নভেম্বর ২৩, ২০১৯ ১৪:২৫ Asia/Dhaka
  • সন্ত্রাসী-জঙ্গি-মাদক ব্যবসায়ী কাউকে ছাড়ব না: শেখ হাসিনা

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৩ নভেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • সন্ত্রাসী-জঙ্গি-মাদক ব্যবসায়ী কাউকে ছাড়ব না: শেখ হাসিনা-দৈনিক প্রথম আলো
  • যুবলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সেতুমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযান আপনারা সফল করবেন- দৈনিক কালেরকণ্ঠ

  • সৌদি থেকে নিঃস্ব হয়ে ফিরলেন আরও ১২৫ বাংলাদেশি-দৈনিক যুগান্তর

  • বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বেই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী করেছে: রিজভী-দৈনিক ইত্তেফাক
  • সাতছড়িতে সেনাবহিনী ও র‌্যাবের অভিযান, ১৩ রাউন্ড আরপিজি সেলসহ বিস্ফোরক উদ্ধার’-দৈনিক মানবজমিন
  • রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে রাজনৈতিক সমাধান দরকার : বান কি মুন-দৈনিক নয়াদিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:        

  • ভোররাতে ‘ওস্তাদের মার’! পওয়ারের ঘর ভাঙিয়ে মহারাষ্ট্রে রাতারাতি সরকার গড়ে ফেলল বিজেপি-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • এটা অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের নয়:‌ শারদ পাওয়ার-দৈনিক আজকাল 
  • রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ, মামলার আবেদন খারিজ আদালতে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।

কথাবার্তার প্রশ্ন 
১. ভোগ নয়, ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে রাজনীতি নিয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুবলীগের সপ্তম কংগ্রেসে দেয়া বক্তব্যে একথা বলেছেন। তার এ বক্তব্য সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
২. ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে এবার ইরানের আইসিটি মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

জনাব সিরাজুল ইসলাম আপনাকে আবারো ধন্যবাদ

সন্ত্রাসী-জঙ্গি-মাদক ব্যবসায়ী কাউকে ছাড়ব না: শেখ হাসিনা-দৈনিক প্রথম আলো

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবলীগের জাতীয় কংগ্রেসে বক্তৃতা করেন। ঢাকা, ২৩ নভেম্বর। ছবি: ফোকাস বাংলাযুবলীগের সপ্তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী-জঙ্গি-মাদক ব্যবসায়ী যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেব না।’সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দিনরাত পরিশ্রম করছি দেশের উন্নয়নের জন্য। এটা বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে ছাড় দেওয়া হবে না।’

আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবলীগের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে যুবলীগের এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন যুবলীগের সাংগঠনিক নেত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

সংগঠনের কিছু নেতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমালোচনার মুখে পড়া যুবলীগের নতুন যাত্রার দিন আজ। ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আজ শুরু হলো এ সম্মেলন।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষ হওয়ার পর বেলা তিনটায় দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হবে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উৎ​সবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সারা দেশ থেকে যুবলীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে আশপাশের এলাকা। যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী সম্মেলনে আসেননি। তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে সাংগঠনিক সূত্রে জানা গেছে। নেতা-কর্মীরা ধারণা করছেন, দুর্নীতি ও ক্যাসিনো কর্মকাণ্ডে সমালোচনায় পড়া যুবলীগে এবার অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কাউকে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হতে পারে। তবে এবার বয়সসীমা ৫৫ বছর বেঁধে দেওয়ায় সর্বশেষ কমিটির অধিকাংশ নেতার সামনে নতুন কমিটিতে আসার সুযোগ থাকছে না।

সারা দেশের ৭৭টি সাংগঠনিক জেলা থেকে ২৮ হাজারেরও বেশি কাউন্সিলর যুবলীগের এই ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ গঠন করেন শেখ ফজলুল হক মণি।

যুবলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সেতুমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযান আপনারা সফল করবেন- দৈনিক কালেরকণ্ঠ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পরবর্তী প্রজন্মের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। তিনি সন্ত্রাস-দুর্নীতি, মাদক ও চাঁদাবাজি বিরোধী শুদ্ধি অভিযান সফল করতে হবে। শেখ হাসিনা নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনীতি করেন না। তিনি পরবর্তী প্রজন্মের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।

আজ শনিবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

দেশে চলমান শুদ্ধি অভিযান সফল করতে যুবলীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যুবলীগের নেতাকর্মীদের কাছে আমি শুধু এই আহ্বান জানাব, নেত্রীর শুদ্ধি অভিযান আপনারা সফল করবেন।

যুবলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক বলেন, মাদককে না বলুন, সন্ত্রাসকে না বলুন, দুর্নীতিকে না বলুন, টেন্ডারবাজিকে না বলুন, চাঁদাবাজিকে না বলুন, ভূমিদস্যুতাকে না বলুন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পলিটিশিয়ানের সীমানা পেরিয়ে আজকের স্টেটসম্যান। তিনি রাজনৈতিক নন যুবলীগ যথার্থই বলে যে তিনি রাষ্ট্রনায়ক। পরবর্তী প্রজন্মকে নিয়ে যিনি ভাবেন সেই হচ্ছেন রাষ্ট্রনায়ক। গত ৪৪ বছরে সবচেয়ে সৎ ব্যক্তি, জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ, বিচক্ষণ নেতা, দক্ষ প্রশাসক, সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা। যার উন্নয়ন অর্জন শুধু এ দেশে নয়, সারা বিশ্বে সমাদৃত।

এর আগে সকাল ১১টায় যুবলীগের ৭ম কংগ্রেস শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এই কংগ্রেসের উদ্বোধন করেন।

যুবলীগের জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক চয়ন ইসলামের সভাপতিত্বে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ বক্তব্য রাখেন। কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়ার সদস্য মুজিবুর রহমান এবং শোক প্রস্তাব পাঠ করেন যুবলীগের প্রেসিডিয়ার সদস্য বেলাল হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।

সম্মেলন স্থলে অন্যানের মধ্যে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন ও মোজাফফর হোসেন পল্টু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মতিন খসরু ও অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ ও এনামুল হক শামীম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর ড. সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সৌদি থেকে নিঃস্ব হয়ে ফিরলেন আরও ১২৫ বাংলাদেশি-দৈনিক যুগান্তর

বছরজুড়েই খালি হাতে নিঃস্ব হয়ে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশি শ্রমিকরা ফিরছেন। নিয়মিত বিরতিতে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর হতাশা আর চাপা ক্ষোভে ডুবেছে। তবে নভেম্বর মাসের প্রথম দিন থেকেই প্রবাসীকর্মীদের ফেরার সংখ্যাটি আশঙ্কাজনক।

সেই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে আরও ১২৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের এসভি ৮০৪ বিমানযোগে দেশে ফেরেন তারা। এ নিয়ে নভেম্বর মাসের তিন সপ্তাহে মোট ২ হাজার ৬১৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।

চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই ৪২১ জন ফিরেছেন। এর মধ্যে ১ নভেম্বর ১০৪ জন, ২ নভেম্বর ৭৫ জন, ৩ নভেম্বর ৮৫ জন, ৪ নভেম্বর ৬১ জন ও গতকাল ৬ নভেম্বর ৯৬ জন ফিরেছেন। এর আগে গত ৫ অক্টোবর ১২০ জন, ২৭ অক্টোবর ১৬০ এবং ৩১ অক্টোবর ১৫৩ বাংলাদেশিকর্মী ফিরেছেন।

চলতি বছরের ১০ মাসে সৌদি আরব থেকে ২১ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্ক। এ পরিসংখ্যানে গতকাল যুক্ত হলো আরও ১২৫ জন।

এসব প্রবাসী বাংলাদেশিকর্মী সবাই ফিরেছেন, একেবারে খালি হাতে, নিঃস্ব হয়ে। অনেকের গায়ে ছিল কোম্পানির পোশাক, কারও পায়ে ছিল না স্যান্ডেলও। অনেকে পুরনো পোশাক ছাড়া সঙ্গে করে আর কোনো কাপড় আনতে পারেননি।

সৌদি আরবের রাস্তায়, দোকানে ধরপাকড়ে পরে এসব বাংলাদেশি শ্রমিক এক কাপড়েই দেশে ফিরেছেন। ইকামা (সৌদি আরবের রেসিডেন্স পারমিট) বৈধরাও এ ধরপাকড় অভিযানে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে দেশে ফিরছেন। গতকাল বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে নিজের দুদর্শার কথা জানালেন কুমিল্লার নন্দন কুমার।

তিনি বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ইকামা (কাজের অনুমতি) নবায়ন করতে সাড়ে ৬ হাজার রিয়াল দিই কফিলকে (নিয়োগকর্তা)। এরই মধ্যে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে। আমাকে ছাড়িয়ে নিতে কফিলকে ফোন করি। কিন্তু কফিল সে ফোনে সাড়া দেয়নি। তাই পুলিশ শূন্য হাতেই দেশে পাঠিয়ে দিলো আমাকে। কিছুই তো সঙ্গে আনতে পারলাম না। ৬ হাজার রিয়ালও গেল। আমি এখন নিঃস্ব।

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারের আফজাল (২৬) মাত্র আড়াই মাস আগে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। বাজার করতে বাসা থেকে বের হলে তাকে আটক করে সৌদি পুলিশ। সঙ্গে ইকামা ছিল না তখন। বাসায় ইকামা আছে বলে বারবার জানালেও পুলিশ তার কথায় কান দেয়নি। পথ থেকে ধরেই দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয় তাকে।

তিনি বলেন, যত টাকা খরচ করে গিয়েছিলাম সেটাও যদি কামাই করতে পারতাম তো সান্তনা দিতে পারতাম মনকে।

একইরকম অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কামরুলের। ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ করে আড়াই মাস আগে সৌদিতে গিয়েছিলেন তিনি। আবজালের মতোই ধড়পাকড়ের শিকার হয়ে খালি হাতে দেশে ফিরতে হয়েছে তাকে।

নিঃস্ব হয়ে ফেরাদের মধ্যে তিন বাংলাদেশি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কামরুলই নন, একই পরিস্থিতির শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মন্টু মিয়া, সাইদুল ইসলাম, নরসিংদির নাইম, হবিগঞ্জের ফারুক হোসেন ও ঢাকার সাইফুল ইসলাম।

তাদের অধিকাংশেরই অভিযোগ, ইকামা বা কাজের অনুমতি তৈরির জন্য কফিলকে টাকা দেয়া হলেও কফিল ইকামা করে দেননি। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে চোখ উল্টে নিয়েছেন তাদের কফিলরা। কর্মীদের দায়দায়িত্ব না নিয়ে উল্টো তাদের ভিসা বাতিল করে দেশে পাঠিয়ে দিতে বলছেন কফিলরা।

বরাবরের মতো গতকাল ফেরত আসাদেরও প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২২ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। চলতি মাসের তিন সপ্তাহে ফিরলেন ২ হাজার ৬১৫ জন। প্রায় সবাই খালি হাতে ফিরেছেন। যারা কয়েক মাস আগে গিয়েছিলেন, তাদের কেউই খরচের টাকা তুলতে পারেননি। এরা সবাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ।’

তিন দিন পর সৌদি আরবের সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের যৌথ বৈঠকে নারী কর্মীদের পাশাপাশি পুরুষদের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে। ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করতে কাজ করতে হবে দুই দেশকে।’

বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বেই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী করেছে: রিজভী-দৈনিক ইত্তেফাক

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য আকাশচুম্বী করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গতকাল বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন-‘মানুষ বিমানে চড়তে পারে না, আর আমি বিদেশ থেকে বিমানে পেঁয়াজ নিয়ে আসছি।’ গবুচন্দ্র মন্ত্রীদের মুখে এধরণের কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্যই শোভা পায়। জনশ্রুতি আছে-ব্যবসায়ী মন্ত্রীদের নেতৃত্বেই নাকি বাজার সিন্ডিকেট করে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে। আজ সকাল সাড়ে ১১ টায় দলের নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, পেঁয়াজের যখন ভয়াবহ সংকট চলছে, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার যখন নিয়ন্ত্রণহীন তখন তাঁর দেখা মেলে না। গতকাল হঠাৎ হাজির হয়ে তিনি উদ্ভট মন্তব্য করলেন। তাঁর এধরণের বক্তব্য জনগণের সঙ্গে ইয়ার্কি ছাড়া কিছু নয়। বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বেই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট পেঁয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য আকাশচুম্বী করেছে বলে জনগণ মনে করে। আর একারণেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে কোন নিয়ন্ত্রণ নেই সরকারের।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। শেখ হাসিনা ও মমতা ব্যানার্জীর সাক্ষাৎ কেবলমাত্র শাড়ী আদান-প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য দুরে থাক, কোন হিস্যাই পাওয়া যায়নি। ফেনী নদীর পানি বিনিময় ছাড়াই উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে। এসব কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল উষর মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। সেচ মৌসুম চলছে অথচ এখনই নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামসহ অন্যান্য এলাকায় সেচের পানি সংকট দেখা দিয়েছে।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেই বিষয়ে কোন আলোচনাই করেননি। প্রায় প্রতিদিন সীমান্ত হত্যা চলছে, এ নিয়েও শেখ হাসিনা মুখ বন্ধ রেখেছেন। সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা যেন নৃশংস দস্যুতার নামান্তর। দেশ মরুভূমি হয়ে যাক, সীমান্তে প্রতিদিন বাংলাদেশী মানুষ মরুক তাতে সরকারের কিছু আসে যায় না। প্রধানমন্ত্রী নিজ দেশের জনগণের অন্তুরুদ্ধ ক্ষোভ টের পান না। তিনি শুধু দিতেই জানেন, নিতে জানেন না। তাঁর ক্ষমতার সোনার হরিণটি নিশ্চিত হলেই তিনি সন্তুষ্ট। আওয়ামী লীগের ভাবাদর্শ হচ্ছে নিজ দেশে অত্যাচারী আর অন্য দেশের প্রতি নতজানু থাকা।

রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা দিনের পর দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। অথচ জামিন কিংবা সুচিকিৎসার ব্যাপারে প্রতিহিংসাপরায়ণ সরকারের নিষ্ঠুরতা যেন থামছেই না। সরকারের আচরণে জনগণের মনে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে যে, দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার নীল নকশা বাস্তবায়নের পথে সরকারপ্রধান দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন কি না।

তিনি বলেন,সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গতকাল বলেছেন-‘সরকার দেশের সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, কিন্তু বিএনপি’র মুখ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে নাই’। এই বক্তব্যের মাধ্যমে ওবায়দুল কাদের সাহেব নিজের অজান্তেই স্বীকার করে নিলেন-আইন আদালত, প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মিথ্যা সাজানো মামলায় সাজা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রেখেছেন। মানুষের ভোটাধিকারও নিয়ন্ত্রণ করে রেখে ভোটের আগের রাতের ভোট প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দিতে সক্ষম হয়েছেন, কারারুদ্ধ করে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

এমনকি গোরস্থানকে নিয়ন্ত্রণ করে লাশের বিরুদ্ধে মামলা দিতে সক্ষম হয়েছেন। আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে সম্রাট, জি কে শামীম, খালেদ হোসেনদের মতো চুনোপুঁটিদের নাম জানা গেছে, কিন্তু রাঘব-বোয়ালদের লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মুক্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। গুম-খুন-ক্রসফায়ারের মুখেও বিএনপি যেটুকু বলছে সেটিকেও স্তব্ধ করে দিতে ইঙ্গিত দিচ্ছে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য। তার বক্তব্য একচেটিয়া স্বৈরশাসকদের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে রাজনৈতিক সমাধান দরকার : বান কি মুন-দৈনিক নয়াদিগন্ত

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে রাজনৈতিক সমাধান দরকার। তবে মিয়ানমারকে আরো বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। শনিবার রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু-তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল মোমেনের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

বান কি মুন বলেন, ‘আমি মিয়ানমারকে অনুরোধ করবো তারা যেন দ্রুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। মিয়ানমারের উচিত রোহিঙ্গাদের বিশ্বাস অর্জন করে নিরাপদে তাদের নিয়ে যাওয়া।’

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন

জাতিসংঘের সাবেক এ মহাসচিব বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং দুঃখজনক। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব হিসেবে আমি মিয়ানমারকে এ সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছি। মিয়ানমারের প্রতি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টির আহ্বান জানাই। যাতে রোহিঙ্গারা সেখানে ফেরার সাহস পায়। বান কি মুন বলেন, কিছুুুদিন আগে (গত ৯ জুলাই) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের সাথে আমি কক্সবাজারে গিয়েছিলাম। সেখানে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে দুঃখ পেয়েছি। ১১ লাখ মানুষ অল্প জায়গায় দুর্বিষহভাবে বসবাস করছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের সমস্যা বাংলাদেশের একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। তাই বিশ্বের অন্য দেশগুলোকেই এগিয়ে আসতে হবে। শুক্রবার রাতে সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় আসেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন। বিকেলে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম সমাবর্তনে বক্তৃতা করবেন তিনি।

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি।

ভোররাতে ‘ওস্তাদের মার’! পওয়ারের ঘর ভাঙিয়ে মহারাষ্ট্রে রাতারাতি সরকার গড়ে ফেলল বিজেপি-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

আচমকা অবসান ২৮ দিন ধরে চলতে থাকা একটা নাটকের। আর সেই মুহূর্ত থেকেই আর এক নতুন নাটকের শুরু। রাতারাতি মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ে ফেলল বিজেপি। ভোরের আলো ঠিক মতো ফোটার আগেই চুপচাপ প্রত্যাহার করা হল রাষ্ট্রপতি শাসন। তার সওয়া দু'ঘন্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফডণবীস। আরও বড় চমক দিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শরদ পওয়ারের ভাইপো অজিত পওয়ার

