জানুয়ারি ১০, ২০২০ ১৩:৩৩ Asia/Dhaka
  • একনজরে ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১০ জানুয়ারি শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

প্রথমে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক

  • বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-দৈনিক প্রথম আলো
  • ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরেরদৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • মার্কিন-ইরান মধ্যস্থতায় আসছেন পুতিন!-’দৈনিক যুগান্তর
  • ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের ক্ষমতা কমিয়ে নিম্নকক্ষে বিল পাস- দৈনিক মানবজমিন
  • গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য বিএনপি নির্বাচনে : মির্জা ফখরুল-দৈনিক নয়াদিগন্ত-
  • সিকে নখদন্তহীন বাঘ বললেন ইশরাক-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন

ভারতের খবর:

  • কাশ্মীরে নেট বন্ধ কেন, ৭ দিনের মধ্যে পর্যালোচনা চায় সুপ্রিম কোর্ট-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • এই তাহলে অচ্ছে দিন!‌ ২০১৮–১৯ আর্থিক বর্ষে বিজেপির আয় বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি-দৈনিক আজকাল
  • পাথর ছুঁড়লে বোমা মারব’, CAA বিরোধীদের হুমকি বিজেপি সাংসদে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন -দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন 

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-দৈনিক প্রথম আলো

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীএই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলের পক্ষ থেকে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এর পর বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে জাতির পিতার প্রতিকৃতির বেদি। ১০ জানুয়ারি বাঙালির জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করে তাঁর প্রিয় স্বদেশ, স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। আর এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের মহান বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। সেই থেকেই এই দিনটি জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। তবে এবার দিবসটি উদ্‌যাপনে ভিন্নতা নিয়ে এসেছে ‘মুজিব বর্ষ’। এ বছর ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী থেকে আগামী বছর ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পর্যন্ত সময়কে ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করা হয়েছে। বছরব্যাপী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উদ্‌যাপনের ‘ক্ষণগণনা’ (কাউন্টডাউন) শুরু হচ্ছে আজ থেকে। বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে প্রধানমন্ত্রী ও জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা এই ‘ক্ষণগণনা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের- দৈনিক কালেরকণ্ঠ

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর এলেনবাড়িতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক ভবনের আধুনিকরণ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, 'আমি আপনাদের বিবেকের কাছেই প্রশ্ন রাখছি। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কাকে বলে? আজকে বিএনপি মহাসচিব প্রকাশ্যে জনসভা করতে পারবেন, নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবেন, গণসংযোগ করতে পারবেন। অথচ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেটা করতে পারবেন না। আজকে মওদুদ আহমেদ সাহেব, খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাহেব প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন, কিন্তু আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ তারা এমপি, সে কারণে তারা পারবেন না।'

অন্য দেশের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'ত্রিপুরা ও কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও প্রচারণায় অংশ নেন। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেয়। সেখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কোনো প্রশ্ন উঠছে না, আইন লঙ্ঘন হয় না। বাংলাদেশে কেন লঙ্ঘন হবে? সে প্রশ্নের জবাব আমরা আজও খুঁজে পাইনি।'

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'আমি এটা নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চাই, এটা কেমন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড? এখানে ফিল্ডে মির্জা ফখরুল আছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেই। এই বিষয়টার আমি কোনো সুরাহা খুঁজে পাচ্ছি না। তারপরও বলবো, নির্বাচন কমিশনের যে আচরণবিধি তা আমরা পালন করবো। আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আমি আচরণবিধি মন্ত্রী-এমপি হিসেবে মেনে চলছি। মন্ত্রী-এমপিদের প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনোভাবে যেন আচরণবিধি লঙ্ঘন করা না হয়।'

