খালেদা জিয়ার মাড়ির দাঁত তোলা হয়েছে; ১১ মামলায় তারিখ পেছাল
-
সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হত্যা ও রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১০টি মামলায় চার্জগঠন ও একটি মামলার চার্জশিট আমলে গ্রহণের শুনানি পিছিয়ে আগামী ১৭ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।
আজ (বুধবার) কেরানীগঞ্জের কারাভবনে স্থাপিত বিশেষ অদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বেগম জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার কারণ দেখিয়ে শুনানি পিছিয়ে দেবার আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন। এসব মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা দারুস সালাম থানায় ৮টি নাশকতার মামলা ও যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে ২টি মামলা রয়েছে।
শুরুতে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে ১১টি মামলার বিচার ঢাকা জেলা আদালত চত্তরে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। এরপর ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি সরকার ৮টি মামলার বিচার বকশিবাজারস্থ আলিয়া মাদ্রাসার অস্থায়ী আদালতে অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ইতোমধ্যে দুর্নীতির দু’টি মামলায় ১৭ বছর কারাদন্ড মাথায় নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে কারাবন্দি রয়েছেন। বর্তমানে তিনি কারাকর্তৃপক্ষের হেফাজতে বঙ্গবন্ধূ শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে, আজ বেগম জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল ইউনিটে দাঁতের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এজন্য বেলা সোয়া ১টার দিকে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে তার কেবিন থেকে সেখানে নেয়া হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার নিচের পাটিতে মাড়ির দিকে একটি দাঁত ক্ষয় প্রাপ্ত হয়ে ধারাল হয়ে পড়েছিল। তাতে ঘষা লেগে তার গালে একটি আলসার সৃষ্টি হয়। ওষুধে ক্ষত না কমায় তার দাঁতটি তুলে ফেলা হয়েছে। পরে তাকে তার কেবিনে ফিরিয়ে আনা হয়।#
পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান/বাবুল আখতার/১২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।