কোন পথে, কোন সূত্রে এবং কখন এই নতুন সমীকরণ তৈরি হল, এখনও গভীর ধোঁয়াশা তা নিয়ে। কিন্তু যে কোনও মূল্যে মুখ্যমন্ত্রী পদ দখল করার হুঙ্কার ছাড়তে থাকা শিবসেনার হাত থেকে যে বেরিয়ে গেল পুরো খেলাটাই, তা নিয়ে রাজনৈতিক শিবিরের সংশয় কমই।

আক্ষরিক অর্থেই রাতারাতি বদলেছে ছবিটা। 'মধ্যরাতের রাজনীতি' বেশ পরিচিত শব্দ ছিল ভারতীয় রাজনীতিতে। এ বার সম্ভবত নতুন শব্দবন্ধ তৈরি হবে 'ভোররাতের রাজনীতি'। কখন মহারাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রপতি শাসন প্রত্যাহার করা হল, কখন দেবেন্দ্র ফডণবীস সরকার গড়ার ডাক পেলেন, কখন শপথ গ্রহণ হয়ে গেল, জানলই না রাজনৈতিক শিবিরের বিরাট অংশ। কারণ যে সময় এই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াটা শুরু হল, তখন রাজনীতিদের অধিকাংশের ঘুমই ভাঙার কথা নয়। সব কিছু হয়ে যাওয়ার পরে নতুন সরকার গঠনের খবর সামনে এল। রাজনীতির দিকপালরা প্রথমে ভাবলেন ভুয়ো খবর। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে নতুন করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া দেবেন্দ্র ফডণবীস এবং নতুন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারকে অভিনন্দন জানাতেই সব সংশয় কেটে গেল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোররাতে নয়, এ ক্ষেত্রেও আসল 'খেলাটা' মধ্যরাতেই হয়ে গিয়েছিল, স্কোরবোর্ডটাকে ভোরবেলা সামনে আনা হল।

এটা অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের নয়:‌ শারদ পাওয়ার-দৈনিক আজকাল

রাতারাতি পাল্টে গেল মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি। ভোরবেলা উঠল রাষ্ট্রপতি শাসন। আর আশ্চর্যজনক ভাবে তারপরই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করলেন বিজেপি দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। আরও অবাক করে দেওয়া ঘটনা, উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করেন এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ার। আর এরপরই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কী এনসিপি সমর্থন করছে বিজেপিকে?‌ ভুল ভাঙলেন শারদ পাওয়ার। টুইট করে তিনি লেখেন, ‘মহারাষ্ট্রে সরকার গড়তে বিজেপিকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত। এনসিপির নয়। আমরা পরিষ্কার জানাচ্ছি, এটা কখনই এনসিপির সিদ্ধান্ত নয়। আমরা এই সিদ্ধান্তকে সমর্থনও করি না।’‌ পরবর্তীকালে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে শারদ পাওয়ার বলেন, ‘‌সকাল সাতটায় জানতে পেরেছি, অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছে। এর আগে এই বিষয়ে কিছু জানতাম না। কিছুক্ষণ পরেই এই নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করব। উদ্ধব ঠাকরেও আলাদা সাংবাদিক সম্মেলন করবেন।’‌

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ, মামলার আবেদন খারিজ আদালতে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

লোকসভা নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাই তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা চালু করার আবেদন জমে পড়ে দিল্লির আদালতে। পুলিশকে এবিষয়ে একটি এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ যাতে আদালত দেয় তার দাবিও জানানো হয়। এরপর গত ১৫ মে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট জমা দেয় দিল্লি পুলিশ। তা খতিয়ে দেখে শনিবার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা করার আবেদন খারিজ করল দিল্লির বিশেষ আদালত। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে এই ধরনের কোনও মামলা করার যৌক্তিকতা নেই বলেও উল্লেখ করেন বিচারক।

এর গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে এই বিষয়ে একটি আবেদন দায়ের করেন এক আইনজীবী যোগিন্দার তুলি। আর অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট সমর বিশালের এজলাসে এই মামলার শুনানির সময় রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর নামে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ জানান। উল্লেখ করেন একটি জনসভায় গিয়ে রাহুল বলেছেন, সৈনিকদের রক্তের আড়ালে লুকিয়ে তাঁদের বলিদান নিয়ে দালালি করছেন নরেন্দ্র মোদি। এই সম্পর্কে দিল্লি পুলিশের রিপোর্টকেও হাতিয়ার বানান তিনি। বলেন, “দিল্লি পুলিশের ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ উল্লেখ করা হয়েছে যে রাহুল গান্ধীর মন্তব্য ভারতীয় সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের মনে অবসাদের সৃষ্টি করেছে। এতে খুবই দুঃখ পেয়েছেন তাঁরা। তাই রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা চালু করা হোক।”#

পার্সটুডে/ এমবিএ/২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।