নাফনদী থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার, ২৩০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i45228-নাফনদী_থেকে_আরও_দুটি_মরদেহ_উদ্ধার_২৩০০_রোহিঙ্গাকে_মিয়ানমারে_ফেরত
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের জুলুম-নির্যাতন থেকে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে আসা আরও দুই রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৭ ০৮:১১ Asia/Dhaka
  • নাফনদী থেকে রোহিঙ্গা শিশুদের লাশ উদ্ধার (ফাইল ফটো)
    নাফনদী থেকে রোহিঙ্গা শিশুদের লাশ উদ্ধার (ফাইল ফটো)

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের জুলুম-নির্যাতন থেকে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে আসা আরও দুই রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

গতকাল (রোববার) রাত সাড়ে আটটা থেকে আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফের নাফনদী থেকে একটি শিশু ও একজন নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে গত বুধবার থেকে এখন পর্যন্ত নাফ নদী থেকে ৫৭ জন রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইনুদ্দিন খান বলেন, গতকাল রাতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আজ সকালে উদ্ধার করা হয় নারীর লাশ। লাশ দুটি উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে, কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে একসঙ্গে দুই হাজার ৩০০ রোহিঙ্গা মুসলিমকে ফেরত পাঠিয়েছে বাংলাদেশের কোস্টগার্ড।

জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা

আজ (সোমবার) সকালে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার জাফর ইমাম সজীব জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে গতকাল রোববার রাতে দুই হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমকে আটক করা হয়। পরে সেই পথেই তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়। এ ছাড়া শাহপরীর দ্বীপ থেকে প্রায় কাছাকাছি সময়ে আরো ৩০০ রোহিঙ্গাকে আটক করে তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়।
এ সময় শাহপরীর দ্বীপ থেকে রোহিঙ্গাদের পরিবহনে ব্যবহৃত নয়টি নৌকা জব্দ করে কোস্টগার্ড।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) হিসাব অনুযায়ী, রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর প্রতিদিন শত শত রোহিঙ্গা মুসলিম মিয়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় পৌনে এক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 

জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে দেশটির উত্তর-পূর্ব রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিগতভাবে নির্মূল করতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের গ্রামে আগুন দিয়ে বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেয়াসহ গণহত্যা ও গণধর্ষণ চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৪