কথাবার্তা: প্রতারণার গুরু সাহেদকে নিয়ে গোয়েন্দারা হতবাক !
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৮ জুলাই শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- বাংলাদেশে একদিনে করোনায় আরো ৩৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭০৯ জন-দৈনিক যুগান্তর
- দৈনিকটির অন্য একটি খবরের শিরোনাম-আরও ৬৮ জনের মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল করল সরকার
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার করোনা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে-তথ্যমন্ত্রী-কালের কণ্ঠ
- অনলাইনে জঙ্গি কার্যক্রম, এবার ভারতীয় নারী গ্রেফতার-দৈনিক ইত্তেফাক
- চার খুনের ঘটনায় থমথমে মশিয়ালি গ্রাম, আ.লীগ নেতা বহিষ্কার-দৈনিক সমকাল
- বিশ্বের ১৭ তম দেশ হিসেবে করোনায় ২ লাখ পার করল বাংলাদেশ-দৈনিক প্রথম আলো
- চার সুন্দরীর ফাঁদ সাহেদের, সাবরিনা ফের রিমান্ডে-মদতদাতারা যথারীতি আড়ালে-দৈনিক মানবজমিন
- আগস্টেই রাশিয়ার ভ্যাকসিন ব্যবহার, পেতে পারে বাংলাদেশ-বিডি প্রতিদিন
ভারতের শিরোনাম:
- রেকর্ড সাড়ে ৩২ হাজার করোনায় আক্রান্ত একদিনে, গবেষণার দাবি-সেপ্টেম্বরে করোনা রোগীর সংখ্যা হতে পারে ৩৫ লক্ষ-আনন্দবাজার পত্রিকা
- গেহলটের সরকারের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির-সংবাদ প্রতিদিন
- সেনা সরানোয় কোনও সমঝোতা চলবে না, চীনকে কড়া বার্তা ভারতের-আজকাল
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. রিজেন্টের অবস্থা জেনেও ব্যবস্থা নেয়নি মন্ত্রণালয়। এটি দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
২. ইয়েমেনের আল-জাওফ প্রদেশে চালানো সৌদি বিমান হামলায় ২৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দিয়েছে রিয়াদ। কিন্তু তা নাকচ করেছে ইয়েমেনি উপজাতিরা বরং তারা প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়েছে। কী বলবেন আপনি?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর: সাহেদ সমাচার
সাহেদের তথ্যে গোয়েন্দারা হতবাক-৪৮ চেক নিয়ে রিজেন্টের এমডির ভায়রাসহ আটক ২, গাড়ি জব্দ-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রতারণার জাদুকর সাহেদের বিষয়ে আসতে থাকা নিত্যনতুন তথ্যে হতবাক খোদ গোয়েন্দারা। শতভাগ মিথ্যা তথ্যকে সত্যের মতো করে সাহেদের উপস্থাপন নিয়েও বিস্মিত। সাহেদের প্রতারণার সব কৌশল নিয়ে এখনো ধন্দে পুলিশ কর্মকর্তারা। গোয়েন্দা পুলিশের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, এমন বহুরূপী প্রতারক চাকরি জীবনে কম দেখেছি। সময় যাচ্ছে আর বহুরূপী এ প্রতারককে নিয়ে অবাক হওয়ার মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। প্রতারণার পাশাপাশি মিথ্যা বলায়ও তার শৈল্পিকতার ছোঁয়া রয়েছে। তিনি নিজেকে করোনা রোগী বলে দাবি করেছেন। বিস্ময়কর তথ্য হলো, সাহেদ তার নিজের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সনদ নিয়েও জালিয়াতি করেছেন। করোনা আক্রান্ত অন্যের স্যাম্পল নিজের নামে চালিয়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সনদ নিয়েছেন। যদিও সত্যিই তিনি করোনায় আক্রান্ত হননি। সবার সহানুভূতি পাওয়া ও রিজেন্টের জালিয়াতি থেকে নিজেকে বাঁচাতে নিজের করোনা আক্রান্ত হওয়া নিয়েও এমন গল্প ফাঁদেন প্রতারণার গুরু সাহেদ।
গোয়েন্দা পুলিশের অন্য এক কর্মকর্তা জানান, গতকাল দুপুরের পর সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের চেষ্টা করলেও তিনি বারবার অসুস্থতার ভান ধরেন। সাহেদ বারবার বলছিলেন, আমার করোনা হলেও এখনো আমি দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করাইনি। এদিকে, সাহেদের প্রতারণা, নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকলে তাদের আইনি সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে র্যাব। সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানতে চালু করেছে একটি হটলাইন নম্বর। দেওয়া হয়েছে একটি ইমেইল অ্যাড্রেস। এ ছাড়া সাহেদের সিল ও স্বাক্ষরিত চেক বইয়ের ৪৮টি পাতাসহ গিয়াস উদ্দীন জালালী (৬১) এবং তার গাড়ির চালক মাহমুদুল হাসান (৪০) নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছেন, শুরু থেকেই সাহেদ নিজেকে গুরুতর অসুস্থ বলে দাবি করেছিলেন। আদালতে গিয়েও নিজেকে করোনা আক্রান্ত হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। রিজেন্ট হাসপাতালে পাওয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্টের বিষয়ে তিনি বারবার তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ এড়ানোর কৌশল হিসেবে সাহেদ বারবারই তার প্রয়াত মা সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাফিয়া করিমের প্রসঙ্গ টেনে আনছেন। বলছেন আওয়ামী রাজনীতিতে তার মায়ের ভূমিকার কথা। একইসঙ্গে সম্প্রতি করোনায় মৃত্যুবরণকারী বাবা সিরাজুল করিমের লাশ দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপের কথা শুনিয়ে