বাংলাদেশে এখন ১০ লাখ রোহিঙ্গা, নোয়াখালীতে অবকাঠামো নির্মাণের সিদ্ধান্ত
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i49043-বাংলাদেশে_এখন_১০_লাখ_রোহিঙ্গা_নোয়াখালীতে_অবকাঠামো_নির্মাণের_সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, ১০ লাখ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। তারা যেন নিরাপদে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা করাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেজন্য সবার সহযোগিতা দরকার। 
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ২৮, ২০১৭ ১৬:২৬ Asia/Dhaka

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, ১০ লাখ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। তারা যেন নিরাপদে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা করাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেজন্য সবার সহযোগিতা দরকার। 

আজ (মঙ্গলবার) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হওয়া দু'দিনব্যাপী ‘মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৫-২০১৭’-শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

রোহিঙ্গা শরণার্থী

এদিকে, মিয়ানমার থেকে আসা এক লাখ রোহিঙ্গার আবাসনের জন্য নোয়াখালীর হাতিয়া থানায় চরঈশ্বর ইউনিয়নের ভাষানচরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ (মঙ্গলবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এর বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এই প্রকল্পে ব্যয় হবে ২ হাজার ৩১২ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এই টাকার পুরোটায় ব্যয় করা হবে সরকারি তহবিল থেকে।

বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এবং পুনর্বাসন প্রসঙ্গে বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন রেডিও তেহরানকে বলেন, কথায় এবং কাজে প্রচুর শুভংকরের ফাঁকি রয়ে গেছে। মিয়ানমারের সাথে যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে তাতে আশাব্যঞ্জক কিছু নেই। সমস্যাটি দীর্ঘদিন বাংলাদেশের ঘাড়ে চেপে থাকবে বলে মনে করেন এ বামপন্থি নেতা। 

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং

এদিকে, মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং তার দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা হয় না বলে দাবি করার একদিন পর সফররত পোপ ফ্রান্সিস জোরালোভাবে বৈচিত্র্যকে সম্মিলনের হাতিয়ার করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় পোপ এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।   

ওই বৈঠক নিয়ে ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষের এক ব্রিফিং এর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স খবরটি জানিয়েছে। তবে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদেরকে নিয়ে পোপ ফ্রান্সিস কিছু বলেননি বলে উল্লেখ করেছে বার্তা সংস্থাটি।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৮