বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি: সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে বিএআরসি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i103652-বাংলাদেশে_নিত্যপণ্যের_দাম_বৃদ্ধি_সরকারের_ব্যর্থতাকে_দায়ী_করেছে_বিএআরসি
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) বাজারে চাল, ভোজ্য তেলসহ  নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার জন্য ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ এবং তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে। রাষ্ট্রীয় এই গবেষণা সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে উৎপাদন তথ্যের অসামঞ্জস্যতাকে মূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২ ১৫:৩৪ Asia/Dhaka

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) বাজারে চাল, ভোজ্য তেলসহ  নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার জন্য ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ এবং তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে। রাষ্ট্রীয় এই গবেষণা সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে উৎপাদন তথ্যের অসামঞ্জস্যতাকে মূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সময় চাল, পেঁয়াজ ও আলুর বাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণ উদ্ঘাটনে বিএআরসি এই গবেষণা চালায়।

সরকার কর্তৃক কম চাল সংগ্রহ ও যথাসময়ে আমদানির ব্যর্থতা এবং প্রয়োজনীয় বাজার হস্তক্ষেপের অভাব মূল্য বৃদ্ধির কারণ বলে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।

ধানের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বড় মিল মালিক ও ব্যবসায়ীদের আধিপত্য ও অসম প্রতিযোগিতা; আমন মৌসুমে ধান উৎপাদনে ঘাটতি, ধান চাষের ব্যয় ও প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচ বৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান মৌসুমী ব্যবসায়ী বৃদ্ধি, কৃষি জমি সংকুচিত হওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উৎপাদন হ্রাস।

সরকারের গুদামে গড়ে সাড়ে ১২ লাখ মেট্রিক টন বা দেশের মোট চাহিদার ১৫ দিনের চাল মজুদ থাকলে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা। বর্তমানে সরকারি গুদামে প্রায় ২০ লাখ  মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে চাল রয়েছে ১৬ দশমিক শূন্য ৯ লাখ মেট্রিক টন। এ অবস্থায় কেন চালের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে- সে প্রশ্নের জবাবে  কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যমকে বলেছেন, মানুষের এখন চিকন চাল খাবার প্রবণতা বেড়েছে। তাই সরু চালের ওপর চাপ একটু বেড়েছে। তবে মোটা চালের দাম বাড়ছে না। চালের মূল্য বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের দেখানো যুক্তিকেই বরং সাফাই দিলেন মন্ত্রী। 

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার

এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, আমাদের চালের মজুদ এখন সর্বকালের সর্ববৃহৎ মজুদ। এটা কোয়ালিটিফুল চালের মজুদ। আমি আশা করি মানুষ এটা নিয়ে খাবে। সরকার আরও কিছু ট্যাক্স কমিয়ে সরু চাল বেসরকারিভাবে আমদানি করা যায় কিনা  তার চিন্তা ভাবনা করছে। তাহলে তার বিশ্বাস চালের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

খাদ্যমন্ত্রী আরো জানান, দেশে খাদ্যের কোনো অভাব নেই। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওএমএস চালু আছে সারাবছর। তবে এটা সীমিত ছিল। ৭৩০টি দোকানে চালু ছিল। এখন উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ১ হাজার ৭৬০টি ডিলারের মাধ্যমে আমাদের এএমএস চালু হচ্ছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।