মার্কিন-ইরান মধ্যস্থতায় আসছেন পুতিন!-- দৈনিক যুগান্তর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা যখন বাড়ছে, তখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজেকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নিয়ে আসার চেষ্টা করতে পারেন বলে দাবি করেছেন সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী উইলিয়াম কোহেন। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এমন দাবি করেছেন। কোহেন বলেন, আমি মনে করি, প্রেসিডেন্ট পুতিন চেষ্টা করতে যাচ্ছেন, তিনি জড়িত হচ্ছেন এবং এখানে একজন শান্তিপ্রতিষ্ঠাকারী হবেন। মেইন থেকে নির্বাচিত সাবেক এই রিপাবলিকান সিনেটর বলেন, আমি মনে করি, পুতিন এগিয়ে এসে বলবেন, আপনাদের এই সমস্যার সমাধানে আমাকে সহায়তার সুযোগ দিন, ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমলে পেন্টাগন প্রধানেরও দায়িত্ব পালন করেছেন কোহেন।

সাম্প্রতিক ট্রাম্প-ইরান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চলছে। কোহেন বলেন, আমি কিছুটা আশাবাদী যে শান্তিপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রাশিয়া এগিয়ে আসবে। সিরিয়ায় যেমনটা হয়েছে, তেমনি ইরাক থেকে আমেরিকানদের চলে আসার ক্ষেত্রে রাশিয়ার সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ দেখতে পেয়েছেন তিনি।

পাঁচ বছর আগের পরমাণু চুক্তিকে কেন্দ্র করে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে জার্মানি ও ফ্রান্স। যদিও জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর চুক্তি থেকে প্রায়ই সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

২০০১ সালে কোহেন গ্রুপ কনসালটেন্সির প্রতিষ্ঠা করেন উইলিয়াম কোহেন। বললেন, বহুপক্ষীয় পরমাণু চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে ট্রাম্প একতরফাভাবে সরে আসার ঘোষণা দেয়ার পর ইরান তার পরমাণু স্থাপনাগুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তা নিয়ে একটি চুক্তির মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে পারে রাশিয়া।

তিনি বলেন, ইরানও চাচ্ছে প্রতিবেশী ইরাক থেকে মার্কিন সেনারা সরে যাক। যাতে রাশিয়ার খুশি হওয়ার কথা। মধ্যপ্রাচ্য ও সিরিয়ার রাজনীতিতে বড় খেলোয়াড়ের ভূমিকা রেখে আসছে মস্কো।

এদিকে কোনো হতাহতের উদ্দেশ্যে ইরাকি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালায়নি বলে দাবি করেছেন বিপ্লবী গার্ডসের এক কমান্ডার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরিতা এড়াতেই এমনটা করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা বলে আসছিলেন।

বুধবার সকালেই ইরাকের দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে একডজনের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। বর্তমানে দুই পক্ষই যুদ্ধের কিনার থেকে সরে গিয়েছে।

ইরানি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহ বলেন, আমরা তাদের হত্যা করতে চাইনি। তিনি বিপ্লবী গার্ডসের এয়ারোস্পেস ফোর্সের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।

 ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের ক্ষমতা কমিয়ে নিম্নকক্ষে বিল পাস- দৈনিক মানবজমিন

ইরানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা খর্ব করে বিল পাস হয়েছে মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে। বিলটি বৃহৎ পরিসরে প্রতীকী। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ২২৪ ভোট পেয়ে ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়েছে এটি। এর বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১৯৪টি। তবে আইনে পরিণত হওয়ার জন্য রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত উচ্চকক্ষ সিনেটে পাস হতে হবে বিলটিকে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি। খবরে বলা হয়, বিলটির লক্ষ্য হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষে যাওয়ার আগে ট্রাম্পকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে বাধ্য করা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের হামলার আশঙ্কা থাকলে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছেছে।

গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য বিএনপি নির্বাচনে : মির্জা ফখরুল-দৈনিক নয়াদিগন্ত