তদন্ত তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পুলিশ জানায়, ভদ্রবেশে সমাজের সর্বত্র ছিল সাহেদের বিচরণ। স্থান-কাল-পাত্র ভেদে তিনি ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে আসছেন। সারাক্ষণ স্যুটেড-বুটেড থাকা সাহেদ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবলায়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা দফতরে ঘুরে বেড়াতেন তদবির বাণিজ্যে। নিজেকে কখনো অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, কোথাও ক্যাডেট পাস সেনা পরিবারের সদস্য, কোথাও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস (সহকারী একান্ত সচিব), কোথাও সচিব, কোথাও গোয়েন্দা সংস্থার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বেড়াতেন। অনেকের কাছে তার পরিচিতি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব! আবার কখনো তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বলে পরিচয় দিতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য তার রয়েছে স্থায়ী পাস। নানা পরিচয় দেওয়া বিচিত্র চরিত্রের অধিকারী সাহেদ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় প্রতারণার কাজে তার হাতেখড়ি। এরপর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সব সরকারের আমলে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দুসহ সব জায়গা।
সূত্র আরও বলছেন, সাহেদ তার প্রতারণার কিছু বিষয় কবুল করছেন। তবে এর নেপথ্য মদদদাতা ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে কিছু ব্যক্তির নাম বলেছেন। প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন তার অপরাধ থেকেও ওইসব ব্যক্তি ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছেন এবং লাভবানও হয়েছেন।
জেকেজি ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের ১০ জনের জালিয়াত সিন্ডিকেট -ফের দুই দিনের রিমান্ডে সাবরিনা-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শাহ গোলাম নবী স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে ১০০টি মাস্ক ও ২০০টি গগলস চেয়ে চিঠি পাঠান। এই প্রতিষ্ঠানকে মাত্র ২৫টি মাস্ক ও ২৫টি গগলস দেওয়া হয়। একইভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজের চাহিদাপত্রের বিপরীতে পিসিআর ল্যাবে কর্মরতদের জন্য দেওয়া হয় মাত্র ১০০ পিস মাস্ক ও ১০০ পিস পিপিই। অথচ একই দিনে জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল চৌধুরী ১২০০ পিপিই, ১২০০ গগলস, ১২০০ জুতার কাভার, ৩ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক ও ৩ হাজার সার্জিক্যাল গ্লাভস চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরে চিঠি লেখেন। জেকেজির চাহিদার পুরোটাই পূরণ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত মার্চ ও এপ্রিলের দিকে যখন সরকারি সুরক্ষাসামগ্রীর চরম সংকট চলছিল, তখন চাহিদাপত্র দিয়েও অনেক কভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল প্রয়োজন অনুযায়ী সুরক্ষাসামগ্রী পায়নি। তবে সাবরিনা-আরিফেরর জেকেজি চাহিদাপত্র দেওয়ামাত্র শত শত সুরক্ষাসামগ্রী পৌঁছে যেত। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও গোয়েন্দা তদন্তে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।
সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য দিয়ে বলেছে, লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান জেকেজিকে নমুনা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া এবং সনদ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে জেকেজি ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের ১০ জনের একটি সিন্ডিকেট। তাদের মধ্যে চারজন গ্রেফতার হয়েছেন। বাকিরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী। তারা নজরদারিতে রয়েছেন। এদিকে জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনাকে ফের দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তিন দিন রিমান্ড শেষে গতকাল আদালতে হাজিরের পর প্রতারণা মামলায় আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এদিকে চার দিনের রিমান্ডে থাকা আরিফ চৌধুরীকে গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের সূত্র জানায়, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের অভিজ্ঞতা দেখিয়ে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহের কাজ পাওয়া জেকেজিকে আলাদা করে গুরুত্ব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। পুলিশের জেরায় সাবরিনা এরই মধ্যে নিজের দোষ স্বীকারও করেছেন এবং তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদেরও গ্রেফতারের দাবি করেন।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তদন্ত কর্মকর্তাদের সাবরিনা বলেন, করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদ তৈরি করতে আমাকে ব্যবহার করা হয়েছে। আমি এটা চাইনি। এখন ভুল বুঝতে পারছি, কিন্তু দেরি হয়ে গেছে। আমাকে যারা এ কাজে সহযোগিতা করেছে তারাও সমান অপরাধী। তাদেরও গ্রেফতার করা হোক।
তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভিন্ন মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদফতরে প্রভাব খাটিয়ে স্বামী আরিফুল চৌধুরীর জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা তথা জেকেজি হেলথকেয়ারকে সরকারি কাজ পাইয়ে দিতেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী। ফলশ্রুতিতে করোনার এ দুর্যোগকালে জেকেজি হেলথকেয়ার প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। সূত্র জানায়, সরকারের কাছ থেকে বিনা মূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথকেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে কী পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে তার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব টাকা কোথায় কোথায় রেখেছেন তারও খোঁজ মিলেছে। টাকার বেশির ভাগ অংশ তারা তিনটি ব্যাংকে রাখার তথ্য দিয়েছে। তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে সাবরিনা এবং আরিফের মোবাইল কল লিস্ট ধরে তদন্ত করা হচ্ছে। সাবরিনাকে গ্রেফতারের পরই তার মোবাইলফোনটি জব্দ করা হয়েছে। এর সূত্র ধরেই করোনার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে অনেক প্রভাবশালী লোকজন তাকে এ অপকর্মে সহযোগিতা করেছেন বলে জানা গেছে। এদিকে ডা. সাবরিনার ঘনিষ্ঠ ওভাল গ্রুপের আরও সাত পরিচালককে পুলিশ নজরদারিতে রেখেছে। এই সাতজনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে জানিয়েছেন ডিবি কর্মকর্তারা।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি:
নেতাদের ফোন ট্যাপিং ইস্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির –দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন ও আজকাল
বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, রাজস্থানে রাজনৈতিক নাটক তুঙ্গে। কংগ্রেসের করা গেহলট সরকার উল্টে দেওয়ার চক্রান্তে বিজেপির নাম থাকার অভিযোগের পাল্টা চাল দিল বিজেপি। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাদের ফোন ট্যাপ করার অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন।
আর দৈনিক আনন্দবাজারের একটি খবরে লেখা হয়েছে, এক বছরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী করতে লাগাতার চাপ সচিনের! দাবি প্রিয়ঙ্কা ঘনিষ্ঠদের। বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, রাজস্থান নাটকে এ বার নতুন পর্বের অবতারণা। সচিন পাইলটকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করল প্রিয়ঙ্কা গাঁধী শিবির। তাঁর ঘনিষ্ঠ এক কংগ্রেস নেতার দাবি, এক বছরের মধ্যে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য প্রিয়ঙ্কার কাছে লাগাতার দাবি জানিয়েছিলেন সচিন। সেই দাবি মেনে না নিলে প্রিয়ঙ্কা বা রাহুলের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এই বার্তা দলের কাছে যাওয়ার পরই নাকি তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে কংগ্রেস।
সেনা সরানোয় কোনও সমঝোতা চলবে না, চীনকে কড়া বার্তা ভারতের-দৈনিক আজকালের এ শিরোনামের খবরে লেখা হয়েছে, প্যাংগং সো থেকে সেনা সরাতেই হবে। এবং ৫ মে–র আগের স্থিতাবস্থা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ফেরাতে হবে। গত মঙ্গলবার দুদেশের কর্পস কমান্ডার স্তরের বৈঠকেই পিএলএ–কে এই বার্তা দিয়ে ভারতীয় সেনা বলেছে, এব্যাপারে কোনওরকম সমঝোতার পথে যেতে তারা রাজি নয়। এক্ষেত্রে কোনও সন্দেহের অবকাশ থাকাও নিষ্প্রয়োজন।
ভারতে করোনার আপডেট খবর: ভারতে ২৪ ঘন্টায় করোনা সংক্রমণ বাড়ল প্রায় ৩৫ হাজার। মোট আক্রান্ত ১০ লাখ ৩৮ হাজার ছাড়াল। ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৬৭১ জন । মোট মারা গেছেন ২৬ হাজার ২৭৩ জন। দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন ও আনন্দবাজারসহ সব দৈনিকে করোনার এ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।
এদিকে আনন্দবাজারের অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, করোনা ছড়িয়েছে উহানের গবেষণাগার থেকেই? গোপন কেবল ফাঁস করল আমেরিকা। এ খবরে লেখা হয়েছে, উহানের একটি গবেষণাগার থেকেই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল, এ দাবি জোরালো করে তুলতে এ বার চীনে মার্কিন দূতাবাসের কর্তাদের সঙ্গে বিদেশ দফতরের আলোচনার একটি গোপন কেব্ল ফাঁস করল আমেরিকা। ২০১৮ সালের ওই গোপন কেব্লে উহানের গবেষণাগারের কর্মীদের দক্ষতা ও এমন ধরনের ভাইরাস নিয়ে কাজের জন্য জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপ্রতুলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে গত ডিসেম্বরে উহানের বাজার থেকেই করোনাভাইরাস ছড়ায় বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (‘হু’)।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৮