়ামী লীগে যোগ দিতে চাইলেই সবাইকে নেয়া হবে না।

‘বিএনপি থেকে অনেকেই দল ত্যাগ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন, মাত্র শুরু হলো ভবিষ্যতে বিএনপি আরো দেখতে পাবে’-যোগ করেন হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি থেকে যেভাবে তাদের সিনিয়র নেতারা দলত্যাগ করে চলে যাচ্ছেন, এই তালিকায় আরো বহুজন আছেন। সেগুলো ভবিষ্যতে বিএনপি দেখতে পাবে।

বিএনপি নেতাদের দল ত্যাগ করার কারণ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের এই প্রচার সম্পাদক বলেন, রাজনীতি হচ্ছে মানুষের জন্য, জনগণের কল্যাণের জন্য। কিন্তু তাদের (বিএনপি) রাজনীতি ১১ বছরে মানুষের কল্যাণে আবর্তিত হয়নি। তাদের রাজনীতি সবসময় আবর্তিত হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং খালেদা জিয়া, তারেক জিয়ার মামলা এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে। তারা এই বিষয়গুলোকে ফুটিয়ে তোলার জন্য যে জঘন্য পথ অবলম্বন করেছে, জনগণের উপর আক্রমণ করা, পেট্রলবোমা হামলা চালানো, সে কারণে তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এ কারণে তাদের নেতারা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছে। বিএনপিতে গণতন্ত্র নেই দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিদেশ থেকে যেভাবে দলকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাদের দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র বলতে কোনো কিছু নেই, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন না। সিদ্ধান্ত আসে তাদের দণ্ডিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছ থেকে এবং সেগুলো অপরিনামদর্শী সিদ্ধান্ত।’

নূর হোসেনের পরিবারের কাছে দুঃখ করলেন রাঙ্গা: দৈনিক ইত্তেফাক

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনকে ‘ইয়াবাখোর’ ও ‘ফেনসিডিলখোর’ বলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাঙ্গার পক্ষে জাতীয় পার্টির দেওয়া বিবৃতিতে এ দু:খ প্রকাশ করা হয়।

এর আগে তার এমন বক্তব্যে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেয় নূর হোসেনের পরিবার। তার মা মরিয়ম বেগম রাঙ্গাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১০ নভেম্বর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ঘরোয়াভাবে আয়োজিত গণতন্ত্র দিবসের আলোচনা সভায় আমার কিছু বক্তব্য নিয়ে কোনো কোনো মহল এবং বিশেষ করে নূর হোসেনের পরিবারের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছ

আরও বলা হয়, প্রতি বছর নূর হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে কয়েকটি সংগঠনের আলোচনা, বক্তব্য ও বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়-এমনকি তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালিও করা হয়। এর ফলে জাতীয় পার্টির কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।

সেই প্রেক্ষিতে কর্মীদের উত্তেজনার মধ্যে বক্তব্য প্রদানকালে অনিচ্ছাকৃতভাবে আমার মুখ থেকে নূর হোসেন সম্পর্কে কিছু অযাচিত কথা বেরিয়ে গেছে যা নূর হোসেনের পরিবারের সদস্যদের মনে আঘাত করেছে। এর জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও অনুতপ্ত।

প্রয়াত চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু এরশাদও নূর হোসেনের পরিবারের প্রতি সমব্যথী ছিলেন উল্লেখ করে আরও বলা হয়, অসতর্কভাবে বলে ফেলা আমার বক্তব্যে যে আঘাত লেগেছে তার জন্য আমি নূর হোসেনের মায়ের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে আমার যে বক্তব্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে সেসব বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। আমি আশা করি এই বিষয়ে আর কোনো ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ থাকবে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর সেই সময়ের সামরিক শাসক এরশাদের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলন শুরু হয়। এ সময় রাজধানীর গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন যুবলীগ নেতা নূর হোসেনসহ নূরুল হুদা বাবু ও ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো। বুকে-পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক স্বৈরাচার নিপাত যাক’ লিখে মিছিল করা অবস্থায় পুলিশ নূর হোসেনকে গুলি করে হত্যা। এর পর তিন বছর পর ১৯৯০ সালের শেষ দিকে এরশাদ বিদায় নিতে বাধ্য হন।