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী অভিবক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এসময় ইশরাক হোসেনকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র নির্বাচনে প্রচারের প্রথম দিনে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে মেয়র পদে যাকে মনোনয়ন দিয়েছি বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক মেয়র, সাবেক মন্ত্রী সাদেক হোসেনের বড় ছেলে তরুণ নেতা ইশরাক হোসেনকে। ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা যিনি মিথ্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। ইশরাককে মনোনয়ন দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য, দেশনেত্রীর মুক্তির জন্যে একটি আন্দোলন হিসেবে এই নির্বাচনকে আমরা গ্রহণ করেছি। ইশরাক হোসেনকে সামনে নিয়ে আমরা সেই আন্দোলন শুরু করলাম। আজ থেকে নতুন আমাদের নতুন আন্দোলন শুরু হলো। এই আন্দোলন গণতন্ত্র মুক্ত করবার আন্দোলন, জনগণকে মুক্ত করবার আন্দোলন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবার আন্দোলন। এই আন্দোলনে আমাদের মার্কা ধানের শীষ।

এসময় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, আমি ধানের শীষের প্রার্থী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী। আপনারা আমার জন্যে দোয়া করবেন। আমরা যে আন্দোলন সংগ্রাম শুরু করেছি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, আমাদের মা-এর মুক্তির আন্দোলন আমরা শুরু করেছি। গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন শুরু করেছি। ইনশাল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনবো।

পরে মিছিল সহকারে দলীয় নেতাকর্মীরা বাইতুল মোকাররম থেকে শুরু করে পুরানা পল্টন মোড় হেয় দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে যায়। এসময় তারা লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সাবেক এমপি সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ইমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর ইশরাক হোসেন জুরাইনে তার পিতা সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার কবর জিয়ারত করেন।

 ইসিকে নখদন্তহীন বাঘ বললেন ইশরাক-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন

নির্বাচন কমিশন (ইসি) মেরুদণ্ডহীন, নখদন্তহীন বলে মন্তব্য করে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেছেন, গত তিনদিন আগে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে ইসিতে লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছি। ইসি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, কালবিলম্ব করছে। তাদের অবস্থা আমরা বুঝি। তাদের সেই ক্ষমতা নেই। এনিয়ে আমরা বিচলিত নই, পরোয়া করি না। আমরা আচরণবিধি মেনে নিচ্ছি।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর গোপীবাগের সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে অবস্থিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের (ডিএসসিসি) রির্টানিং কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিদের ইসিতে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অনুমতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব মিডিয়ায় কথা বলার অজুহাত। তারা প্রচারণা করছেন, ঘরোয়া বৈঠকেও অংশ নিচ্ছেন। আমাদের কাছে সব তথ্য আছে। আমরা তো এক শহরে বাস করি, ভিনগ্রহে বাস করি না।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এবার ভারতের বিস্তারিত তুলে ধরছি

কাশ্মীরে নেট বন্ধ কেন, ৭ দিনের মধ্যে পর্যালোচনা চায় সুপ্রিম কোর্ট-দৈনিক আজকাল

ইন্টারনেট-সহ জম্মু-কাশ্মীরে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশাসনকে এক সপ্তাহের মধ্যে পর্যালোচনার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। জম্মু-কাশ্মীরে কেন নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে সরকার এ নিয়ে মামলা দায়ের করেন কাশ্মীর টাইমস-এর সম্পাদক অনুরাধা ভাসিন এবং কংগ্রেস সাংসদ গুলাম নবি আজাদ। বিচারপতি এন ভি রামানা, আর সুভাষ রেড্ডি এবং বি আর গাভাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি ছিল শুক্রবার।

