মিয়ানমারের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন: বাংলাদেশ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i67216-মিয়ানমারের_অভিযোগ_পুরোপুরি_মিথ্যা_ও_ভিত্তিহীন_বাংলাদেশ
বাংলাদেশে মিয়ানমারের সশস্ত্র বৌদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘আরাকান আর্মি’ এবং রোহিঙ্গাদের বিদ্রোহীদের সংগঠন আরকান স্যালভেশন আর্মি বা ‘আরসা’র পাঁচটি ঘাঁটি রয়েছে বলে অভিযোগ করে মিয়ানমারের মন্ত্রী যে বিবৃতি দিয়েছেন তার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জানুয়ারি ০৯, ২০১৯ ১৬:২৪ Asia/Dhaka
  • মিয়ানমারের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন: বাংলাদেশ

বাংলাদেশে মিয়ানমারের সশস্ত্র বৌদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘আরাকান আর্মি’ এবং রোহিঙ্গাদের বিদ্রোহীদের সংগঠন আরকান স্যালভেশন আর্মি বা ‘আরসা’র পাঁচটি ঘাঁটি রয়েছে বলে অভিযোগ করে মিয়ানমারের মন্ত্রী যে বিবৃতি দিয়েছেন তার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা।

আজ (বুধবার) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মিয়ানমার সরকারকে দেয়া প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, "মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট অফিসের মুখপাত্রের বরাদ দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সরকার জানতে পেরেছে যে, বাংলাদেশে মিয়ানমারের বিদ্রোহী জঙ্গি গোষ্ঠী আরসার দু’টি ঘাঁটি ও আরাকান আর্মির তিনটি ঘাঁটি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মিয়ানমার। তবে মিয়ানমারের এই অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বাংলাদেশের কোথাও কোনো এলাকায় জঙ্গি ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব নয়। কেননা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পুরোপুরি জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।”

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, "বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, দেশের মাটিতে বসে কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।"

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, “অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যার জন্যই মিয়ানমারের বর্তমান অস্থিরতা বিরাজমান। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যার দায় বাংলাদেশের ওপর না চাপালেই বাংলাদেশ সন্তোষ প্রকাশ করবে।” 

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী এক খবরে জানায়, মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র জ হতেই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে আরসার সঙ্গে আরাকান আর্মির সম্পর্ক এবং বাংলাদেশে তাদের ঘাঁটি থাকার অভিযোগ করেন। গত বছরের জুলাই মাসে কক্সবাজারের রামুতে উভয় সংগঠনের নেতারা বৈঠকও করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি দাবি করেন, "সরকার বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেছে, রামুর ওই বৈঠকে মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে দুই গ্রুপের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ঠিক হয়েছে, মায়ু পর্বতমালার পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা নিয়ন্ত্রণ করবে আরসা এবং পূর্ব দিকের এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেবে আরাকান আর্মি। আর জুলাই মাসের ওই বৈঠকের জেরেই আরাকান আর্মি গত সপ্তাহে রাখাইনে একযোগে চারটি পুলিশ চৌকিতে হামলা করে ১৩ জনকে হত্যা করে। মিয়ানমার সরকার এসব হামলার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে।"

জ হতেই’র দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশে আরাকান আর্মির দুটি এবং আরসার তিনটি ঘাঁটি রয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশের কাছে মিয়ানমার অভিযোগ করেছে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৯

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন