তেহরানে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের দেয়া সংবর্ধনা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i13900-তেহরানে_বাংলাদেশি_রাষ্ট্রদূতের_দেয়া_সংবর্ধনা_ও_নৈশভোজ_অনুষ্ঠিত
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাজধানী তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ কে এম মজিবুর রহমান ভূঁঞার পক্ষ থেকে দেয়া ঈদ সংবর্ধনা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যা ৮টা থেকে এ অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং চলে প্রায় রাত ১১টা পর্যন্ত।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
জুলাই ০৭, ২০১৬ ০৮:১৬ Asia/Dhaka
  • সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মজিবুর রহমানসহ বাংলাদেশী নাগরিকদের একাংশ
    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মজিবুর রহমানসহ বাংলাদেশী নাগরিকদের একাংশ

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাজধানী তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ কে এম মজিবুর রহমান ভূঁঞার পক্ষ থেকে দেয়া ঈদ সংবর্ধনা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যা ৮টা থেকে এ অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং চলে প্রায় রাত ১১টা পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে সপরিবারে অংশ নেন দূতাবাসের কাউন্সেলর এ. টি. এম. মোনেমুল হক ও তেহরানে বসবাসকারী বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। এর মধ্যে ছিল রেডিও তেহরান বাংলা অনুষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকদের পরিবার, তেহরানে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিতে চাকরিরত ইঞ্জিনিয়ার পরিবার, ইরানে শিপিং কর্পোরেশনে চাকরিরত ব্যক্তিবর্গ, দূতাবাসের বাংলাদেশি কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং বেশ কয়েকজন ইরানি স্টাফ। এছাড়াও ছিলেন তেহরানে অধ্যয়নরত বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ছাত্র।

নৈশভোজে ফিরনি-সেমাইসহ নানা রকমের বাংলাদেশি খাবারের আয়োজন ছিল। এছাড়া, নানা ধরনের ফল-ফলাদির ব্যবস্থাও ছিল। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অনেকেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, “রাষ্ট্রদূত মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে ঈদ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করায় শত শত বাংলাদেশি নাগরিকের দেখা সাক্ষাতের ব্যবস্থা হয়েছে। এর ফলে কিছু সময়ের জন্য হলেও তেহরানে আজ বাংলাদেশকে অনুভব করা গেল; এ যেন বাংলাদেশি নাগরিকদের মিলনমেলা।

অনেকেই বলেছেন, এর আগে এতটা বড় আকারে তেহরান দূতাবাসে ঈদ সংবর্ধনার আয়োজন হয় নি। সবাই বাংলাদেশের দূতাবাসকে নিজেদের মতো করে পেতে শুরু করেছেন এবং এটি সম্ভব হয়েছে রাষ্ট্রদূত মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগের ফলে।”

সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন  রাষ্ট্রদূত মুজিবুর রহমান, (পাশে) কাউন্সিলর এটিএম মোনেমুল হক

ঈদ সংবর্ধনা ও নৈশভোজে অংশ নেয়ার জন্য রাষ্ট্রদূত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানটি আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের যে দেখা-সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ হলে সেটিই বড় পাওয়া। ভবিষ্যতেও তার ডাকে সবাই এমনি করে সাড়া দেবেন বলে আশা করেন রাষ্ট্রদূত মুজিবুর রহমান।

উল্লেখ্য এর আগে, বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে রোজার শেষ দিকে গত সোমবার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে অনুষ্ঠানেও বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক অংশ নেন।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/৭