সুপ্রিম কোর্ট এ দিন বলে, “তথ্য আদানপ্রদানের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ইন্টারনেট। এবং এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতারই একটি অংশ। সুতরাং এ বিষয়ে দ্রুত পর্যালোচনা করতে হবে।” শীর্ষ আদালত আরও বলে, অনির্দিষ্ট কালের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ রাখা যায় না। এটা ক্ষমতার অপব্যবহার বলেই মনে করছে তারা।  সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে মতবিরোধ ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞার কারণ হতে পারে না। এটা বাক্‌স্বাধীনতার অংশ। ইন্টারনেটের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত প্রশাসনের।  এর পাশাপাশি আদালত বলে, সমস্ত নির্দেশ এবং ফোন পরিষেবার উপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ১৪৪ ধারার অধীনে যে সব নির্দেশ রয়েছে সরকারকে সেগুলোও প্রকাশ করতে হবে।

এই তাহলে অচ্ছে দিন!‌ ২০১৮১৯ আর্থিক বর্ষে বিজেপির আয় বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি

দেশের অর্থনীতি বেহাল। ধুঁকছে একাধিক শিল্প। জিডিপি পড়তির দিকে। এই অবস্থাতে ‘‌অচ্ছে দিন’‌ বলতে গেলে বিজেপির। কারণ সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের বার্ষিক আয়–ব্যয়ের রিপোর্টে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৮–১৯ আর্থিক বর্ষে দলের আয় বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। ২০১৭–১৮ আর্থিক বর্ষে যেখানে আয় ছিল ১০২৭ কোটি টাকা, সেখানে গত আর্থিক বর্ষে আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪১০ কোটি টাকায়। এর মধ্যে আবার ৬০ শতাংশ অর্থ এসেছে নির্বাচনী বন্ড থেকে। 
২০১৭–১৮ আর্থিক বর্ষে বিজেপির আয় ছিল ১০২৭ কোটি টাকা।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া রিপোর্টে মোদি–শাহের দল জানিয়েছিল, ওই আর্থিক বছরে তাঁদের ব্যয়ের পরিমাণ ৭৫৮ কোটি টাকা ছিল। এর মধ্যে ৫৬৭ কোটি টাকা তাঁরা খরচ করেছিল ভোট প্রচারে। অন্যদিকে, গত আর্থিক বর্ষে বিজেপি ব্যয় করেছে ১০০৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ খরচ বেড়েছে ৩২ শতাংশ। এর মধ্যে ৭৯২.‌৪ কোটি টাকা তারা ভোট প্রচারে খরচ করেছে। এছাড়া ২০১৭–১৮ আর্থিক বর্ষে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে যেখানে এসেছিল ২১০ কোটি টাকা। এবার সেটাও বেড়ে গিয়েছে। অথচ মোদি সরকারের আনা নিয়মানুযায়ী, এই টাকা কে কে দিয়েছে?‌ তার তালিকা প্রকাশ করতে বাধ্য নয় বিজেপি। আর এখানেই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। যেখানে দেশের আর্থিক অবস্থা এতটা খারাপ, সেখানে কীভাবে এত টাকা পেল একটি রাজনৈতিক দল?‌ এই কী তাহলে ‘‌অচ্ছে দিন’‌?‌ নেটিজেনদের প্রশ্ন, ‘‌তাহলে বলুন বিজেপির বিকাশ হয়েছে কি না?‌’‌‌

পাথর ছুঁড়লে বোমা মারব, CAA বিরোধীদের হুমকি বিজেপি সাংসদে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোল শুরু হয়েছে। কোথাও শান্তিপূর্ণভাবে এই আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন মানুষ। তো কোথাও আবার প্রতিবাদের নামে চলেছে তাণ্ডব। এর ফলে গোটা দেশে প্রচুর সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, অসম ও কর্ণাটক মিলিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জনের বেশি মানুষ। উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লিতে প্রচুর মানুষ বিক্ষোভের নামে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তারও হয়েছে। বর্তমানে সেই পরিস্থিতি যখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে তখন বিক্ষোভকারীদের দিকে বোমা ছোঁড়ার হুমকি দিলেন এক বিজেপি সাংসদ। তেলেঙ্গানার করিমনগরের ওই সাংসদের নাম বান্ডি সঞ্জয় কুমার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। এই ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের।#

পার্সটুডে/ বাবুল আখতার/১০