চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা; সিটি মেয়র ও সিডিএ চেয়ারম্যান দায় চাপাচ্ছেন একে অপরকে
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হলেও জীবনমানে তেমন উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলাবদ্ধতা, যোগাযোগ এবং অবকাঠামোসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে একের পর এক প্রকল্প নেয়া হলেও, সমন্বয়হীনতার অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয়নি।
জলাবদ্ধতা নিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আর সিটি কর্পোরেশনের লড়াই চললেও, ঘোষিত সময়ে শেষ হয় না জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ। একে অপরের ওপর দায় চাপাতে ব্যস্ত সিটি মেয়র এবং সিডিএ চেয়ারম্যান।
সম্প্রতি দুই দফায় টানা বর্ষণে চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন নগরবাসী। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নাগরিকদের এমন দুর্যোগের সময়েও সিটি মেয়র এবং সিডিএ চেয়ারম্যানের নির্লিপ্ততায় ক্ষুব্ধ নগরবাসী। জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিতে সরকার সিডিএ, সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে, ১৫ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকার বাজেট দেয়। গত ছয় বছর ধরে প্রকল্পগুলোর কাজ চললেও, জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মেলেনি নগরবাসীর। আগামীতে আরো বড় বিপযয়ের আশংকা করছেন পরিবেশবিদরা।
এদিকে, সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষতা আর সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছেন পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. ইদ্রিস আলী। আর নগর পরিকল্পনাবিদ প্রফেসর জেরিনা হোসাইন মনে করেন নগর ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারনেই এই সমস্যা হচ্ছে বারবার।
তবে, প্রকল্পের সুফল পেতে আরো সময় লাগবে, জানালেন জলাবদ্ধতা নিয়ে কাজ করা প্রকল্প পরিচালক লেঃ কর্ণেল মোঃ শাহ আলী।
খালের পানির দায়িত্ব নিলেও, সড়কের পানির দায়িত্ব নিতে নারাজ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বললেন সিডিএ চেয়ারম্যান এম, জহিরুল আলম। আর দুর্যোগের দায় সিটি কর্পোরেশনের একার নয় বলে জানান চট্টগ্রামের সিটি কর্পোরেশন মেয়র এম, রেজাউল করিম চৌধুরী। তবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্টদের আরো আন্তরিক হয়ে কাজ করার তাগিদ সচেতন মহলের। #
পার্সটুডে/বাদশা রহমান/রেজওয়ান হোসেন/৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।