বুলবুলের প্রভাবে ২৬ হাজার ৩০৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি : কৃষিমন্ত্রী:দৈনিক  নয়া দিগন্ত

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ২৬ হাজার ৩০৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ৯ থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ১৬টি জেলার ১০৩টি উপজেলায় রোপা আমন, শীতকালীন শাক সবজি, সরিষা, খেসারি, মসুর ও পান ফসলের ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। আবাদকৃত ফসল জমির পরিমাণ ২০ লাখ ৮৩ হাজার ৮ শ’ ৬৮ হেক্টর। এর মধ্যে ২ লাখ ৮৯ হাজার ০০৬ হেক্টর জমির আবাদকৃত ফসলের ক্ষতি হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলের’ প্রভাবে দেশব্যাপী বিভিন্ন ফসলি জমি আক্রান্ত ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘কৃষকবন্ধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কৃষির সরকার, কৃষকের সরকার। বর্তমান সরকার কৃষকের পাশে সবসময় ছিল এবং থাকবে। কৃষিকে একটি টেকসই ভিতের ওপর দাঁড় করাতে সরকার অঙ্গিকারাবদ্ধ। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য বর্ধিত প্রণোদনা কর্মসূচির প্রস্তাবনা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ পেলেই অতিদ্রুত প্রণোদনা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

‘বুলবুল আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১৬টি। আক্রান্ত জেলাগুলো হল- খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, নড়াইল, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর,’ যোগ করেন কৃষিমন্ত্রী।

এবার ভারতের বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি

মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ মোদী মন্ত্রিসভার, রাষ্ট্রপতিকে রিপোর্ট রাজ্যপালের-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

মহারাষ্ট্রে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সরকার গঠনের দাবিও কেউ করেনি। সাংবিধানিক রীতি মেনে রাজ্যপাল প্রথমে বৃহত্তম দল বিজেপিকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। তাঁদের সময় দেওয়া হয় তিন দিন। কিন্তু নির্ধারিত সেই সময়ের পরে বিজেপি জানিয়ে দেয়, তারা সরকার গঠনের দাবি করবে না। এর পর দ্বিতীয় বৃহত্তম দলকে সরকার গঠনের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেন রাজ্যপাল। শিবসেনা সরকার গঠনের দাবি করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গড়তে পারেনি। এর পর তৃতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে এনসিপি-কে ডাকেন রাজ্যপাল। তাদের দেওয়া সময় শেষ হচ্ছে আজ রাত সাড়ে ৮টায়। সেই সময়সীমার মধ্যে এনসিপি সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১৪৫ জন বিধায়কের সমর্থন জোগাড় করতে না পারলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পক্ষে সুপারিশ করবেন রাজ্যপাল ভগৎ সিংহ কোশিয়ারি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যা জোগাড় হবে কি না, তা নিয়ে চরম সংশয়ে সেনা-এনসিপি জোট। নীতিগত ভাবে শিবসেনা-এনসিপি জোটকে সমর্থনের কথা জানিয়েও এখনও সমর্থনপত্র দেয়নি কংগ্রেস। উল্টে এখনও দলের অন্দরে টানাপড়েন। দফায় দফায় বৈঠক, আলোচনা, পর্যালোচনার পরেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি হাত শিবির। আজ সকালেও ১০ জনপথে সনিয়া গাঁধীর বাড়িতে বৈঠকে বসেছিলেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। তার পরে শরদ পওয়ারের সঙ্গে কথা বলেছেন সনিয়া নিজে। কিন্তু তাতেও জট খোলেনি। সমর্থনের প্রশ্নে এবার মুম্বইয়ের পথে কংগ্রেসের নেতারা। পওয়ারের সঙ্গে কথা বলার পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে দল।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, শুধুই সমর্থনের প্রশ্ন নয়। এনসিপি ইউপিএর শরিক। ফলে পওয়ারের দলকে সমর্থনে তেমন আপত্তি নেই। কিন্তু সমস্যা শিবসেনাকে নিয়ে। সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী উগ্র হিন্দুত্ববাদী দলের সঙ্গে হাত মেলানো ভবিষ্যতের পক্ষে কতটা ক্ষতি হতে পারে দলের, এই নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দল। আবার এখন সরকার গঠন করলেও পাঁচ বছর সেই সরকার টিকবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে দলের অন্দরেই। আবার সরকারে গেলে অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়েও কাটাছেঁড়া চলছে। ফলে সমর্থনের প্রশ্নে এত তাড়াতাড়ি কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

অথচ কংগ্রেস ছাড়া সরকার গঠন অসম্ভব। শিবসেনা-এনসিপির কাছে ম্যাজিক ফিগারের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৫ বিধায়ক নেই। বাইরে থেকে হোক বা সরকারে থেকে হোক, কংগ্রেসের সমর্থন ছাড়া বিধায়ক সংখ্যা জোগাড় করাও সম্ভব নয় দুই দলের পক্ষে। আর সেই কংগ্রেস ক্রমাগত সময় নিয়েই চলেছে। ফলে সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের খবর:  বিয়ন্ত সিংয়ের হত্যাকারী শিখ জঙ্গি রাজওয়ানার মৃত্যুদণ্ড রদ করল কেন্দ্র

কমল পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিয়ন্ত সিংয়ের হত্যাকারী জঙ্গি বলবন্ত সিং রাজওয়ানার সাজা। শিখ জঙ্গি সংগঠন ‘বব্বর খালসা’র সদস্য রাজওয়ানার মৃত্যুদণ্ড রদ করে তা যাবজ্জীবন করল কেন্দ্র সরকার।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রাজওয়ানার মৃত্যুদণ্ড রদের সিদ্ধান্তের কথা পাঞ্জাব সরকারকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ৩১ আগস্ট গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে নিহত হন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা বিয়ন্ত সিং। তাঁর হত্যার নেপথ্যে ছিল শিখ জঙ্গি সংগঠন বব্বর খালসা। ওই সংগঠনেরই সদস্য ছিল পাঞ্জাব পুলিশের কনস্টেবল বলবন্ত সিং রাজওয়ানা। এদিকে, TADA মামলায় ১৮ থেকে ২৮ বছর পর্যন্ত জেলে সাজ ভোগ করা বেশ কয়েকজন শিখ বন্দিকে মুক্ত করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। গত সেপ্টেম্বর মাসেই রাজওয়ানার মৃত্যুদণ্ড রদ করার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তবে সেবারে কোনও ‘নোটিফিকেশন’ জারি করেনি কেন্দ্র। এবার রীতিমতো নির্দেশিকা জারি করে তা জেল প্রশাসন ও পাঞ্জাব সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

পাঞ্জাবে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করার কৃতিত্ব দেওয়া হয় বিয়ন্ত সিংকে। বব্বর খালসা-সহ একাধিক খলিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের কোমর ভেঙে দিয়েছিলেন তিনি। তবে এর মূল্য প্রাণ দিয়ে মেটাতে হয় তাঁকে। চণ্ডীগড়ে আত্মঘাতী জঙ্গি দিলাওয়ার সিংয়ের হামলায় প্রাণ হারান বিয়ন্ত সিং-সহ ১৬ জন। সেখানেই দ্বিতীয় আত্মঘাতী জঙ্গি হিসেবে ছিল রাজওয়ানা। দিলাওয়ারের হামলা বিফল হলে ফের বিস্ফোরণর ঘটানোর কথা ছিল তার। তবে দ্বিতীয় ধামাকার প্রয়োজন হয়নি। ঘটনার পর রাজওয়ানা-সহ বেশ কয়েকজন শিখ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুরু হয় মামলা।

২০০৭ সালে রাজওয়ানা ও জগতার সিং হাওয়ারকে হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেয় বিশেষ আদালত। ২০১২ সালে রাজওয়ানার ফাঁসির সাজা কার্যকর করার কথা থাকলেও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী শিখ ধর্মীয় সংগঠন ‘শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি’-র আবেদনে তা কার্যকর করা হয়নি।#

পার্সটুডে/এমবিএ/১২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।